সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ৫ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

এক টানা ৯ বছর একই কর্মস্থলে, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সিএ‘র খুটির জোর কোথায়?

01. daily sylhet Kamalgonj news2কমলগঞ্জ প্রতিনিধি::
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সিএ কাম ইউডিও মৃনাল কান্তি দাস সরকারী চাকুরী বিধি লংঙ্গন করে ৯ বছর ধরে একই কর্মস্তলে অবস্থান করছেন। তিনি একটানা চাকুরী করার সুবাদে নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে সখ্যতা করে নানা অনিয়ম করার অভিযোগ রয়েছে।

৯ জুন মৌলভীবাজারের বিভিন্ন উপজেলার ৩ বছরের বেশি কর্মস্থলে অবস্তানরত ৪৬জন কর্মচারীকে জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান এর নিদের্শে বদলী করা হয়। বদলীকৃতদের মধ্যে সিএ মৃনাল কান্তি দাসও রয়েছেন। তাকে জুড়ি উপজেলায় বদলীর করা হয়। কিন্তু বদলীর আদেশের ১৩ দিন অতিবাহিত হলেও মৃনাল কান্তি দাস এখনও কমলগঞ্জে বহাল তবিয়তে আছে। সে বদলী ঠেকাতে উচ্চ পর্যায়ে লবিংয়ে ব্যস্ত রয়েছে বলে জানা গেছে। উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কমচারীসহ সচেতন মহলের প্রশ্ন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সিএ মৃনাল কান্তি দাসের খুটির জোর কোথায়?

জানা যায়, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় বসবাসরত মৃনাল কান্তি দাস বিগত ২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতার শেষ সময়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলা হতে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসে যোগদান করেন। এখানে কিছু দিন চাকুরী করার পর আবার বদলী হয়ে শ্রীমঙ্গলে চলে যান। তার পর আবার ২০০৭ সালে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ে যোগদান করেন। সেই যোগদানের পর একটানা প্রায় ৯ বছর ধরে কমলগঞ্জে চাকুরী করছেন। একটানা চাকুরী করার সুবাদে উপজেলার পরিষদের সকল কর্মকান্ড তার নখদর্পনে চলে আসে।

বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চেয়ারম্যানগন তার আচার ব্যবহারে ও দাপটে অসহায় ছিলেন। কমলগঞ্জে যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসাদেরকে এক পার্সেন্ট দুই পাসেন্ট কি ভাবে হজম করা যায় সিএ সেইকলা কৌশল বলে বাতলিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারগনকে ম্যানেজ করে অফিসসুপারকে কোন দায়িত্ব দেন না। এর পলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস সুপার গন তার কাছে ছিলেন অসহায়। বিশেষ করে সাইফুল ইসলাম নামে একজন অফিস সুপার তার উপর রাগ করে বদলী হয়ে যান কমলগঞ্জ হতে। তিনি এখন জেলায় একটি ভাল পদে আছেন। এভাবে অনেক অফিসসুপার তার কারনে বেশি দিন থাকতে পারেননি। বিভিন্ন অনুষ্টানে মৃনাল কান্তি দাসের দাপটে অনেক শিক্ষকও কর্মচারীগন অসহায় মতো দেখা যায়। বিশেষ করে বিগত নির্বাহী অফিসার জাহিদুল ইসলাম মিয়ার থাকাকালি সময়ে উপজেলা পরিষদের ৩টি গর্জন গাছ রাতের আধারে মৃনাল কান্তি কেটে পাচার করার সময় হাতে নাতে ধরে ফেলেন এলজিইডির এক কর্মচারী।

এ নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমানের সাথে দ্বন্দ দেখা দেয় মৃনালের। বিষযটি জেলা প্রশাসক পর্যন্ত গড়ায়। শুধু তাই নয় তার বিরোদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাযালয়ে সেবা নিতে আসা জনসাধারণকে নানা ভোগান্তিতে পড়তে হয়। নানা ফ›দিতে সে উৎকোচ নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন জাতীয় দিবসে বিভিন্ন প্রতিষ্টান হতে অনুদান নেয়া হয়। সেখানেও তার একটি ভাগ দিতে হয় বলে এক নাম প্রকাশে অন্চিছুক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন। নানা কর্মকান্ড বির্তকৃত মৃনাল কান্তি দাস ৯ বছরের মধ্যে ২ বার বদলী হলেও রহস্যজনক কারনে তার বদলীর আদেশ বাতিল হয়। আবারও তার বদলীর আদেশ জারি হয়েছে গত ৯জনু। কিন্তু জেলা প্রশাসেকর আদেশ না মেনে এখনও কমলগঞ্জে বহাল তবিয়তে রয়েছেন।

তিনি উচ্চ পর্যায়ে তদবির করছেন জেলা প্রশাসেকর আদেশ স্থগিত বা বাতিল করতে। এ দিকে জেলার অন্যান্য উপজেলার বদলীকৃতরা বদলীর আদেশ মেনে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেছেন। এক মাত্র কমলগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সিএ মৃনাল কান্তি দাস প্রায় ১৩ দিন হলেও জুড়িতে যোগদান করেননি। তার যোগদান বিলম্বে সবার মনে প্রশ্ন তাহলে এবারও কি মৃনাল কান্তি কমলগঞ্জে থেকে যাবেন ? তার খুটিঁর জোর কোথায়?

ব্যাপারে সিএ কাম ইউডিও মৃনাল কান্তি দাসের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তার মোবাইলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: