সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ চৈত্র ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

অপহরণ করে ঢাকায় নিয়ে তরুণীকে চাচা-ফুফার ধর্ষণ

145309_1নিউজ ডেস্ক: মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার বওড়া গ্রামে ১৫ বছর বয়সী এক তরুণীকে অপহরণ করে ঢাকায় নিয়ে ধর্ষণ করেছেন প্রতিবেশী চাচা ও ফুফা।

ধর্ষণের এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে ওই তরুণীকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ঢাকার একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ দেন তারা।

কিন্তু, ২১ দিন পর শুক্রবার দুপুরে অসুস্থ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। দুই দিন ধরে ওই তরুণী উথলীস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এর আগে গত ২৭ মে দুপুরে প্রতিবেশী চাচা নাসির উদ্দিন (৩৫) ও ফুফা আবুল হাসেম (৫০) আরও ৪/৫ জনের সহযোগিতায় অপহরণ করে তাকে ঢাকায় নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন বলে ভুক্তভোগী ও স্বজনরা জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় পুলিশ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে। নাসির আসর উদ্দিনের ছেলে এবং নজর আলী খানের ছেলে হাসেম।

ওই তরুণীর বাবা জানান, তার মেয়ে বছর খানেক আগে ঢাকার মিডফোর্ড এলাকার হাজী নুরুল ইসলামের বাসায় পরিচারিকার কাজ করতেন। এরপর মাস খানেক ধরে নবীনগর এলাকায় এক জুতা তৈরি কারখানায় কাজ করছেন।

দুই মাস আগে মেয়েটা বাড়ি এলে নাসির উদ্দিন ও আরেক প্রতিবেশী আনসার আলীর ছেলে তাহাজ উদ্দিন (৩০) কু-প্রস্তাব দেন। এ নিয়ে ঘরোয়া সালিশ বসে মীমাংসা করা হয়।

এরই মধ্যে গত ২৭ মে নাসির ও হাসেম সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে মেয়েটা অপহরণ করে ঢাকার একটি বাসার কক্ষে আটকে রাখেন। সেখানে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন নাসির ও হাসেম।

এরপর এই ঘটনা কাউকে না বলতে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তাকে অন্য একটা বাসায় নিয়ে পরিচারিকার কাজ দেন তারা। সেখান থেকে তারা মেয়েটাকে নিয়ে আবার হাজী নুরুল ইসলামের বাসায় রেখে যান।

এ ঘটনায় নাসির, তাহাজ ও গাঙধাইর এলাকার সাহাজ উদ্দিনের ছেলে আমজাদ হোসেনসহ (৫০) অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন ওই তরুণীর বাবা।

পুলিশ গত বুধবার রাতে নাসিরকে গ্রেপ্তার করে। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ওই হাজী নুরুল ইসলামের বাসায় থেকে মেয়েটা উদ্ধার করে বলেও জানান ওই তরুণীর বাবা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক আবিদা আক্তার জানান, মেয়েটাকে দীর্ঘ দিন না খেতে থাকায় একেবারেই দুর্বল হয়ে পড়েছে। শরীরের চামড়া উজ্জ্বলতা নষ্ট ও খসখসে হয়ে গেছে।

মানসিক যন্ত্রণাও ভূগছেন। মেয়েটা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

শিবালয় থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলমগীর হোসেন জানান, মেয়েটাকে উদ্ধারের পর অসুস্থ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি। একটু সুস্থ হলেই তার সঙ্গে কথা বলে তদন্ত করা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: