সর্বশেষ আপডেট : ১২ মিনিট ৩২ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

২০ রোজার মধ্যে বেতন-বোনাসের দাবি গার্মেন্টস শ্রমিকদের

kjhkjনিউজ ডেস্ক : ২০ রোজা অর্থাৎ ২৬ জুনের মধ্যে সকল কারখানায় বেতন এবং মূল বেতনের সমান বোনাসের দাবিতে মিছিল-সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতি। গাজীপুরের নন্দন অ্যাপারেলস গার্মেন্টসহ দেশের বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংগঠনটির উদ্যোগে আয়োজিত মিছিল-সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়।

সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শ্রমিক সমাবেশে সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন সংঠনের কেন্দ্রীয় সভাপ্রধান শ্রমিক নেতা তাসলিমা আখ্তার। বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জুলহাসনাইন বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শামা, রাজনৈতিক শিক্ষা সম্পাদক মিনহাজুল নাহিদ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক প্রদীপ রায়, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক দীপক রায়সহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা।

নেতারা বলেন, ‘গার্মেন্টস খাতে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিয়ে প্রতিবছরই ঈদের সময় নানা টাল-বাহানা দেখা যায়। অনেক কারখানায় বেতন দিতে গড়িমসি, অনেক কারখানায় বেতন দিলে বোনাস দেয় না কিংবা ঈদের দু-একদিন আগে যৎসামান্য দেয় ইত্যাদি অভিযোগ রয়েছে।’

এ সময় নেতারা আশঙ্কা করে বলেন, ‘প্রতিবছরের মতো এবারও এই খাতে এ ধরনের ঘটনা দেখা যেতে পারে। শ্রম মন্ত্রণালয়ের এ বিষয়ে দায়িত্ব কী? তারা কেমন নজরদারি করেন? কেন লাখো শ্রমিক ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হন?’

নেতারা শ্রম প্রতিমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, “গত ২২ মে ২০১৬ ‘শ্রমবিষয়ক ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কোর’ কমিটির সভায় প্রতিমন্ত্রী নিজেই মালিকদের অনুরোধ করে বলেছেন, ‘১৫-২১ রোজার মধ্যেই যেন জুন মাসের বেতনসহ বোনাস দেওয়া হয়।’ ঈদের দিন অনেক কারখানা খোলা রাখা হয়, এবার যেন তা না রাখা হয়-এ অনুরোধও তিনি করেন।”

সমাবেশে নেতারা আরো বলেন, ‘একজন মন্ত্রী কেন এ বিষয়ে মালিকদের অনুরোধ করবেন? অথচ মন্ত্রী জনগণের প্রতিনিধি হওয়ায় তার তো মালিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়ার কথা যা তাঁরা পালনে বাধ্য। এটাই আসলে বাংলাদেশের শ্রম খাতের নাজুক অবস্থা।’ মন্ত্রীর এহেন দুর্বল আচরণের নিন্দা জানিয়ে তাঁরা বলেন, ‘যেকোনো মূল্যেই সব কারখানায় ২০ রোজার আগেই শ্রমিকদের প্রাপ্য বেতন-বোনাস দিতে হবে। যেসব কারখানায় গড়িমসির যে কোনো আশঙ্কা আছে, সেসব কারখানায় সরকারকে বিশেষ কমিটি করে তদারকি-নজরদারি করতে হবে। এরই মধ্যে যেসব মালিক এই অপরাধ করেছেন, সেই অপরাধীদের শাস্তি দিন এবং এ রকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি বন্ধ করুন।’

সমাবেশ থেকে উত্থাপিত দাবিগুলো হলো, ২০ রোজার আগে সকল কারখানায় বেতন ও বোনাস পরিশোধ; মূল বেতনের সমান ঈদ বোনাস প্রদান করতে হবে,  পিস রেটে কর্মরতদেরও যথাযথ ঈদ বোনাস প্রদান করা; ঈদের আগে কোনো শ্রমিক ছাঁটাই চলবে না; অপরাধী মালিকদের শাস্তি দিতে হবে এবং অর্থনীতির সবচেয়ে বড় এই খাতে কোনো প্রকার শ্রমবিরোধী আচরণ বরদাশত করা হবে না; বেতন-বোনাসবঞ্চিতদের আন্দোলনের দায় মালিক ও সরকারকেই নিতে হবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: