সর্বশেষ আপডেট : ৯ মিনিট ১৬ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

হাঁপানির চিকিৎসায় জ্যান্ত মাছ গিলে খাওয়ানো!

Untitled-4 copyনিউজ ডেস্ক : হাজার হাজার মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে। শিশু, কিশোর, তরুণ, বৃদ্ধ কেউ বাদ নেই। লাইনে দাঁড়ানো ব্যক্তিদের একে একে জ্যান্ত মাছ গিলে খাওয়াচ্ছে স্বেচ্ছাসেবকরা। হাঁপানি রোগের চিকিৎসায় এভাবেই প্রতিবছর ভারতের হায়দরাবাদে জ্যান্ত মাছ গিলে খাওয়ানোর এই আজব চিকিৎসার আয়োজন করা হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য হিন্দু’ জানায়,  হায়দরাবাদে মাছ গিলে খাওয়ানোর চিকিৎসার আয়োজক স্থানীয় বাথিনী গোদ ব্রাদার্স। হাঁপানি রোগের চিকিৎসায় আয়ুর্বেদিক ওষুধের জন্য বিখ্যাত এই পারিবারিক প্রতিষ্ঠান।

বাথিনী গোদ ব্রাদার্সের নিজস্ব ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৭০ বছর ধরে পারিবারিক ধারা বজায় রেখে তারা মাছ গিলে খাওয়ানো অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বিখ্যাত এক আয়ুর্বেদ চিকিৎসকের কাছ থেকে বাথিনী পরিবার হাঁপানি রোগের গোপন ওষুধের কথা জানতে পারে। ওই ওষুধ জ্যান্ত মাছের সঙ্গে গিলে খাওয়াতে হয়।

দ্য হিন্দু জানায়, রোগীদের গিলে খাওয়ানোর জন্য ছোট মাছ বেছে নেওয়া হয়। পরে ওই মাছের মুখে গোপন ওষুধ লাগিয়ে দেওয়া হয়। রোগীকে বড় হা করতে বলে ওষুধ লাগানো মাছটি মুখের ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। রোগী মাছটি গিলে ফেলে।

হাঁপানি রোগীদের মাছ গেলানোর কাজটি সব সময় সহজ হয় না। মাছ গিলে ফেলার সময় অনেকের বমি করার চেষ্টা করে। তাই এই সময় স্বেচ্ছাসেবকরা রোগীর মুখ উঁচু করে চেপে ধরে।

জানা গেছে, আর মাছ খাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে থেকে খাবারের বিধিনিষেধ মানতে হবে। এই নিষেধ মেনে খাওয়া চলবে ৪৫ দিন পর্যন্ত।

গত বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পরদিন বৃহস্পতিবার সাড়ে ৮টা পর্যন্ত টানা ২৪ ঘণ্টা বাথিনী গোদ ব্রাদার্সের জ্যান্ত মাছ খাওয়ানোর আয়োজন চলে। প্রতিবছরের মতো এবারও ১০ হাজারের বেশি হাঁপানি রোগী জ্যান্ত মাছ খাওয়ানোর এই আয়োজনে হাজির হয়। অনেকেই এর কয়েকদিন আগে সেখানে উপস্থিত হয়। বাথিনী গোদ ব্রাদার্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এবারের আয়োজনে মাছ সরবরাহ করেছে অন্ধ্র প্রদেশের মৎস্য বিভাগ। প্রতি মাছের দাম পড়েছে ১০ রুপি।

বাথিনীর চিকিৎসা নিয়ে ভারতে অনেক বিতর্ক আছে। বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, জ্যান্ত মাছ খাওয়ানো ছাড়াও বাথিনীদের গোপন ওষুধ সেবন সম্ভব। আর তাঁদের ওষুধ হাঁপানির পুরো সমাধান করে কি না জানতে চিকিৎসার আগে ও পরে রোগীদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। তবে এমন পর্যবেক্ষণ এখনো করা সম্ভব হয়নি।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: