সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ২৬ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

শ্রীমঙ্গলে ধানের জমিতে চাষ হচ্ছে আনারস

1466077311শ্রীমঙ্গল সংবাদদাতা: শ্রীমঙ্গল শহর থোক প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে  সদর ইউনিয়নের উত্তরসুর গ্রামের জাহের ভান্ডারি কাজের ফাঁকে শখের বশে শুরু করেন মিশ্র ফলের চাষাবাদ। গড়ে তুলেছেন এক ভ্যারাইটিজ বাগান।

ধানের ঢালু জমিকে উচুঁ জমি করে প্রায় ১৬৫ শতক বিস্তৃর্ণ জায়গাজুড়ে পলি মাটি ভরাট করে গড়ে তুলেছেন এ বিশাল বাগান।

সরেজমিনে উপজেলার শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়নের উত্তরসুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায় জাহের ভান্ডারির বাগানের গাছে গাছে শোভা পেয়েছে আনারসসহ বিভিন্ন ধরনের ফল ও সবজী। সবুজ পাতার আড়ালে আবার পাতা ঝরা ডালেও ঝুলে আছে লেবু নাগা মরিচ। বর্তমানে তার বাগানে লেবু, আনারস, নাগা মরিচ, কলা, পেঁপে, পেয়ারা গাছসহ শাক সবজির গাছ।

এছাড়া নানারকম বনজ ঔষধি, ও ফলের গাছ রয়েছে। বাগানের চারিদিকে যেন মনোরম সবুজের বিশাল সংগ্রহশালা। যে আনারস পাহাড় বা উচুঁ টিলায় চাষ হয় সে আনারস এখন চাষ করছেন জাহের ভান্ডার তার নিজ তৈরিকৃত বাগানে।

বাগানের কৃষক ও বাগান রক্ষক শফিকুর রহমান জানায় এ বছর প্রায় ৭ হাজার আনারসের চারা রোপন করেছেন। এক বছরে নতুন অবস্থায় ৭০০-৮০০ আনারস বিক্রি করেছেন। আগামীতে আনারস প্রায় ৩ থেকে ৪ লক্ষাধিক টাকা বিক্রি করা যাবে। তিনি মনে করেন এ বছর লেবু গাছগুলো যদি পোকা-মাকড়ের ক্ষতি থেকে রক্ষা করা যায় তাহলে ৫-৬ লক্ষ টাকা আয় করা সম্ভব হবে।
ধানের জমিতে আনারস চাষ

14660773271বাগান মালিক জাহের ভান্ডরি জানান, তিনি প্রথম লেবু চাষ করেন। গাছে লেবু প্রাপ্তির পর থেকে আনারস চাষের মাধ্যমে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের স্বপ্ন জাগে। এখন আমার শুধু স্বপ্ন পূরণের পালা। তিনি আরো বলেন আমার মতো স্থানীয় ধনী ও মাঝারি কৃষকরা এভাবে লেবু, আনারস চাষে এগিয়ে আসলে দেশে চাহিদা মিটানোর পরও প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।
সরজমিনে বাগান পর্যবেক্ষনকালে স্থানীয় বাসিন্দা মিল্লাদ হোসেনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় পাহাড়ি অঞ্চল থেকে যে আনারস বাজারজাত করা হয় জাহের ভান্ডারির এ বাগান থেকে ২-৩ বছর পর পাহাড়ি এলাকায় চাষকৃত আনারসের মত বাজারে বিক্রি করা সম্ভব হবে।

এ দিকে আনারস ব্যাবসায়ীরা জানান জাহের ভান্ডারির আনারস বাগানের মত যদি শ্রীমঙ্গল শহরের আশে পাশে এরকম আরো বাগান করা হয় তাহলে দেশে আনারস চাষ আরো বৃদ্ধি পাবে। কৃষকরাও উপকৃত হবেন ফলে আনারসের মান আরো ভাল হবে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা সুকল্প দাসের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, শ্রীমঙ্গল শহরে এই প্রথম এরকম একটি বাগান আছে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সব ধরণের সহযোগিতা দেয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: