সর্বশেষ আপডেট : ৪ মিনিট ২৩ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

দিরাইয়ে গৃহপরিচারিকা পাচারের অভিযোগ

2. daily sylhet 666ডেইলি সিলেট ডেস্ক:
সুনামগঞ্জের দিরাই পৌরশহরের আনোয়ারপুর গ্রামের মোছা. মার্জিয়া আক্তার হালিমা (১১) নামের এক গৃহপরিচারিকাকে পাচারের অভিযোগ করে মামলা করেছেন ওই গৃহপরিচারিকার পিতা আবদুল জলিল (৩৫)। অভিযোগের বর্ণনা থেকে জানা যায়, গত ১৬ই জুন ২০১৫ মঙ্গলবার বিকাল আনুমানিক ৫টার দিকে আনোয়ারপুর নতুন হাটির নানু মিয়ার ছেলে সাজু মিয়া (৩১) ও সেলিম মিয়া (২৭) তাদের মায়ের অসুস্থতার কথা বলে ওই কিশোরীকে তাদের বাসায় নিয় যায়। এর কিছু দিন পর থেকে আর তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

পিতা আবদুল জলিল জানান, তিনি দরিদ্র দিনমজুর হওয়ায় আসামিদের কলেজ রোডস্থ ব্যাটারি ও মাইকের দোকানে বিভিন্ন সময় কাজ করেছেন বলে তাদের সঙ্গে তার দীর্ঘ দিন ধরে চিনাজানা। তাদের দোকানে কর্মরত অবস্থায় একদিন সাজু মিয়া বলে তার মায়ের শরীর খুব খারাপ, দেখাশুনার জন্য একজন লোক প্রায়োজন। এর জন্য আমার নাবালিকা মেয়ে মোছা. মার্জিয়া আক্তার হালিমাকে যেন তাদের বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজের জন্য দিতে রাজি হই, তাতে সে ভালো থাকবে। মেয়ে ভালো থাকবে সে আসায় রাজি হই। কথামতো মেয়েকে তাদের বাসায় দেয়ার পর দু’একবার তাদের বাসায় গিয়ে মেয়েকে দেখে আসি।

রমজারেন ঈদ সামনে থাকায় গত ১৮ই জুলাই ২০১৫ ইং সকাল ১০টার দিকে মেয়েকে ঈদের জন্য বাড়িতে নিয়ে আসতে গেলে তারা জানায় তাদের বোনের সঙ্গে তার শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে পাঠিয়েছে। এরপর অনেক দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও আমার মেয়ের কোনো খবর না পেয়ে তাদেরকে চাপ সৃষ্টি করি আমার মেয়েকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য। এর পরও আমার নাবালিকা মেয়েকে ফিরিয়ে আনতে পারিনি। আসামি ও তার বোন রাজিয়া বেগম ও ভগ্নিপতি জাহাঙ্গীর আলমের সহযোগিতায় কোথাও পাচার করে দিয়েছে না হয় শারীরিক অত্যাচার করে খুন করে তার লাশ গুম করে পেলেছে।

এ ঘটনার কথা নিজ গ্রামের গণ্যমান্যদের জানালে তারাও আসামিদের চাপ সৃষ্টি করেছিলেন হালিমাকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য তাতেও কোনো লাভ হয়নি। এরপর গত ১৮/১০/২০১৫ ইংরেজি মেয়েকে ফিরে পেতে দিরাই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়। দাখিলকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতে আসামি সাজু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নিয়ে আসা হলেও অদৃশ্য শক্তির দাপটে আমার দায়ের করা মামলাটি রেকর্ড না করে আসামিকে থানা থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ ব্যাপারে দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ আনিছুর রহমান জানান এ ধরনের কোনো অভিযোগ তিনি পাননি।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: