সর্বশেষ আপডেট : ১৭ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

তাহিরপুরে ইউপি চেয়ারম্যানকে আটকের নিন্দা জানিয়েছেন উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুল

download (1)আল-হেলাল : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় দক্ষিণ বড়দল ইউপি চেয়ারম্যান সবুজ আলমকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় আটক করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ কামরুজ্জামান কামরুল। তিনি বলেছেন,সবুজ আলম ৫ বছর নির্বাচিত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছে অত্যন্ত সততা ও দক্ষতার সাথে।

৫ বছরের কর্মকালে তার উপর কোন অনিয়ম দূর্নীতি বা সন্ত্রাসের কোন অভিযোগ কেউ করেননি। এখন তাকে আটক করা হয়েছে মিথ্যা মামলা দিয়ে। তার অপরাধ সে বিএনপি করে। এলাকাবাসী জানান, ৪ঠা জুন শনিবার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন পরিষদের লেদারবন্দ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে টেবিল কাস্টিং ও ব্যালট বাক্স ছিনতাইকালে আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে আটক হন স্থানীয় দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে আওয়ামীলীগ মনোনিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী ইউনুছ আলী ও তার সহযোগী আব্দুল কদ্দুছ।

পরে মোবাইল কোর্ট তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড দেয়। এ ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার লক্ষ্যে পরদিন ৫ জুন রবিবার বিকেল ২টায় বড়ছড়া এলাকায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইউনুছ আলী ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সবুজ আলমের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও কিল ঘুষির ঘটনা ঘটে।

এতে উভয়পক্ষে ২ জন আহত হয়। তুচ্ছ এই ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে দলীয় প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে তিলকে তাল করে মাটিকাটা গ্রামের মৃত হাছিন আলীর পুত্র আব্দুল হক (৬০) কে জখমী সাজিয়ে তাহিরপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সাধারন জখমী হওয়ার পরও পুলিশ জখমীর পুত্র ফজলু মিয়ার দায়েরকৃত মামলাটিকে বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ৩২৫/৩২৩/৩২৬/৩০৭ ধারায় তাহিরপুর থানার মামলা নং ১ ( ৭৯/২০১৬) তাং ৬/৬/২০১৬ইং হিসেবে এফআইআর করে। মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান সবুজ আলম ও তার ভাই ফেরদৌস আলমকে প্রধান আসামী করা হয়।

অথচ এলাকাবাসীর দাবী কথিত মামলায় বর্ণিত ঘটনার সাথে চেয়ারম্যান সবুজ আলম ও তার ভাই আদৌ জড়িত নন। বাদীপক্ষ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে চেয়ারম্যান সবুজ আলমকে অন্যায়ভাবে এ মামলায় আসামী করেছে। এবং পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত না থাকা স্বত্তেও অন্যায়ভাবে এ মামলায় সবুজ আলমকে আটক করে জেলহাজতে প্রেরন করেছে। যা রীতিমতো জুলুম ও বাড়াবাড়ির শামিল পদক্ষেপ বটে। এলাকাবাসী মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য পুলিশ প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হাজী ইউনুছ আলী ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সবুজ আলম পরাজিত হয়েছেন। এ ইউনিয়নে নির্বাচিত হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী হাজী আজহর আলী। সবুজ আলম নিজেকে ছাড় দিয়ে দলীয় প্রার্থীকে নির্বাচিত করিয়েছেন মনে করে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও সমর্থকরা তাকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় আটক করিয়েছেন বলে জানান এলাকাবাসী।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: