সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ৩২ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

রোজায় ডিহাইড্রেশন এড়াতে…

Roza--220160609074847লাইফ স্টাইল ডেস্ক :: চলছে সংযমের ‍মাস পবিত্র রমজান। প্রথম রোজায় আবহাওয়া সহনীয়ও থাকলেও এবার ‍আবহাওয়া কিন্তু বেশ গরম যাচ্ছে। ফলে দীর্ঘ সময় পানাহার না করায়, বিশেষ করে পানি না খাওয়ার কারণে হতে পারে ডিহাইড্রেশন।

আমাদের শরীরের ৭০ ভাগই পানি। এ পানি শরীরের বর্জ্য নিষ্কাশন, হজম ও নানা শারীরিক ক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রোজার সময় দিনের অর্ধেকাংশ পানি পান না করে থাকা হয় বলে এ ক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তবে একটু সচেতন হলেই রোজা রেখেও ডিহাইড্রেশন এড়ানো সম্ভব।

ইফতারে প্রচুর পানি ও ফ্লুইড রাখুন – ইফতারের পর থেকে বিরতি দিয়ে দিয়ে অন্তত অ‍াট গ্লাস পানি পান করুন। তবে চা, কফি ও সোডার দিকে হাত বাড়াবেন না। এগুলোতে হাই ক্যাফেইন ও সুগার থাকে। যা ডিহাইড্রেশন বাড়ায়।

ট্রেডিশনাল ড্রিঙ্ক – রোজার সময় যেসব পানীয় সবসময় তৈরি হয় যেমন- লেবুর শরবত, কমলা বা আমের জুস, ইসবগুলের ভুসি ও তোকমা দিয়ে তৈরি শরবত ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে পান করুন। এক্ষেত্রে বাজারের জুসগুলোকে এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।

পুষ্টি ও খনিজ – প্রচুর পরিমাণে পানি সমৃদ্ধ ফল ও সবজি খান। সাইট্রাস ফ্রুট, স্ট্রবেরি, শসা, টমেটো, তরমুজ ইত্যাদি সার্ভিং ডিশে রাখুন। তাজা ফলের রসও খেতে পারেন। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, লোহা, পটাশিয়াম, খনিজ, ভিটামিন সি, বি-১ ও বি-২। তবে ফলের রস করে না ছেঁকে খেতে পারলে ভালো।

খাবার মেন্যু – ইফতার ও সেহরিতে সঠিক খাবার মেন্যু সেট করুন। স্যুপ, খেজুর, দই, দুধ, কলা, লো ফ্যাট খাবারের সঙ্গে সালাদ, উচ্চমানের পটাশিয়াম ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার সংযোজন করুন। অন্যদিকে ভাজা-পোড়া ও তেলজাতীয় খাবারকে ছেঁটে ফেলুন।

ব্যায়ামের সময় কমিয়ে আনুন
রোজায় ইফতারের দুই ঘণ্টা পর ২৫ মিনিটের ব্যায়াম কর‍ুন। ব্যায়ামের আগে এক কাপ থেকে তিন কাপ পানি পান করে নিন। ব্যায়ামের শেষে পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

সুস্থ থাকুন।

লাইফ স্টাইল ডেস্ক :: চলছে সংযমের ‍মাস পবিত্র রমজান। প্রথম রোজায় আবহাওয়া সহনীয়ও থাকলেও এবার ‍আবহাওয়া কিন্তু বেশ গরম যাচ্ছে। ফলে দীর্ঘ সময় পানাহার না করায়, বিশেষ করে পানি না খাওয়ার কারণে হতে পারে ডিহাইড্রেশন।

আমাদের শরীরের ৭০ ভাগই পানি। এ পানি শরীরের বর্জ্য নিষ্কাশন, হজম ও নানা শারীরিক ক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রোজার সময় দিনের অর্ধেকাংশ পানি পান না করে থাকা হয় বলে এ ক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তবে একটু সচেতন হলেই রোজা রেখেও ডিহাইড্রেশন এড়ানো সম্ভব।

ইফতারে প্রচুর পানি ও ফ্লুইড রাখুন – ইফতারের পর থেকে বিরতি দিয়ে দিয়ে অন্তত অ‍াট গ্লাস পানি পান করুন। তবে চা, কফি ও সোডার দিকে হাত বাড়াবেন না। এগুলোতে হাই ক্যাফেইন ও সুগার থাকে। যা ডিহাইড্রেশন বাড়ায়।

ট্রেডিশনাল ড্রিঙ্ক – রোজার সময় যেসব পানীয় সবসময় তৈরি হয় যেমন- লেবুর শরবত, কমলা বা আমের জুস, ইসবগুলের ভুসি ও তোকমা দিয়ে তৈরি শরবত ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে পান করুন। এক্ষেত্রে বাজারের জুসগুলোকে এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।

পুষ্টি ও খনিজ – প্রচুর পরিমাণে পানি সমৃদ্ধ ফল ও সবজি খান। সাইট্রাস ফ্রুট, স্ট্রবেরি, শসা, টমেটো, তরমুজ ইত্যাদি সার্ভিং ডিশে রাখুন। তাজা ফলের রসও খেতে পারেন। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, লোহা, পটাশিয়াম, খনিজ, ভিটামিন সি, বি-১ ও বি-২। তবে ফলের রস করে না ছেঁকে খেতে পারলে ভালো।

খাবার মেন্যু – ইফতার ও সেহরিতে সঠিক খাবার মেন্যু সেট করুন। স্যুপ, খেজুর, দই, দুধ, কলা, লো ফ্যাট খাবারের সঙ্গে সালাদ, উচ্চমানের পটাশিয়াম ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার সংযোজন করুন। অন্যদিকে ভাজা-পোড়া ও তেলজাতীয় খাবারকে ছেঁটে ফেলুন।

ব্যায়ামের সময় কমিয়ে আনুন
রোজায় ইফতারের দুই ঘণ্টা পর ২৫ মিনিটের ব্যায়াম কর‍ুন। ব্যায়ামের আগে এক কাপ থেকে তিন কাপ পানি পান করে নিন। ব্যায়ামের শেষে পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

সুস্থ থাকুন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: