সর্বশেষ আপডেট : ৮ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘চৌদ্দ বছর’ দিন কেটেছে মাটির নিচের জলের ট্যাঙ্কে!

Matiআন্তর্জাতিক ডেস্ক: তিনি দিনের বেলায় মাটির নিচের জলের ট্যাঙ্কে থাকতেন, আর রাতে ঘরে ঢুকে যেতেন। ট্যাঙ্কের মধ্যেই থাকার ঘরও বানিয়ে নিয়েছিলেন তিনি।  ১৪ বছর ধরেই ভারতীয় পুলিশ তাকে খুঁজছিল। কিন্তু তার এই কৌশলের কাছে বারবার পরাজিত হতে হয়েছে পুলিশকে।

বেশ কয়েকটা ফৌজদারি মামলা ছিল তার বিরুদ্ধে। কিন্ত তিনি হঠাৎই বেপাত্তা হয়ে যান। বছর দশেক আগে তার স্ত্রী থানায় নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ডায়েরি করেছিলেন। অভিযোগ জানানো হয়েছিল- যে কেউ হয়ত তাকে অপহরণ করেছে।

কিন্তু সেই ‘তিনি’ যে বাড়িতে ছিলেন, সেটা বুঝতে পুলিশের ১৪ বছর লেগে গেল। আসলে ‘তিনি’ তো ঠিক বাড়িতে ছিলেন না। মাটির নিচে জলের ট্যাঙ্কে থাকতেন তিনি!

ভারতের রাজস্থান রাজ্যের বিকানেরের পুলিশ জলের ট্যাঙ্ক থেকেই গ্রেপ্তার করেছে তাকে। দুষ্কৃতির নাম উদারাম মেঘওয়াল। বহু খুঁজেও যে কেন পাওয়া যায়নি তাকে, সেটা ধরা পড়ার পড়ে নিজেই পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন উদারাম।

ছাতারগড় থানার অফিসার হংসরাজ লুনা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “উদারাম বলছেন তিনি দিনের বেলায় মাটির নিচের জলের ট্যাঙ্কে থাকতেন, আর রাতে ঘরে ঢুকে যেতেন। ট্যাঙ্কের মধ্যেই থাকার ঘরও বানিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। আমরা সেজন্যই বার বার তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েও ধরতে পারতাম না তাঁকে।“

ধরা পড়ার দিনও উদারামের বাড়িতে পুলিশ গিয়েছিল। তাদের কাছে খবর ছিল যে তিনি বাড়িতেই আছেন। তবুও পাওয়া যায়নি।

শেষমেষ জলের ট্যাঙ্কের দিকে নজর পড়ে পুলিশের। সেখানে নিজের থাকার ঘরেই লুকিয়ে ছিলেন উদারাম। ১৪ বছরের ট্যাঙ্ক-বাস অথবা পাতাল বাস শেষ হয়েছে উদারামের! পুলিশ তাকে নিজেদের হেপাজতে রেখেছে।খবর-বিবিসি বাংলা।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: