সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ১৪ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে চলছে সীমাহীন দুর্নীতি!

indexগোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি: সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে চলছে সীমাহীন দুর্নীতি। একের পর এক অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে ভুক্তভোগীরা মুখ খোলে এখন প্রতিবাদও জানাচ্ছেন। এমনকি গত রবি ও সোমবার দু’দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নেওয়া প্রশিক্ষণার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন ২০১৬ সালে জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা কর্মকর্তা মনোনিত হওয়া গোলাপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল মুন্তাকিম ও অফিসের হেডক্লার্ক আজাদের অনিয়মের বিরুদ্ধে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল মুন্তাকিম ও ওই অফিসের হেডক্লার্ক আজাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তাদের নিরবে চালিয়ে যাওয়া অনিয়ম- দুর্নীতি এখন অনেকটা প্রকাশ্য রূপ পাচ্ছে। সর্বশেষ রবি ও সোমবার উপজেলার দুই শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্লিপ কমিটির প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপজেলার প্রতিটি বিদ্যালয়ের তিনজন শিক্ষক, এসএমসি’র সভাপতি ও পিটিএ’র সভাপতিসহ মোট পাঁচজন অংশ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ কর্মশালা দুইদিনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও মাত্র দুই ঘন্টায় কার্যক্রম শেষ করা হয়। প্রশিক্ষণে অংশ নেয়া প্রশিক্ষণার্থীদের অভিযোগ প্রশিক্ষণ ভাতা ১ হাজার ২৬০ প্রদান করার কথা উল্লেখ করে ভাতা বিতরণ সিটে স্বাক্ষর নেয়া হয়। কিন্তু প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষক ও অন্যান্য সদস্যদের ১ হাজার টাকার করে প্রদান করা হয়। এতে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নেওয়া শিক্ষক ও অভিভাবকরা উপজেলা অডিটরিয়ামেই প্রতিবাদী হয়ে উঠেন। বিক্ষোভ প্রদর্শনের মাধ্যমে তারা এ তীব্র প্রতিবাদ জানান। এব্যাপারে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নেওয়ায় মুকিতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খসরু পারভেজসহ শিক্ষক নেতারা অভিযোগ করে বলেন, প্রশিক্ষণের সম্মানি ভাতা ১ হাজার ২৬০ টাকা পাওয়ার নিমিত্তে স্বাক্ষর করলেও ১ হাজার টাকা করে বিতরণ করা হয়। প্রশিক্ষণ ভাতা ২৬০ টাকা কম দেয়ায় কারণ জানতে চাওয়া হলেও বিষয়টি সুরাহা না করে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল মুন্তাকিম এবং ওই অফিসের হেডক্লার্ক আজাদ ধামাচাপা দিয়ে শিক্ষকদের বিদায় করে দেন। এব্যাপারে ঢাকাদক্ষিণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসির সদস্য ও ঢাকাদক্ষিণ ইউপি সদস্য মো. সেলিম আহমদ সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষা অফিসে এমন দুর্নীতি ভাবতে অবাক লাগে। প্রশিক্ষণের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল মুন্তাকিম ও হেডক্লার্ক আজাদ। এছাড়াও শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আরো অনেক অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষকদের নতুন স্কেলে বেতন বিল এরিয়ার করতে জনপ্রতি ২০০ টাকা, টাইমস্কেল অনুমোদন ও এরিয়ার করতে ৫০০ টাকা না দিলে বিল অনুমোদন হয় না। মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে বেতন উত্তোলন, বদলী বাণিজ্যসহ পদে পদে শিক্ষা অফিসের এমন দুর্নীতি শিক্ষার হচ্ছেন বলে জানান একাধিক শিক্ষক। এব্যাপারে হেডক্লার্ক আজাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ভাতা বিতরণ নিয়ে ভুল বুঝাঝুঝি সৃষ্টি হয়েছিল। পরে শেষ হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল মুন্তাকিমের সাথে এ ব্যাপারে আলাপকালে তিনি অনিয়মের বিষয় অস্বীকার করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: