সর্বশেষ আপডেট : ৪ মিনিট ২৬ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বড়লেখায় জাল স্বাক্ষরে স্লিপ কার্যক্রমের টাকা তুলে নিল প্রাইমারি স্কুলের দপ্তরী!

daily-sylhet-barlekha-news2বড়লেখা প্রতিনিধি ::
মৌলভীবাজারের বড়লেখার হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি তায়েছ আহমদ স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে স্লিপ কার্যক্রমের ৪০ হাজার টাকা ব্যাংক হতে উত্তোলন করে আত্মসাত করেছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জালিয়াত দপ্তরীর বিরুদ্ধে থানায় জিডি কিংবা নূন্যতম ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তৎপর হওয়ায় বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের হরিপুর সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষক ছয়ফুল হক দুই বছর আগে সহকারী শিক্ষক তোফায়েল আহমদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করে কলাজুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে  যোগদান করেন। ফৌজদারি মামলায় শিক্ষক তোফায়েল আহমদ সাময়িক বরখাস্ত হলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিযুক্ত হন অপর শিক্ষক প্রণথ রঞ্জন বৈদ্য। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য স্লিপ কার্যক্রমের আওতায় ৪০ হাজার টাকা সরকারি বরাদ্দ আসে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বরাদ্দের টাকা উত্তোলনের ব্যাপারে ব্যাংকে গিয়ে জানতে পারেন গত ১৯ জুন স্কুলের দপ্তরী তায়েছ আহমদ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হেলাল উদ্দিন ও প্রধান শিক্ষক ছয়ফুল হকের (যিনি দুই বছর আগে বদলি) যৌথ স্বাক্ষর জাল করে বরাদ্দের পুরো টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেছে।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক প্রণথ রঞ্জন বৈদ্য ও স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হেলাল উদ্দিন জানান, স্লিপ কার্যক্রমের বরাদ্দের টাকা উত্তোলনের জন্য কোনো চেকে তারা স্বাক্ষর করেননি। ব্যাংকে গিয়ে জানতে পারেন, দপ্তরী তায়েছ তাদের স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলন করেছে।
সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক আবাদ হোসেন জানান, দপ্তরী তায়েছ আহমদ স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলন করেছে। স্বাক্ষর জাল হলেও ৮০ ভাগ মিলে যাওয়ায় টাকা দেয়া হয়েছে। দুই বছর আগে প্রধান শিক্ষক বদলি হলেও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আপডেট না করা রহস্যজনক।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা অরবিন্দ কর্মকার জানান, স্কুলের যৌথ ব্যাংক একাউন্টে দুই বছর আগে বদলি হওয়া প্রধান শিক্ষকের নাম থাকার ঘটনাটি বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের চরম দায়িত্বহীনতাই প্রমাণ করে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির সাক্ষর জাল করে স্লিপ কার্যক্রমের টাকা উত্তোলনের ঘটনা জানার পরই প্রধান শিক্ষককে থানায় জিডি করতে বলেছি।
এ ব্যাপারে জানতে দপ্তরী তায়েছ আহমদের মোবাইল ফোনে ( ০১৭০৫-৬৭০৬০৫) বারবার ফোন দিলে রিং হলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: