সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘সরকারিভাবে বিদেশী শ্রমিক নেবে না মালয়েশিয়া’

zahid-hamidi-696x459প্রবাস ডেস্ক:
মালয়েশিয়া সরকার বিদেশী শ্রমিক আনবে না বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি ড. আহমাদ জাহিদ হামিদি।

যাদের প্রয়োজন হবে সেইসব কোম্পানি এবং নিয়োগ দাতারা বিদেশী শ্রমিক আনবে। সরকার শুধু প্রয়োজন বিবেচনা করে বিদেশী শ্রমিকের নিয়োগের ব্যাপারে অনুমোদন দেবে। তবে এক্ষেত্রে কঠোর শর্ত মানতে হবে।

তিনি সুনির্দিষ্টভাবে বলেছেন, সরকারের দিকে আঙ্গুল তুলবেন না। কারণ, শ্রমিকের চাহিদা এসেছে শিল্পখাত থেকে এবং সরকার শুধু এই প্রক্রিয়াকে সহজতর করতে চায়। আসলেই দেশে কি পরিমাণ বিদেশী শ্রমিক দরকার তা নিয়ে সরকারি বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে। এই গবেষণা সরকারকে দেশে বিদেশী শ্রমিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে সহযোগিতা করবে।

অন্য একটি প্রশ্নের জবাবে আহমাদ জাহিদ জানিয়েছেন, বিদেশী শ্রমিকের সঙ্কটের কারণে কিছু অর্থনৈতিক খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে পামওয়েল শিল্প প্রতি মাসে ২ বিলিয়ন মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত করে ক্ষতির মধ্যে পড়েছে। আর শ্রমিকের অভাবে কমপক্ষে ২৪টি ফার্নিচার তৈরির কারখানা বন্ধই হয়ে গেছে।

তিনি এটাও বলেছেন যে, মালয়েশিয়ার অবৈধ শ্রমিক প্রবেশ ঠেকাতে মন্ত্রণালয়ও তৎপরতা দেখিয়েছে। এ বছরের ১৫ জুন পর্যন্ত ৫ হাজার ৬২২টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ৯১ হাজার ৭৫ জন বিদেশী শ্রমিকের কাগজপত্র যাচাই করা হয়েছে যার মধ্যে ২৭ হাজার ৪৯৮ জনের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তাদের আটক করা হয়েছে। এমনকি ৬৬২ জন নিয়োগদাতা এবং বিদেশী শ্রমিক আনার ৭টি চক্রের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এদিকে শুক্রবার বিদেশি শ্রমিক নিয়োগে নিষেধাজ্ঞায় মালয়েশিয়ায় ২৪ বিলিয়ন রিঙ্গিত লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির উপ প্রধানমন্ত্রী দাতুক আহমাদ জাহিদ হামিদি। শুক্রবার দেওয়ান নেগারায় সিনেটর কাজিম এম ইয়াহিয়ার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

উপ প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশি কর্মীর অভাবে অর্থনৈতিকভাবে বাগান, আসবাবপত্র তৈরি, কারখানাসহ বিভিন্ন সেক্টরে প্রচুর লোকসান হয়েছে। লোকবলের অভাবে অনেক ফ্যাক্টরির মালিকরাও ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছেন।

জাহিদ হামিদি বলেন, মন্ত্রীপরিষদ জাতীয় ক্লিয়ারিং হাউসের সঙ্গে বসে এর একটি প্রতিকার খুঁজে বের করবে এবং হিউম্যান রিসোর্স মন্ত্রণালয়, অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ইউনিট (ইপিইউ) এবং বিভিন্ন সংস্থা একটি সমীক্ষা পরিচালনা করছে। তারা সেক্টর অনুযায়ী বিদেশি কর্মীদের জন্য প্রকৃত প্রয়োজন কি হতে পারে তা নির্ধারণ করবে বলেও আশ্বাস দেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে মন্ত্রীসভা কমিটির কাছে এই রিপোর্ট পেশ করা হবে বলেও তিনি জানান।

উপ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এ পর্যন্ত রিহায়ারিং প্রোগ্রামে এক লাখ ২৪ হাজার ২৭৯ জন অংশ নেয়। সম্প্রতি আটক ৯১ হাজার ৭৫ জনের মধ্যে ২৭ হাজার ৩৬৯ জন অবৈধ শ্রমিক পাওয়া যায়। এদের কারো কাছে কোনও বৈধ কাগজপত্র ছিল না।

বাংলাদেশি শ্রমিকদেরকে অবহেলার কারণে মালয়েশিয়ার মতো দেশ আজ লোকসানের দিকে এগুচ্ছে বলেও কয়েকজন স্থানীয় ব্যবসায়ী মতামত প্রকাশ করেছেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: