সর্বশেষ আপডেট : ২ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কানাইঘাটে বাজার থেকে ফেরার পথে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা

Kupiye-Khun2-1-1কানাইঘাট সংবাদদাতা :: কানাইঘাট লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপির কেউটি হাওর গ্রামে পূর্বশত্রুতার জের ধরে জালাল আহমদ (৫০) নামের এক ব্যক্তি নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। নৌকাযোগে বাড়ি ফেরার পথে তাকে এলোপাতাড়ী কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত জালাল উপজেলার কেউটি হাওর গ্রামের মৃত মাহমুদ আলীর পুত্র।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি রাস্তার কাজ নিয়ে কেউটি হাওর গ্রামের দুইপক্ষের বিরোধকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। জালাল আহমদের সাথে একই গ্রামের আব্দুল হকের পুত্র কালা মিয়া ও দুদু মিয়া গংদের মধ্যে বিরোধ ছিল। এর জের ধরে সম্প্রতি কালা মিয়া গংরা জালাল আহমদের পরিবারকে গ্রাম্য সালিশে একঘরী করে রাখেন।

গত ১৭ জুন জালাল আহমদের ছেলে শাহীন ও ভাতিজা কামরুল গ্রামের মসজিদে জুম্মার নামায পড়তে গেলে কালা মিয়া গংরা তাদের মারপিট করে মসজিদ থেকে বের করে দেয়। বিষয়টি স্থানীয় সালিশে নিষ্পত্তির জন্য এলাকার মুরব্বীয়ানরা উদ্যোগ গ্রহণ করলে কালা মিয়া গংরা তা প্রত্যাখান করে জালাল আহমদের উপর প্রতিশোধ নেয়ার হুমকি দেয়।

বৃহস্পতিবার রাত অনুমান সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয় মমতাজগঞ্জ বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন জালাল আহমদ ও তার পুত্র শাহীন (২২), ভাতিজা আবুল হাসনাত, কামরুল। নৌকা যোগে বাড়ী ফেরার পথে স্থানীয় দেউছই হাওরে আসামাত্রই কালা মিয়া গংরা দু’টি ইঞ্জিন নৌকাযোগে জালাল আহমদকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

তাদের হামলায় নৌকাটি হাওরে ডুবে গেলে জালাল আহমদের ছেলে শাহীন, ভাতিজা আবুল হাসনাত ও কামরুল সাঁতার কেটে হাওর পার হয়ে প্রাণ রক্ষা করলেও কালা মিয়া গংরা জালার আহমদকে ধরে নিয়ে যায়। তাদের নৌকায় তুলে নিয়ে এলোপাতাড়ী ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মৃত ভেবে ফেলে যায়।

পরে জালাল আহমদের আত্মীয় স্বজনরা তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক জালাল আহমদের জখম গুরুতর হওয়ায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে জালাল আহমদের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনার খবর পেয়ে কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের পর শুক্রবার বাদ মাগরিব গ্রামের মসজিদে জানাজার নামায শেষে দাফন করা হয়।

এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হুমায়ুন কবির বলেন, পূর্ব বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে থানায় শুক্রবার পর্যন্ত নিহতের পরিবারের কেউ মামলা দায়ের করেনি। মামলাটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত খুনীদের অবশ্যই গ্রেফতার করা হবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: