সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ৫৬ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কারাগার থেকেও যেত হত্যার নির্দেশ: পুলিশ

full_1241208495_1465929046 (1)নিউজ ডেস্ক: বাকলিয়া থানার একটি হত্যা মামলায় জেএমবি সদস্য বুলবুল আহমেদ ওরফে ফুয়াদকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদনে মঙ্গলবার পুলিশের প্রসিকিউশন শাখার পক্ষ থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির কারাবন্দি নেতারা কারাগারে বসেই বাইরে থাকা সদস্যদের ‘হত্যার নির্দেশনা’ দিয়ে আসছিল বলে তথ্য পাওয়ার কথা আদালতকে জানিয়েছে পুলিশ।

আদালত পুলিশের প্রসিকিউশন শাখার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী জানান, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পক্ষ থেকে সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। শুনানি শেষে মহানগর হাকিম হারুণ অর রশিদ পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

শুনানিতে আদালত পুলিশের পরিদর্শক শিল্পী রানী দেবনাথ বলেন, ফুয়াদ জেএমবির একজন ‘উচ্চপদস্থ সদস্য’। তিনি জেলখানা থেকে কারাগারের বাইরে থাকা জেএমবি সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ‘গুপ্তহত্যার তথ্য’ সরবরাহ করেছেন বলে ‘তথ্য’ আছে।

“এমনকি জেলাখানা থেকে বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের নির্দেশনা প্রদান করেছেন- এমন তথ্যও পাওয়া গেছে।”

২০১৫ সালের ২৫ মে বাকলিয়া এলাকা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ এই হত্যা মামলা দায়ের করে। এর তদন্ত করছেন পিবিআই এর পরিদর্শক শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম।

অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নির্মলেন্দু সাংবাদিকদের বলেন, “শোনা যাচ্ছে তিনি জেলখানা থেকে সহযোগীদের কাছে চিরকূট পাঠিয়েছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদের পর তদন্তে বিস্তারিত জানা যাবে।”

বাকলিয়ার হত্যা মামলায় ফুয়াদকে রিমান্ডে নেওয়া হলেও গত ৫ জুন এসপিপত্নী মিতু হত্যার সঙ্গেও জেএমবির সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা বলে আসছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

তারা বলছেন, কারাগার থেকে লেখা সেই চিরকূটে কী ছিল- তা জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে জানতে চাইছেন তারা।

গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর সদরঘাট থানার মাঝিরঘাট এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারসহ তিন খুনের ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ ৫ অক্টোবর কর্ণফুলী থানার খোয়াজনগর ও নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে জেএমবি সদস্য ফুয়াদ ও চট্টগ্রামের সামরিক কমান্ডার জাবেদসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।

পরদিন ভোরে পুলিশের সঙ্গে অভিযানে গিয়ে গ্রেনেড বিস্ফোরণে নিহত হন জাবেদ। ওই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন নগর গোয়েন্দা পুলিশের তখনকার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (উত্তর-দক্ষিণ) বাবুল আক্তার।

গত ৫ জুন ভোরে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাবার পথে নগরীর জিইসি মোড়ের কাছে খুন হন বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু। মোটর সাইকেলে আসা তিন যুবক ছুরি মেরে ও গুলি করে তাকে হত্যা করে চলে যায়।

ঘটনার পর থেকে পুলিশ বারবার বরে আসছে, জেএমবি সংশ্লিষ্টতাকে প্রাধান্য দিয়ে সকল সম্ভাবনা মাথায় রেখেই তারা তদন্ত করছে।

পিবিআই এর একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “বাকলিয়ার হত্যা মামলার পাশাপাশি এসপিপত্নী হত্যার ঘটনা নিয়েও রিমান্ডে তথ্য জানার চেষ্টা হবে।”

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: