সর্বশেষ আপডেট : ২৯ মিনিট ৩৩ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

১১ জুন নিখোঁজ, ১২ জুন পরীক্ষা, ১৫ জুন শিক্ষক হত্যাচেষ্টা, ১৮ জুন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

ডেইলি সিলেট ডটকম :: ঢাকার উত্তরার একটি কলেজের ছাত্র গোলাম ফাইজুল্লাহ ফাহিম। ১২ জুন ছিল তার এইচএসসি পরীক্ষা। পরীক্ষার আগের দিন নিখোঁজ হয় সে। কিন্তু, ১৫ জুন মাদারীপুর জেলার সরকারি নাজিমউদ্দিন কলেজের শিক্ষক রিপন চক্রবর্তী হত্যা চেষ্টায় ‘জড়িত’ থাকার অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে।

full_1841919443_1466221415এ ঘটনায় পুলিশ শুক্রবার তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেয়।কিন্তু, শনিবার ভোরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত সে হয়েছে। সদর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়েনের মিয়ারচরে এ ‘বন্দুকযুদ্ধ’ সংগঠিত হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গত বুধবার (১৫ জুন) ওই শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে ‘ফাহিমসহ’ কয়েক যুবক। এ সময় ওই শিক্ষকের চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দৌঁড়ে পালানোর সময় জনতার হাতে ধরা পড়ে গোলাম ফাইজুল্লাহ ফাহিম। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে জনতা।

পুলিশ ফাহিমকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার মাদারীপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৫ দিনের রিমান্ড চায়। শুনানি শেষে বিচারক মো. সাইদুর রহমান জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ডের নেয়ার কয়েকঘণ্টা পর শনিবার ভোরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ফাইজুল্লাহ ফাহিম নিহত হন। সকালের দিকে ফাহিমের মৃতদেহ মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে পুলিশ। উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা সংবাদকর্মীদের বলেছেন, ভোরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ফাহিমের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত ফাহিম ঢাকার উত্তরার একটি কলেজ থেকে এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সদস্য ছিলেন বলে পুলিশের দাবি। রাজধানীর উত্তরার দক্ষিণ খানে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন ফাহিম। তার বাবা গোলাম ফারুক একটি তৈরি পোশাক কারখানার কর্মকর্তা, মা গৃহিনী।

ফাহিম গত ১১ জুন সকালের পর থেকে নিখোঁজ বলে দক্ষিণ খান থানায় তার বাবা গোলাম ফারুক একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। বাবার মোবাইল ফোনে সর্বশেষ এসএমএস করে ফাহিম জানিয়েছিলেন, ‘বিদেশ চলে গেলাম, এছাড়া কোনো উপায় ছিল না। বেঁচে থাকলে আবারও দেখা হবে।’

এরপর গত বুধবার মাদারীপুরে শিক্ষক রিপন চক্রবর্তী হত্যাচেষ্টার সময় ধরা পড়ার পর ছেলের খবর পান ফারুক।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: