সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ২৩ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিলেটের দর্জিপাড়ায় বেড়েছে ব্যস্ততা

yPmPzªcস্টাফ রিপোর্টার::
ঈদুল ফিতরের বাকি এখনো ঢের বাকি। তবে রোজা শুরুর প্রথম সপ্তাহ থেকে সিলেট নগরের থান কাপড়ের দোকানে কাপড় বিক্রির ধুম পড়েছে। দর্জিরা ব্যস্ত ঈদের পোশাক তৈরিতে। ঈদ উপলক্ষ্যে অনেকেই নিজের রুচি ও স্বাচ্ছন্দ্যবোধের জন্য দর্জির (টেইলার্সের) মাধ্যমে পছন্দমতো পোশাকটি তৈরি করিয়ে নেন।
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে সব বয়সের মানুষের পোশাক তৈরি। সময়মতো কাজ সারার চেষ্টায় ব্যস্ত নগরের তরুণ-তরুণী, শিশু-কিশোরসহ সব বয়সি মানুষ। তাই নগরের থান কাপড়ের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষণীয়। ঈদের এক সপ্তাহ আগে অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দেবে অধিকাংশ টেইলার্স। তাই আগেভাগেই নিজের পছন্দমতো পোষাকটি তৈরি করে নিতে চান তারা।

সরেজমিনে ঘুরে সিলেট মহানরের ব্লুওয়াটার, কাকলি, সিটি সেন্টার, মিলিনিয়াম, শুকরিয়া, লতিফ সেন্টার, আল-হামরা, হাসান মার্কেট, মধুবন মার্কেট, সিলেট প্লাজা, ওয়েস্ট ওয়াল্ড ও কানিজ প্লাজায় দেখা গেছে, বিপণিবিতানগুলোতে রেডিমেড পোশাকের পাশাপাশি থানকাপড় ক্রেতারা রুচিশীল পোশাক তৈরির জন্য বৈচিত্র্যময় কাপড় ক্রয় করছেন। এর মধ্যে ব্রকেট, নেত, সুতি কটন, চায়না কটন, মুসলিট টিস্যু, লিলেন, জরজেট স্টেপ, চুড়নি, সিল্ক ও ভয়েল কাপড় বিক্রি হচ্ছে বেশি। তৈরি পোশাকের অলংকরণ ও নান্দনিক ডিজাইনের জন্য ক্রেতারা ক্রয় করছেন বিভিন্ন ধরনের লেইজসহ নানা কারুকার্য।

এসবের মধ্যে রয়েছে কুঁচি কাটা, কেমিক্যাল, শাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধির সরঞ্জাম, কাটান পায়, বেলবেট লেইজ। কোনো কোনো দোকানে ঈদুল ফিতরের জন্য থানকাপড়ের দামে ছাড় দেয়া হয়েছে। শুধু বিপণিবিতানগুলো নয়, পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন নগরীর বিভিন্ন দর্জি দোকানগুলোর কারিগররা। এর মধ্যে নেহার মার্কেটের শুধু নারীদের পোশাক তৈরির টেইলার্স শৈলী, কাকলী শপিং সেন্টারে অন্তু, পুরুষদের টেইলার্স রেমন্ড, সানমুন, রেইনবো, বেলমন্ড, টপ টেন, প্রিয়াঙ্গন, সৈকত, মাস্টার, রূপালি, মা মণি, জলাঙ্গি, টেইলার্সের লোকজন এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

টেইলার্সগুলোতে মজুরি নেয়া হয় সেলোয়ার কামিজ ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা, শার্ট ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, প্যান্ট ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, ব্লাউজ ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঞ্জাবি ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা, ব্লেজার ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা, থ্রিপিস কাপড়ের প্রকারভেদ অনুযায়ী ২৫০ থেকে ১২৫০ টাকা, সাফারি ২৫০০ থেকে ৩৫০০ টাকা, বাচ্চাদের পোশাক ডিজাইনের উপর নির্ভর করে নেয়া হয় ২শ’ টাকা থেকে ৫শ’ টাকা পর্যন্ত, গর্জিয়াস সেলোয়ার কামিজ বড়দের মজুরি নেয়া হয় ৬শ’ থেকে ৮শ’ টাকা পর্যন্ত। গত বছরের তুলনায় এবার পোশাক তৈরির মজুরি বেড়েছে।

নগরের মির্জাজাঙ্গাল মনিপুরি রাজবাড়ি এলাকার উৎসব বুটিক হাউসের স্বত্বাধিকারী রুনা বেগম জানান, আমার বাসায় দোকান। এখানে বুটিকসহ থান কাপড় রয়েছে। ক্রেতারা এখানে কাপড় পছন্দ করে সেলাইয়ের অর্ডারও দিয়ে যাচ্ছেন। অর্ডার ভালোই পাচ্ছেন জানিয়ে বলেন, ২০ রমজানের পর আর অর্ডার নেয়া সম্ভব হবেনা। কারিগররা দিনরাত কাজ করেও শেষ করতে পারছেননা। অনেক কাপড় জমে আছে। সিলেটে সাধারণত রমজানের মাঝামাঝি সময়ে কাজের চাপ বৃদ্ধি পায়। তবে এবার ব্যতিক্রম।

জিন্দাবাজারের রেইনবো টেইলার্স অ্যান্ড ফেব্রিক্সের দুলাল জানান, এখনো ঈদের বাজার তেমন জমেনি। তবে দু’একদিনের মধ্যে জমে উঠবে বলে তিনি আশাবাদী।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: