সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ৪২ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

অষ্ট্রেলিয়ায় চিকিৎসকদের স্থায়ী নাগরিকত্ব ও সাউথ অষ্ট্রেলিয়ায় মাইগ্রেশনের নতুন শর্ত

1m_556391515নিউজ ডেস্ক: সাউথ অষ্ট্রেলিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ আগামী 30 জুন থেকে 4 জুলাই-2016 এই সময়ে অনলাইনে কোন আবেদন গ্রহন করবেন না বলে জানিয়েছেন। কারণ তাদের State Nominated Occupation (SNOL)List এর কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে এবং তা কার্যকর হবে 4 জুলাই 2016 থেকে।

নতুন (SNOL)অনুযায়ী কিছু নির্দিষ্ট পেশা সাব-ক্লাস ৪৮৯ সুবিধা পাবে।কিছু পেশার ক্ষেত্রে ইংরেজীতে দক্ষতা ও চাকুরীর অভিজ্ঞতার শর্ত কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে।

যারা ICT Occupation সহ Offshore ভিসার আবেদনকারী এবং এর মাধ্যমে সাউথ অষ্ট্রেলিয়ার ষ্টেট নমিনেশন চাইবে তাদের ক্ষেত্রেও আগের চাইতে যোগ্যতা আরোও বেশী পরিমানে দেখাতে হবে।এই ক্ষেত্রে এখন ৭০ পয়েন্ট লাগবে। ষ্টেট নমিনেশন এর অন্যান্য শর্তও আগের মতোই বহাল আছে।

কোন আবেদনকারীর যদি সাউথ অষ্ট্রেলিয়া থেকে গ্রাজুয়েশন করা থাকে বা সাউথ অষ্ট্রেলিয়ায় কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকে তবে তাদের ক্ষেত্রে নতুন আইন প্রযোজ্য নয়।

১০ জুলাই শুরু অষ্ট্রেলিয়ায় অভিবাসনের নতুন প্রোগ্রাম

এশিয়ার দক্ষিণে ওশেনিয়া ‍অঞ্চলের দ্বীপ-মহাদেশ অস্ট্রেলিয়া এখন অভিবাসন প্রত্যাশীদের স্বর্গ হয়ে উঠেছে। অভিবাসনে আগ্রহীদের জন্যে অস্ট্রেলিয়ার ডিপার্টমেন্ট অব ইমিগ্রেশন অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (ডিআইবিপি) ২০১৬-১৭ বর্ষের জন্যে নতুন স্কিলের কর্মক্ষেত্রের তালিকা প্রস্তুত ও প্রকাশ করেছে। নতুন এ প্রোগ্রাম কার্যকর হবে এ বছরের ১০ জুলাই থেকে।

শরীর জুড়ানো আলো-হাওয়া আর হাজারো দ্বীপের পরতে পরতে ছড়িয়ে থাকা অবারিত প্রকৃতি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ অস্ট্রেলিয়া যেমন অতুলনীয় রূপের অধিকারী করে তুলেছে, তেমনি সামাজিক নিরাপত্তা আর উন্নত জীবনমান এই দুই দেশকে বসিয়ে দিয়েছে অভিবাসন আকর্ষণের কেন্দ্রে।

তাই ৫০ হাজার বছর ধরে চলে আসা অভিবাসনের ইতিহাস নতুন মোড় নিয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রিফ এর দেশ অস্ট্রেলিয়া । অস্ট্রেলিয়ায় এখন বাংলাদেশিদের জন্য স্থায়ী বসবাসের সুযোগ তৈরি হয়েছে। আর অভিবাসনের এই সুযোগ দিতে বেশ কিছু নতুন প্রোগ্রাম চালু করছে অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসনের নতুন প্রোগ্রাম

অভিবাসনে আগ্রহীদের জন্যে নতুন প্রোগ্রাম চালু করতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব ইমিগ্রেশন অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (ডিআইবিপি) এরই মধ্যে ২০১৬-১৭ বর্ষের জন্যে নতুন স্কিলের কর্মক্ষেত্রের তালিকা প্রস্তুত ও প্রকাশ করেছে। নতুন এ প্রোগ্রাম কার্যকর হবে এ বছরেরই ১০ জুলাই থেকে।

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের নাগরিকদের স্থায়ী বসবাসের জন্যে বিভিন্ন ধরনের ভিসা নিয়ে কাজ করছেন আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালট্যান্ট ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজু।

অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন সম্পর্কে তিনি বলেন, নতুন এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্কিলড মাইগ্রেশনের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ায় সপরিবারে নিরাপদ জীবনযাপনের সুযোগ রয়েছে।

এ ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তিতে বিশেষজ্ঞ, একাউন্টিং ও ফিন্যান্স, মার্কেটিং বা সেলস, ব্যাংকার, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কৃষিজীবী, নার্স বা অন্য কোন পেশায় দক্ষ পেশাজীবীদের জন্যে রয়েছে বিশেষ সুযোগ।

স্কিলড মাইগ্রেশন ভিসা, বিজনেস স্কিলড মাইগ্রেশন ভিসা, এমপ্লোয়ার স্পনসরড ওয়ার্ক ভিসা, পার্টনার অ্যান্ড আদার ফ্যামিলি মাইগ্রেশন ভিসা রয়েছে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্যে।

এই তালিকার মধ্যে থাকা ব্যক্তিরা ১৮৯ (স্কিলড ইন্ডিপেন্ডেন্ট ভিসা), ৪৮৯ (স্কিলড রিজিওনাল প্রভিশনাল ভিসা এবং ৪৮৫ (গ্র্যাজুয়েট টেম্পরারি ভিসা)- এই তিনটি ক্যটাগরিতে আবেদন করতে পারবেন।

আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন আইন বিশেষজ্ঞ ড. শেখ সালাহউদ্দিন জানান, এছাড়াও কনসোলিডেটেড স্পন্সরড অকুপেশন লিস্ট (সিএসওএল) প্রকাশ করেছে ডিআইবিপি। যার মাধ্যমে ১৯০ (স্কিলড নমিনেটেড ভিসা), ৪৫৭ (টেম্পরারি ওয়ার্ক স্কিলড ভিসা) এবং ১৮৬ (এমপ্লয়ার নমিনেটেড স্কিম)। এগুলোর মাধ্যামেও অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী হওয়ার আবেদন করা যায়।

এছাড়াও রয়েছে- বিজনেস মাইগ্রেশন, স্কিলড মাইগ্রেশন, স্পাউজ মাইগ্রেশন বা প্যারেন্ট মাইগ্রেশন, অস্ট্রেলিয়া গ্র্যাজুয়েট, স্কিলড ইন্ডিপেন্ডেন্ট ভিসা (সাবক্লস ১৮৯), স্কিলড নমিনেটেড ভিসা (সাবক্লস ১৯০), স্কিলড নমিনেটেড (প্রভিশনাল) ভিসা (সাবক্লস ৪৮৯), স্কিলড রিজিওনাল ভিসা (সাবক্লস ৮৮৭), ফ্যামিলি স্পন্সরশিপ ভিসা: ফ্যামিলি স্পন্সরড (প্রভিশনাল) ভিসা (সাবক্লস ৪৮৯)।

ড. শেখ সালাহউদ্দিন বলেন, প্রায় ৪০০ এর মতো পেশা অর্ন্তভুক্ত রয়েছে এই প্রোগ্রামে। এর মধ্যে সাবক্লস ১৮৯, ১৯০ এবং ৪৮৯ এ আবেদন করে স্থায়ীভাবে বসবাস করা যায়। জবসহ স্পন্সর প্রোগ্রামে আবেদন করা যাচ্ছে সাবক্লস ৪৫৭, ১৮৬ এবং ১৮৭ তে। আর সাবক্লস ৪৫৭ ও ১৮৬ যৌথভাবে আবেদন করে দ্রুতই স্থায়ী নাগরিকত্ব গ্রহণ সম্ভব।

আবেদন করার প্রাথমিক যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে পোস্ট গ্রাজুয়েট সার্টিফিকেট (অনার্স এবং মাস্টার্স) ও পিএইচডি। তবে ইংরেজি দক্ষতা প্রমানে IELTS এ Each band score এ কমপক্ষে 6.5 স্কোর উঠাতে হবে।

অস্ট্রেলিয়ায় চিকিৎসকদের পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি

অনেক সম্ভাবনার দেশ অস্ট্রেলিয়া,বর্তমানে সারাবিশ্বের চিকিৎসকদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে। অস্ট্রেলিয়ায় পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট হতে পারেন ৩টি উপায়েঃ ১। ক্লিনিক্যাল ২। নন-ক্লিনিক্যাল ৩। স্কিল মাইগ্রেশন

১। ক্লিনিক্যালঃ

একজন ফিজিশিয়ান হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায়য় ক্যারিয়ার করতে চাইলে আপনাকে AMC-Australian Medical Council পরীক্ষায় পাশ করতে হবে। AMC এর ২টা পার্টঃ

1.AMC-MCQ

2.AMC-Clinical / OSCE

AMC-MCQ এবং AMC-Clinical উভয় ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে এ পরীক্ষা দিতে হবে, ২-৩ বছর ক্লিনিক্যাল এক্সপেরিয়েন্স গ্যাপ হলে অস্ট্রেলিয়ান বোর্ড রেজিঃ দেয়না। এটা একটা মেজর সমস্যা। তাই যেভাবেই প্ল্যান করুন না কেন ক্লিনিক্যাল গ্যাপ যেন না হয়। AMC-Clinical পাশ করে দেশে এসে IELTS দিবেন।

২। নন-ক্লিনিক্যালঃ

নন-ক্লিনিক্যাল সব সাবজেক্ট অস্ট্রেলিয়ায় Available না। MPH এ এডিমিশন নিয়ে স্টুডেন্ট ভিসায় যেতে পারেন যদিও তা অত্যন্তই ব্যায়বহুল। বছরে ২টি সেমিস্টার। চাইলে পার্ট টাইম জব করা যায় এবং তা ২০ ঘন্টা/ সপ্তাহে।

মেজর যে সাবজেক্ট গুলোতে এডমিশন নিতে পারেনঃ

1.MPH 2.MD (Doctor of Medicine) 3. B.sc Nursing

তবে এমডি তে পড়তে গেলে MCAT পরীক্ষায় পাশ করে যেতে হবে, সাথে IELTS 7.5 , এটা অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট গ্র্যাজুয়েট এন্ট্রি।

জবঃ নন-ক্লিনিক্যাল থেকে পড়াশুনা করে যেসব জব পেতে পারেনঃ Public Health, Health service management, Family Medicine, Reproductive medicine, Sonography

৩। স্কিল মাইগ্রেশনঃ

চিকিৎসক দের জন্য এটা খুব কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং। সরাসরি আপনি স্কিল মাইগ্রেশনের জন্য এপ্লাই করতে পারবেন না। পাবলিক হেলথ ফিল্ডে কাজ করে থাকলে আপনি পাবলিক হেলথ ওয়ার্কার হিসেবে মাইগ্রেশন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনার এক্সপেরিয়েন্স দেখাতে হবে ৩ থেকে ৪ বছর, সময় লাগবে প্রায় ২ বছর। এবং অবশ্যই IELTS এ 7 লাগবে।

আবেদনকারীকে মনে রাখতে হবে:

AMC পরীক্ষার পাশের পর ইন্টার্নশিপ পজিশন পেতে হয়, তা না হলে ফুল রেজিঃ পাওয়া যায়না, কিন্তু অস্ট্রেলিয়ানরা কয়েক বছর ধরে IMG দের ইন্টার্নশিপ পজিশন দিচ্ছে না। তাই IMG যদি জব ম্যানেজ করতে পারে তবেই ফুল রেজিঃ পাবে। আপনারা যারা নেট ঘাঁটবেন তারা দেখে থাকবেন ফুল রেজিঃ পাওয়ার রিকোয়ারমেন্ট দিয়ে রেখেছে অনেক ওয়েবসাইটে। এটা পুরাতন সিস্টেম, নিজেকে আপডেট রাখুন। অস্ট্রেলিয়ানরা নিজেদের গ্র্যাজুয়েট বের করছে তাই জব অনেকটা প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠছে কিন্তু অসম্ভব নয়। জব পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু টেকনিক Apply করতে পারেনঃ

১। দেশে কোন জব চলাকালীন সময়ে অনলাইনে জবের জন্য এপ্লাই করুন, এটা সবচেয়ে কার্যকরী উপায়। অস্ট্রেলিয়ায় ইমার্জেন্সি, আইসিইউ তে চাহিদা বেশি। আপনার ক্লিনিক্যাল এক্সপেরিয়েন্স যত বেশি জব পাবার সম্ভাবনা তত বেশি।

২। জিপি প্র্যাকটিস নিয়ে ভাবুন, সেদেশে জিপি দের ইনকাম বেশি, জব পাওয়া যায় অনেকটা সহজে। আপনার বাংলাদেশে যে এক্সপেরিয়েন্স আছে সেটা জিপি হিসেবে দেখান, সত্যি বলছি জব পাওয়া সহজ হবে। অস্ট্রেলিয়ায় ফুল রেজিঃ পেতে AMC ২টা পার্ট পাশ করতে হয়। কিন্তু MO / GP হিসেবে জব করতে পার্ট -১ পাশই হচ্ছে রিকোয়ারমেন্ট। যদিও এখন পার্ট-১ পাশ করে জব পাওয়া কঠিন।

৩। আপনি ফুল রেজিঃ পেলে ১ বছর জব করেই GMC রেজিঃর জন্য এপ্লাই করতে পারবেন যার জন্য কিংবা আপনি জিপি তে ক্যারিয়ার করতে চাইলে FRACGP (Fellowship of Royal Australian College of General Practise) এ ট্রেইনিং পোস্টের জন্য এপ্লাই করতে পারবেন। GMC রেজিঃ হয়ে গেলে আপনি PR এর জন্য এপ্লাই করতে পারবেন। মনে রাখবেন AMC PR রিলেটেড না। কিন্তু GMC & Fellowship PR রিলেটেড।

৪। প্রত্যেকটি হসপিটালের ম্যানেজমেন্ট সেকশনে ই-মেইলে যোগাযোগ রাখুন, অনলাইন এজেন্সি তে সিভি ড্রপ করে রাখুন, প্রত্যেকটা স্টেট এর গভর্নমেন্ট রিক্রুইটমেন্ট ওয়েবসাইটে নিয়মিত চোখ রাখুন।

৫। মনে রাখবেন অস্ট্রেলিয়ার ৮ টি স্টেটের ৪ টি তে এপ্লাই করতে পারবেন যদি আপনার PR/Citizenship না থাকে। আর থাকলে ৮ টি তেই এপ্লাই করতে পারবেন। তাই PR না থাকলে ঐ ৪ স্টেটের কথা ভুলে যান।

অস্ট্রেলিয়ায় বিভিন্ন ধরনের মাইগ্রেশনের বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন, আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালট্যান্ট ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজু এর সাথে । ই-মেইলে advahmed@outlook.com , raju.advocate2014@gmail.com এবং mausumimau2015@gmail.com পুর্নাঙ্গ জীবন বৃত্তান্ত পঠিয়ে দিন অথবা Whats App/Viber +৬০১৬৮১২৩১৫৪ এবং +৬০১৪৩৩০০৬৩৯ যোগা যোগ করতে পারেন।ভিজিট করুন www.wwbmc.com. ওয়েবসাইটে। ঢাকার উত্তরায় ৭ নং সেক্টরের ৫১ সোনারগাঁ জনপথে অবস্থিত খান টাওয়ারে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড মাইগ্রেশন লিমিটেডের অফিসেও খোঁজ নিতে পারেন। ফোনে কথা বলতে পারেন ০১৯৬৬০৪১৫৫৫ নাম্বারে, ০১৯৬৬০৪১৮৮৮ নাম্বারে এবং ০১৯৭৭০১৪৭৭৮ নাম্বারে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: