সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ৭ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

এবার মুখ খুললেন বাবুল আকতার!

Babulডেইলি সিলেট ডটকম :: এসপি স্ত্রী মিতু হত্যাকাণ্ড নিয়ে ধোয়াশা কাটছেই না। একের পর এক বিভ্রান্তিকর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে গণমাধ্যমে। তবে সত্যিটা কি তা এখনও কেউ জানে না। তবে নির্ভরযোগ্য একটি মাধ্যমে এসপি বাবুল আকতারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা।

বাবুল আক্তারের বরাত দিয়ে সূত্রটি জানায়, বাবুল আকতার তাকে জানিয়েছেন, তিনি যদি পরকীয়া করে থাকেন তাহলে সেই মেয়ের নাম পরিচয় প্রকাশ করা হোক। পরকীয়া করে থাকলে নিশ্চয় তিনি ওই মেয়ের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেছেন। কোথাও না কোথাও দেখা করেছেন। কেউ না কেউ তা দেখেও থাকতে পারেন। তাহলে সেসব প্রমাণ হাজির করা হোক।

এছাড়া তিনি জানিয়েছেন, একসঙ্গে বহু চাঞ্চল্যকর মামলা তদন্তের অভিজ্ঞতা আছে তার। একটি ডাকাতি ও অস্ত্র মামলার তদন্তে অন্যতম সোর্স ছিলেন মুসা। তাই তিনি যদি তার স্ত্রী মিতুকে হত্যার পরিকল্পনা করেই থাকেন তাহলে তার মতো একজন পুলিশ অফিসার কেন সোর্স মুসাকেই ব্যবহার করবেন? এছাড়া পরকীয়ার কারণে যদি স্ত্রীর সঙ্গে মনোমালিন্য হয় তাহলে তাকে হত্যা করতে হবে কেন? সংসার না করলেই তো পারতেন। সর্বোপরি এ দাম্পত্য কলহের বিষয় গোপন থাকার কোনো সুযোগ নেই। কেউ না জানলেও তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন অবশ্যই জানতেন। কিন্তু তারা কি এসব কখনও শুনেছেন?

এসপি বাবুল সংশ্লিষ্ট মাধ্যমকে আরও বলেন, আসলে তার বিরুদ্ধে সেই ২০০৭ সাল থেকেই ষড়যন্ত্র চলে আসছে। তখনই তাকে একটি মহল শেষ করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু আল্লাহর রহমতে তারা তা পারেনি। ওই চক্রের সঙ্গে এখন নতুন করে যুক্ত হয়েছে আরও কিছু প্রতিহিংসাপরায়ণ প্রভাবশালী ব্যক্তি। যারা এসব নোংরা ও বানোয়োট কথা ছড়াচ্ছে। এসপি বাবুল আক্তারের প্রশ্ন- যারা প্রথমে বলেছিল মিতুর পরকীয়ার কারণে তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন তারা ওই ছেলের নাম বলুক, তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তো অনেক তথ্য জানার কথা। কিন্তু তারা তা করছে না কেন?

সূত্রটি জানায়, এরাই বাবুল আকতারকে ওপর মহলের কথা বলে চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দেন। কিন্তু বাবুল আক্তার মনে করেন, তিনি শতভাগ পরিষ্কার আছেন। বরং তার দুই সন্তানসহ তাদের গোটা পরিবারের শোকাবহ অবস্থার মধ্যে যারা এসব ঘৃণিত ষড়যন্ত্র করছেন তাদের মুখোশ একদিন উন্মোচন হবেই। তিনি বলেন, তার বড় ছেলে এখন মানসিকভাবে ট্রমাটাইজড। কেননা তার সামনেই খুনিরা তার মাকে হত্যা করেছে।

এছাড়া সাড়ে ৩ বছরের ছোট্ট মেয়ে সারা দিন মা মা বলে আহাজারি করছে। ওদের মুখের দিকে তিনি তাকাতে পারছেন না। তিনি নিজেও বিপর্যস্ত। এ অবস্থায় যারা এসব করছে নিশ্চয় সরকারের নীতিনির্ধারক মহল বিষয়টি গভীরে গিয়ে খতিয়ে দেখবে।

-বিডি২৪লাইভ

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: