সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর হওয়ার অপেক্ষায় সিলেটের তামাবিল

tamabil daily sylhetবিশেষ প্রতিনিধি::
সিলেটের সীমান্ত জনপদ গোয়াইনঘাটের তামাবিল শুল্ক ষ্টেশন থেকে কয়লা ও পাথর আমদানি রফতানি এবং যাত্রী ভ্রমণ করসহ প্রতি বছর সরকারের কোষাগারে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের যোগান দিয়ে আসছে। কিন্তু অবকাঠামোগত দিক দিয়ে এই শুল্ক স্টেশনের দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ ধরে এর কোন উন্নয়ন হয়নি।

২০০১ সালে সিলেটের তামাবিল শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হলেও কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের কার্যালয় ছাড়া এখানে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের কোন স্থাপনা বা অবকাঠামো নেই। তবে অচিরেই শুল্ক স্টেশনের অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দরে রূপ নিতে যাচ্ছে তামাবিল স্থল বন্দর।

গেল বছর বাংলাদেশ সরকারের নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান তামাবিল শুল্ক স্টেশনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন। ৬৯ কোটি ২৬ লাখ ২৪ হাজার টাকা ব্যায় নির্ধারণ করে এর উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিক থেকে এই শুল্ক স্টেশন দিয়ে কৃষি পণ্য ও ফলমূলসহ কয়লা ও পাথর আমদানি রফতানি শুরু হয়। তারপর থেকে কৃষি পণ্য ও ফলমূল আমদানি রফতানির হার কমতে থাকলেও ক্রমাগতভাবে বছরের পর বছর বাড়তে থাকে কয়লা ও পাথর আমদানি রফতানির পরিমাণ। বর্তমানে দেশের ইটভাটা গুলোর জালানী হিসেবে যে পরিমান কয়লার প্রয়োজন তামাবিল শুল্ক স্টেশন দিয়ে আমদানিকৃত কয়লা দিয়ে এর প্রায় ৬০শতাংশ পূরন হয়ে থাকে ।

বিগত কয়েক বছর আগে এই স্টেশন দিয়ে পাথর আমদানি বন্ধ থাকলেও ২০১০ সাল থেকে পূণরায় পাথর ও আমদানি হচ্ছে পুরোদমে। তামাবিল শুল্ক স্টেশনের কাস্টমস কর্মকর্তাদের তথ্যানুযায়ী গত বছর হরতাল আর অবরোধ সহ দেশের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও এই শুল্ক স্টেশন দিয়ে গড়ে যে পরিমান কয়লা ও পাথর আমদানি হয়েছে তা থেকে গত ২০১৪-২০১৫অর্থ বছরে (ভ্রমণ কর) সহ সরকারের কোষাগারে জমা হয়েছে ২৭ কোটি টাকা। এর আগে ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে রাজস্ব আদায় হয়েছে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা। যা ছিলো লক্ষ্য মাত্রার চেয়েও অধিক।

বর্তমানে এই শুল্ক ষ্টেশন দিয়ে আমাদের দেশ থেকে কোন প্রকার পণ্য রফতানি হয় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তামাবিল শুল্ক ষ্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মোঃ আবুল হোসেন জানান মাঝে মাঝে বসুন্ধরা টিস্যু, আর এফ এল প্লাস্টিক সামগ্রী এবং প্রাণের ম্যাঙ্গো জুস রফতানি হয়ে থাকে তাও অনিয়মিত। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন এক সময় এই স্টেশন দিয়ে কয়লা পাথর ছাড়াও কৃষি পণ্য ও ফলমূল আমদানি ও রফতানি করা হতো। কিন্তু এই স্টেশনে রক্ষণা বেক্ষনের ব্যবস্থা না থাকায় কাচামাল আমদানি রফতানি বন্ধ হয়ে গেছে।

তিনি জানান, সম্প্রতি এই শুল্ক স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ স্থল বন্দর করার জন্য এর অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছে। আর এটি সম্পূর্ণ হলে ভারতের মেঘালয়সহ ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড, আসাম ও ভূটানের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে। একই সাথে সরকারের প্রতিবছর এই স্থলবন্দর থেকে শত কোটি টাকার উপরে রাজস্ব আয় হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: