সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ঈদের পর খুলে দেয়া হচ্ছে এমসি কলেজ ছাত্রাবাস

mc-hostel-400x221ডেইলি সিলেট নিউজ :: আগুনে পুড়ানো ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজ ছাত্রাবাস সংস্কারের পর ঈদের পর খুলে দেয়া হচ্ছে। কয়েক দিনের মধ্যেই এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। তবে, যেসব সন্ত্রাসী এ ঐতিহ্যবাহী ছাত্রাবাসটি পুড়িয়ে দিয়েছিল তারা এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে। তাদের বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেয়ায় সিলেটের জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

২০১২ সালের ৮ জুলাই প্রতিপক্ষের সাথে বিরোধের জের ধরে ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় ছাত্রলীগ নামধারী সন্ত্রাসীরা। এতে ছাত্রাবাসের তিনটি ব্লকের ৪২টি কক্ষ পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় আরোও ৭০টি কক্ষ। সন্ত্রাসীদের দেয়া আগুনে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর বই, কাপড়চোপড়সহ সর্বস্ব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় ছাত্রাবাসটি। এরপর শিক্ষামন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় ২০১৪ সালে ছাত্রাবাসটি পুনঃনির্মাণ করার হয়। তবে, উদ্বোধন করার পরও ছাত্রবাসটি দীর্ঘ প্রায় ২০ মাস ছিল শিক্ষার্থী শুন্য।

সূত্র জানায়, ২০১২ সালের ৫ ডিসেম্বর ছাত্রাবাস সংস্কার ও পুনঃনির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত ও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। ছাত্রাবাস পুনঃনির্মাণ ও সংস্কার কাজে ব্যয় হয় প্রায় ৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। সংস্কার ও পুনঃনির্মাণ কাজ শেষ হলে ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর উদ্বোধন করা হয় এ ছাত্রাবাস। পুনঃনির্মিত ছাত্রাবাসের উদ্বোধন হওয়ার প্রায় ২০ মাস পেরিয়ে গেলেও ওঠানো হয়নি কোনো শিক্ষার্থী। ছাত্রাবাসের কাছে জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষের ৯ লাখ টাকা বকেয়া থাকায় তারা ছাত্রাবাসে নতুন করে গ্যাস সংযোগ প্রদান করেনি। সে জন্য শিক্ষার্থীদের জন্য ছাত্রাবাস খুলে দেয়া সম্ভবপর হয়নি। তবে, সম্প্রতি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, সিলেট জালালাবাদের বকেয়া বিল পরিশোধ করায় ছাত্রাবাসটি খুলে দেয়ার পথ সুগম হয়।

এদিকে, ছাত্রাবাস খুলে দেয়ার জন্য এতো দীর্ঘ সময় অতিক্রম হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে নানা প্রশ্ন ওঠেছে। তাদের ভাষ্য, সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ছাত্রাবাস পুনঃনির্মাণ ও সংস্কার করা গেলেও জালালাবাদ গ্যাসের মাত্র ৯ লাখ টাকা বকেয়া বিল কেন এতো দেরিতে পরিশোধ করা হলো? কলেজ কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণেই এই বকেয়া পরিশোধে বিলম্ব হয়েছে বলেও মন্তব্য তাদের। ছাত্রাবাস পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের এখনো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায়ও তারা প্রচন্ড ক্ষুব্ধ।

এমসি কলেজের অধ্যক্ষ নিতাই চন্দ্র চন্দ জানান, এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে শিক্ষার্থী ওঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ঈদের পরই এটা খুলে দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, এবার ছাত্রাবাসের ৬টি ব্লকে ২৪৪ জন ছাত্রের আবাসন ব্যবস্থা হবে ‘মেধার ভিত্তিতে’। কোনো ধরণের তদবির, প্রভাব এখানে কাজে আসবে না।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: