সর্বশেষ আপডেট : ৪ মিনিট ১৩ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

হবিগঞ্জে চার শিশু হত্যা: অভিযোগপত্র আমলে নেননি আদালত

1466413527হবিগঞ্জ সংবাদদাতা: হবিগঞ্জের বাহুবলে আলোচিত চার শিশু হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আমলে নেয়া হয়নি। কারাগারে আটক এক আসামি নিজেকে অপ্রাপ্ত বয়স্ক দাবি করে। ফলে অভিযোগপত্র আমলে নেননি বিচারক। একই সঙ্গে ৭ দিনের মধ্যে পুলিশ সুপারের মাধ্যমে তার ডাক্তারি পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া কারাগারে থাকা ৫ জন আসামির জামিন আবেদনও নামঞ্জুর করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের জেলা জজ কিরণ শংকর হালদার এ আদেশ দেন। ২৮ জুন মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম মোল্লা মাসুম জানান, মামলার অন্যতম আসামি রুবেল মিয়া নিজেকে অপ্রাপ্ত বয়স্ক দাবি করায় চার্জশিট গ্রহণ করেননি আদালত। তার ডাক্তারি পরীক্ষা করে আগামী ৭ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেয়ার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সোমবার নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির করা হয় কারাগারে থাকা আসামি আব্দুল আলী ওরফে বাগাল, তার ছেলে রুবেল মিয়া ও জুয়েল মিয়া, হাবিবুর রহমান আরজু এবং সাহেদ আলী ওরফে সায়েদকে। এ সময় তাদের পক্ষে আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এছাড়া পরবর্তী তারিখ পর্যন্ত উক্ত মামলায় জামিনে থাকা সালেহ আহমদ ও তার ভাই বশির আহমদের জামিন বর্ধিত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), তার চাচাতো ভাই মনির মিয়া (৭), তাজেল মিয়া (১০) ও ইসমাইল হোসেন (১০) গত ১২ ফেব্রুয়ারি গ্রামের পার্শ্ববর্তী মাঠে খেলা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি বাড়ির অদূরে একটি বালুর ছড়া থেকে মাটি চাপা দেয়া অবস্থায় তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। হৃদয়বিদারক এ ঘটনাটি দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। উক্ত ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার তদন্তভার পান ডিবি পুলিশের তৎকালিন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুকতাদির হোসেন। তিনি ৪৮ দিন তদন্ত শেষে ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট জমা দেন।

এতে অভিযুক্ত করা হয়- পঞ্চায়েত সর্দার আব্দুল আলী বাগাল, তার ছেলে জুয়েল মিয়া ও রুবেল মিয়া, ভাতিজা সাহেদ আলী ওরফে সায়েদ, অন্যতম সহযোগী হাবিবুর রহমান আরজু, উস্তার মিয়া, বেলাল মিয়া ও বাবুল মিয়াকে।

এছাড়া সিএনজি অটোরিকশা চালক বাচ্চু মিয়া র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় এবং ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় গ্রেফতারকৃত সালেহ আহমেদ ও বশির আহমেদকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়ার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অভিযুক্তদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত পলাতক রয়েছেন উস্তার মিয়া, বেলাল মিয়া ও বাবুল মিয়া।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: