সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নিম্নমানের লেন্স মোড়ক পাল্টে হয়ে যায় দামি

chokনিউজ ডেস্ক :  যার চোখ নেই, কেবল তিনিই বোঝেন, না দেখার কষ্ট। যে অঙ্গ থাকা আর না থাকার পার্থক্য দিন-রাতের। ছানি পড়া চোখের অন্যতম রোগ।

যার চিকিৎসায় অপরিহার্য কৃত্রিম লেন্স। কিন্তু যে চিকিৎসক চোখের আলো ফিরিয়ে দেবেন, তাদেরই যোগসাজশে কি-না কমদামি লেন্স, মোড়ক পাল্টে হয়ে যাচ্ছে দামি। রোগীর দৃষ্টি ফিরুক না ফিরুক, অসাধু চক্রের পকেট ভারি হচ্ছে ঠিকই। চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এলো এমনই চিত্র। খোদ জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের পরিচালক স্বীকার করেছেন অনিয়ম। অজানা নেই স্বাস্থ্যমন্ত্রীরও।

হাবিবুর রহমান। পেশায় দর্জি। দুই চোখে ছানি পড়ার কারণে ঠিকমতো দেখতে পারতেন না। দিন পাঁচেক আগে, একটি চোখের ছানি অপারেশন হয় ঢাকা মেডিকেলে। চোখে বসানো হয় ইন্ট্রা অকুলার লেন্স। এখন ভালোই দেখতে পাচ্ছেন।

হাবিবুর রহমান জানান, তার কাছ থেকে লেন্সের দাম নেয়া হয়েছে আটশো টাকা। অথচ এই লেন্সই এক মাস আগেও এই হাসপাতালে বিক্রি হতো ২ হাজার ২০০ টাকায়।

প্রশ্ন হলো, মাঝের এই ১৪০০ টাকা কোথায় যায়? লেন্স নিয়ে এমন অভিযোগের সত্যতা অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে নানা অনিয়ম আর দুর্নীতির চিত্র।

রাজধানীর আগাওগাঁওয়ে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল। বিশেষায়িত এই হাসপাতালে দৈনিক গড়ে চোখের ছানি অপারেশন হয় ৬০ থেকে ৭০টি। তবে চোখে যে লেন্স বসানো হয়, তার দাম নিয়ে অভিযোগ বিস্তর। খোদ পরিচালকও স্বীকার করলেন লেন্স নিয়ে বিশাল বাণিজ্যের কথা।

বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন চিকিৎসকরা। কম দামি লেন্স নতুন মোড়কে, কিংবা ভারতীয় লেন্স যুক্তরাষ্ট্রের বলে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে বহুদিন ধরে। ফলে প্রতারিত হচ্ছেন রোগীরা।

দেশের নামকরা অনেক হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চোখের লেন্স নিয়ে এই প্রতারণা চলে প্রতিনিয়ত। বাজারে যেসব লেন্স পাওয়া যায়, তার কয়েকটি নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যাওয়া হয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে। যা দেখে যারপরনাই বিস্মিত হন তিনি।সটঃ দীন মোহাম্মদ নুরুল হক, ডিজি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

মহাপরিচালকের কথার সূত্র ধরে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ক্যামেরা, চোখের লেন্স সরবরাহকারী একটি প্রতিষ্ঠানে। এক কর্মকর্তার দাবি, তাদের লেন্স যুক্টরাষ্ট্রে তৈরি।

তবে লেন্সের বারকোড পরীক্ষা করে এর সত্যতা মেলেনি।

সম্প্রতি চোখের লেন্স সরবরাহকারী ১৮টি প্রতিষ্ঠানের কাছে ট্রেড লাইসেন্স এবং বৈধ পথে আমদানিসহ নানা তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট কর্তৃপক্ষ। এদের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তথ্য দিয়েছে মাত্র ৭টি।

চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী লেন্স কেনা হয়। তাহলে কম দামি লেন্স বেশি দামে বিক্রির মুনাফা যায় কার পকেটে? খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীই দিলেন তার ফিরিমিস্ত। সূত্র- চ্যানেল ২৪

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: