সর্বশেষ আপডেট : ৯ মিনিট ৪৯ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বড়লেখার নারী শিক্ষা কলেজে শ্রেণীকক্ষের নির্মাণ কাজে অনিয়ম

imagesবড়লেখা প্রতিনিধি::মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌর শহরে অবস্থিত একমাত্র নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নারী শিক্ষা একাডেমী ডিগ্রি কলেজের নবনির্মিতব্য হলরুম ও শ্রেণীকক্ষের নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্মাণ কাজে নিম্ন মানের ইট, কংক্রিট ও বালু ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। নিম্ন মানের মালামাল ব্যবহার করায় মঙ্গলবার (১৪ জুন) কলেজের অধ্যক্ষসহ শিক্ষকবৃন্দ নির্মাণ কাজে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে বাঁধা দেন। কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা জেলা পরিষদের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান কাজের দায়িত্ব পাওয়া ঠিকদারের কাছ থেকে অবৈধ সুবিধা নিয়ে নিম্ন মানের কাজ করাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সূত্র জানায়, গত ৬ মার্চ প্রধান অতিথি হিসেবে নারী শিা একাডেমী ডিগ্রি কলেজের হলরুম ও শ্রেণীকক্ষের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ¦ শাহাব উদ্দিন এমপি। জেলা পরিষদের মাধ্যমে ৩০ লাখ টাকা অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের কাজ পায় শ্রীমঙ্গলের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তারিম এন্টারপ্রাইজ। ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী, ভবনের ফাউন্ডেশন ও বেইজ ঢালাইয়ে এক নম্বর ইট, কংক্রিট ও বালু ব্যবহারের কথা রয়েছে।কিন্তু কাজের শুরুতেই নির্মাণ কাজে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহারের অভিযোগ উঠে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার নিম্নমানের ইট, কংক্রিট ও বালুর পরিবর্তে ভিটবালু ব্যবহার করায় কলেজের অধ্যসহ শিক্ষকবৃন্দ কাজে বাঁধা দেন। পরে নিম্নমানের মালামাল অপসারণের শর্ত মানায় বাঁধা প্রত্যাহার করা হয়।

নারী শিক্ষা একাডেমী ডিগ্রি কলেজের অধ্য হারুন-উর-রশীদ জানান,নিম্নমানের মালামাল ব্যবহার করায় আমরা কাজ বন্ধ করে দিই। পরে সেগুলা না লাগানোর শর্তে কাজ চালু করা হয়। একটি বিল্ডিংয়ের ফাউন্ডেশনই হচ্ছে আসল। আর সেটি নিয়মানুযায়ী না হলে বেশিদিন টিকবে না।
কাজর তদারকিতে ঠিকাদারের নিয়োজিত সুপারভাইজার ছমির উদ্দিন জানান, নির্মাণ কাজের কিছু ইট ও কংক্রিটে সামান্য সমস্যা ছিলো। আপত্তি করায় সেগুলো লাগানো হয়নি।

প্রত্যদর্শীরা জানান, এর আগেই ব্যাপক পরিমাণ নিম্নমানের ইট ও কংক্রিট ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া বালুর সাথে সিমেন্টের সঠিক পরিমাণও মানা হচ্ছে না। ঠিকাদারের সাথে সাইট ইঞ্জিনিয়ারের আঁতাত রয়েছে, এজন্য তিনি বিল্ডিংয়ের মূল ভিত্তি ফাউন্ডেশন নির্মাণে নিম্নমানের মালামাল লাগাতে নীরব থাকেন।

কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা জেলা পরিষদের উপ-সহাকারী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান নিম্নমানের কাজের ও ঠিকাদরের নিকট থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগটি অস্বীকার করে উল্টাপাল্টা রিপোর্ট না করার জন্য দাপট দেখান।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: