সর্বশেষ আপডেট : ১০ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ভারতীয় পোশাক দমাতে পারেনি সিলেটের দর্জি বাড়ির ব্যস্ততা

eid bazar news daily sylhetজীবন পাল::

ইন্ডিয়ান পোশাক দমাতে পারেনি সিলেটের দর্জি বাড়ির ব্যস্ততা। সরেজমিনে গিয়ে সিলেটের বিভিন্ন দর্জি বাড়ি ঘুরে সেই দৃশ্যই চোখে পড়লো। কয়েক বছর ধরেই উৎসবে আমাদের মার্কেটগুলো দখল করে রেখেছে ভারতীয় পোশাক দমাতে পারেনি সিলেটের দর্জি বাড়ির ব্যস্ততা সমাহার নিয়ে। যে দৃশ্যটা শুধু সিলেটের নয়, পুরো দেশের। প্রতি বছরের মত এবারও এই ঈদ উৎসবে  ভারতীয় পোশাক তরুণীদের মন জয় করে নিয়েছে । এবারের মার্কেট দখল করে নেওয়া সেই ভারতীয় পোশাকটির নাম ‘বাজিরাও মাস্তানী। কিন্তু আলোচিত সেই পোশাকটি তরুণীদেন মন জয় করলেও দমাতে পারেনি সিলেটের দর্জি বাড়ির ব্যস্ততা। রেডিমেট কাপড়ের পাশাপাশি তরুন-তরুণীরা দর্জি বাড়িতেও ভীড় করছেন সমান তালে । যে ভীড়টা শুরু হয় ১০ রোজার পর থেকে ।
দর্জিদের ব্যস্ততা সম্পর্কে জানতে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শুকরিয়া মার্কেটের ৪র্থ তলায় অবস্থিত ড্রেস কিং লেডিস এন্ড জেন্ট টেইলার্স এ কর্মরত আব্দুর রব কে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, ১১ রোজা থেকেই আমাদের দর্জিদের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। কেননা অর্ডারকৃত পোশাকগুলো ঈদের আগেই কাষ্টমারদের ডেলিভারী দিতে হয়।
কাপড় অর্ডার নেওয়া  ও ডেলিভারী দেওয়ার সময়সীমা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, ১১ রোজা থেকে কাস্টমারদের কাপড় অর্ডার নেওয়া শুরু করেছি । সেই প্রক্রিয়ায়  ১৯ রোজা পর্যন্ত অর্ডার নিয়েছি। ইমার্জেন্সি কাজ বা পরিচিতদের অর্ডার নিয়ে ইমার্জেন্সি ভাবে ডেলিভারী দেওয়া হলেও ঈদের অর্ডারকৃত কাপড়গুলোর শেষ ডেলিভারী দেওয়া হবে ৩ তারিখ। সেই কারনে ১৯ রোজার পর তেমন কোন অর্ডার নেওয়া হচ্ছেনা।
কাষ্টমারদের বয়সসীমা ও অর্ডারকৃত পোশাকের ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমাদের এখানে ১০ বছরের শিশু থেকে শুরু করে ৫৫ বছরের বয়স্কদের জন্য কাপড়ের অর্ডার পেয়েছি। যার মধ্যে ছেলেদের শার্ট,প্যান্ট, পাঞ্জাবী ও মেয়েদের আনরেডি থ্রি পিস এর অর্ডার বেশি।

তবে শুকরিয়া মার্কেটের ড্রেস কিং লেডিস এন্ড জেন্ট টেইলার্স এ কর্মরত আব্দুর রব এর মন্তব্যের পুরো ভিন্ন মতামত পোষন করলেন লন্ডন ম্যানশনের লিজেন্ট টেইলার্স এর মালিক মো: রহমত আলী। মো: রহমত আলী জানান, সত্যিকার অর্থে ঈদে আমাদের তেমন একটা ভীড় থাকেনা । ঈদের আগে কিংবা পরেই সাধারণত আমাদের ব্যবসা ভাল হয়।
এর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, সিলেট শহরে আমাদের অধিকাংশ কাস্টমার লন্ডন প্রবাসী । তারা যখন সিলেট আসে তখন একজন কাস্টমার এক সাথে ১৫-২০ টা কাপড় বানিয়ে নিয়ে যান। কেননা, তারা পুরো ৬ থেকে ১ বছরের কাপড় একসাথে তৈরি করে নিয়ে যান। যেখানে ঈদে একজন কাস্টমার ১ থেকে ২ এর অধিক কাপড় তৈরি করেন না। এক কথায় কাস্টমার ধরে রাখার জন্যই ঈদে কাষ্টমারদের অর্ডার নেওয়া। তাছাড়া ঈদে কাষ্টমারদের চাপ বলতে আমরা এটাই বুঝি যে, ঈদের আগেই কাস্টমারকে কাপড় ডেলিভারী দিতে হবে।  যে চাপটা ঈদের আগে বা পরে থাকেনা।
লিজেন্ট টেইলার্স এ কর্মরত আঁখি আক্তার জানান, ঈদে কাস্টমারদের অর্ডারকৃত কাপড় ঈদের আগেই ডেলিভারী দিতে হয় দেখে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হয়। এ কারনে সকাল ১০ থেকে ভোর অবধি দোকান খোলা রাখতে হয়। কষ্ট হলেও কাজের চাপে তা ভুলে যেতে হয়।
তবে উৎসবের আমেজে কাজ করতে ভালই লাগে বলে জানান আঁখি আক্তার।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: