সর্বশেষ আপডেট : ১২ মিনিট ৬ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ২৬ মে, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কে হচ্ছেন পরবর্তী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী?

145795_1নিউজ ডেস্ক: গণভোটে বৃটেনের ইইউ-ত্যাগের ফয়সালা হয়ে যাওয়ার পর শেষ পর্যন্ত পদত্যাগেরই ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। এবার প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে কে হচ্ছেন তাহলে পরবর্তী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী?

ডেভিড ক্যামেরন ইইউতে বৃটেনের রয়ে যাওয়ার পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিলেন। প্রচারণা চালানোর সময়ই তিনি বলে আসছিলেন, ফলাফল যা-ই হোক না কেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীত্ব ছাড়বেন না। এমনকি গণভোটের পূর্বে তার প্রতি ক্ষমতাসীন টরি দলের ৮০ এমপির চিঠিতেও ছিল একই উদাত্ত আহবান।

বৃটেনের শীর্ষ পত্রিকা দ্য টেলিগ্রাফ লিখেছে, প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য প্রধান প্রার্থীদের তালিকা করতে খুব বেগ পেতে হয়নি। প্রত্যাশিতভাবেই ফেভারিট তালিকার শীর্ষে আছেন বরিস জনসন, লন্ডনের সাবেক মেয়র। এই প্রভাবশালী ‘ইউরো-সন্দেহবাদী’ এবার ইইউ ছেড়ে বৃটেনের চলে যাওয়ার পক্ষে (ব্রেক্সিট) ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছেন।

বলতে গেলে ব্রেক্সিট প্রচারণার মূলব্যাক্তিই হয়ে উঠেন বরিস জনসন। পুরো লড়াইটা হয়ে দাঁড়ায় তার ও প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরনের লড়াইয়ে! ব্রেক্সিটের আগে থেকেই অবশ্য তাকে রক্ষণশীল টরি দলের পরবর্তী নেতা হিসেবে ভাবা হচ্ছিল। এমনকি হবু প্রধানমন্ত্রী বলতেও কুণ্ঠা বোধ করেননি অনেকে। ব্রেক্সিট প্রচারণায় তার অবদান ও প্রভাবের দরুণ তার সম্ভাবনা নিঃসন্দেহে আরো উজ্জ্বল।

কনজারভেটিভ দলের পরবর্তী নেতা তথা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা প্রকৃতপক্ষে তারই বেশি। কিন্তু প্রচারণার সময়, তিনি কিছু অসমীচীন কাজ করেছেন, যা তার সম্ভাবনার ক্ষতি করতে পারে। এরপরও জনমত জরিপ থেকে শুরু করে, জুয়াড়িদের বাজিতেও অন্যদের তুলনায় বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে আছেন তিনি।

আরেক প্রভাবশালী রক্ষণশীল ঘরানার পত্রিকা ডেইলি মেইলের শিরোনামই ছিল তার পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীত্ব নিয়ে। অর্থাৎ, ব্রেক্সিট অবশেষে কপাল খুলে দিল তার। শেষ পর্যন্ত ব্রেক্সিট হয়ে গেল প্রধানমন্ত্রী পদের এক ধরণের জনরায়। হেরে গিয়ে ছিটকে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন। আর জিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন জনসন। দুইজনই যে ছিলেন একই দলের হয়েও ব্রেক্সিট প্রশ্নে দুই প্রতিপক্ষ শিবিরের মূল ব্যাক্তি।

তাই বলে হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন না প্রতিদ্বন্দ্বীরা। আছেন অর্থমন্ত্রী জর্জ অসবোর্ন। যদিও দলীয় প্রভাবের দিক থেকে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পিছিয়ে পড়েছেন তিনি। ইইউতে রয়ে যাওয়ার পক্ষে তার মতো প্রচারণা চালিয়েছেন যে প্রভাবশালী নেতারা, তারাও কনজারভেটিভহোম জনমত জরিপে ভালো করেননি। এ তালিকায় আছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেরেসা মে ও সাজিদ জাভিদও। থেরেসা মে’কে গণভোটের আগেও অন্যতম সম্ভাবনাময় প্রার্থী ভাবা হতো।

টেলিগ্রাফের আরেকটি নিবন্ধে বলা হয়েছে, শেষ পর্যন্ত বরিস জনসনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন থেরেসা মে, জর্জ অসবোর্ন নন, যদিও দু’ জনই ‘রিমেইন’-এর পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।

ইন্ডিপেন্ডেন্ট বলছে, প্রধানমন্ত্রী পদ দূরে থাক, অর্থমন্ত্রীর পদেই জর্জ অসবোর্নের অবস্থান নড়বড়ে হয়ে উঠছে। তার বদলে তৃতীয় অবস্থানে থাকবেন ব্রেক্সিটের শীর্ষ ক্যাম্পেইনার বিচারমন্ত্রী মাইকেল গোভ। তিনি অবশ্য আগে বলেছিলেন যে, প্রধানমন্ত্রীত্ব তাকে টানে না। তবে রাজনীতিবিদদের মর্জি পরিবর্তন হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। মাইকেল গোভকে রক্ষণশীল শিবিরে বেশ ভালোভাবেই দেখা হয়। তবে দলের অনেকেরই ধারণা, পুরো দেশের ভোট জেতার মতো যথেষ্ট ‘নরম্যাল’ তিনি নন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: