সর্বশেষ আপডেট : ৫ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৩ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

তাহিরপুর সীমান্তে বিজিবির উপস্থিতে চলছে জমজমাট চোরাচালান ও চাঁদাবাজি বাণিজ্য

thahirpur news daily sylhetতাহিরপুর প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্তে বিজিবির উপস্থিতিতেই চলছে জমজমাট চোরাচালান ও চাঁদাবাজি বাণিজ্য। চোরাচালান ও চাঁদাবাজির অভিযোগে এমডি মোরাদ নামের এক চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তারের পর ভ্রাম্যমান আদালত ১ মাসের কারাদন্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। কিন্তু চাঁদা টাকা নিয়ে চোরাচালানীদের হাতে টেকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্পের এক বিজিবি সদস্য লাঞ্চিত হলেও চোরাচালান বন্ধ হয়নি।

আজ শনিবার সকাল ৯টায় সীমান্তের চাঁনপুর নয়াছড়া ও টেকেরঘাট সীমান্তের বড়ছড়া, বালিয়াঘাট সীমান্তের লাকমা ছড়ায় সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বিজিবির উপস্থিতেই চোরাচালানীরা ট্রলি দিয়ে ভারত থেকে ওপেন চুনাপাথর ও বল্ডার পাথর পাঁচার করছে। কিন্তু দেখার কেউ নেই।
স্থানীয়রা জানায়, বর্তমানে উপজেলার চাঁনপুর সীমান্তের নয়াছড়া এলাকা দিয়ে চোরাচালানী সম্রাট মিয়া, লাল মিয়া, আবুল কালাম, মোক্তার মিয়া, আব্দুল আলী, হাদিস মিয়া, টেকেরঘাট সীমান্তের বুরুঙ্গাছড়া, বড়ছড়া, টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প এলাকা দিয়ে চোরাচালানী রফিকুল ইসলাম, সোনালী মিয়া, জম্মত আলী, সালাম মিয়া, নজর আলী, কদর আলী, কাচাঁ মিয়া ও বালিয়াঘাট সীমান্তের লাকমা এলাকা চোরাচালানী রতন মহলদার, মানিক মহলদার, মোক্তার মহলদার, তিতু মিয়া, আয়নাল হক গং কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দিন-রাত ওপেন ভারত থেকে চুনাপাথর ও বল্ডার পাথর ওপেন পাঁচার করছে।

এ ব্যাপার বড়ছড়া শুল্ক স্টেশনের ব্যবসায়ী হাসন আলী, সবুজ মিয়া, রহমত আলী সহ আরো অনেকেই বলেন, ভারত থেকে প্রতি ট্রলি চুনাপাথর ও বল্ডার পাথর পাঁচারের জন্য ১৬০ টাকা ও মাদকদ্রব্য থেকে সাপ্তাহিক ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা করে বালিয়াঘাট বিজিবি ক্যাম্পের নামে চাঁদা নিচ্ছে দুধের আউটা গ্রামের চাঁদাবাজি মামলার আসামী জিয়াউর রহমান জিয়া, টেকেরঘাট ক্যাম্পের নামে চাঁদা নিচ্ছে চোরাচালান মামলার আসামী সোনালী মিয়া ও রজনী লাইন গ্রামের চোরাচালানী মরা সিদ্দিক। চাঁনপুর ক্যাম্পের নামে চাঁদা নিচ্ছে চাঁনপুর গ্রামের মাদক চোরাচালান মামলার আসামীর জেলখাটা আসামী আবু বক্কর ও আলমগীর।

এ ব্যাপারে চাঁনপুর বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার মাহমুদুন নবী সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, আমাদের উপরস্থ কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে আমরা পাথর নেওয়া সুযোগ দিয়েছি। এই ক্যাম্পের সোর্স আবু বক্কর বলেন, আমারদের চাঁদাবাজি ও চোরাচালানের কথা পত্রিকায় লিখলে কিছুই হবেনা।

সুনামগঞ্জ ২৮ ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ক নাসির উদ্দিন আমমেদ সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, আমার সৈনিকদের নিরাপত্তা দিতে গিয়ে যদি চোরাচালান হয় তাহলে আমার কিছুই করার নেই।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: