সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা কি এবং কেন?

11709442_485022278329625_5441875177742239211_nশামীম আহমদ::
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের আংশগ্রহনে স্থানীয় সরকার পরিচালিত হবে। বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যাবস্থার ইতিহাসে দেখা যায়, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পর্যায় বিভিন্ন আইন ও গেজেটের মাধ্যমে এই ব্যাবস্থাটিও বিভিন্ন রূপ পেয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা ঊনিশ শতকের বৃটিশ-ভারতের স্থানীয় শাসন ব্যবস্থার অনুরূপ। তবে এর কাঠামো, কার্যাবলী ও আর্থিক ব্যাবস্থাপনার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। দীর্ঘ সময় পাড়ি দিলেও বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা আজও পরিপূর্ণতা লাভ করেনি। তাই আপামর জনতা আশা করে, জনগনের সক্রিয় অংশগ্রহনের মাধ্যমেই একটি শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবার পথকে সুগম করবে। বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকারের আমলে নানান উদ্দ্যোগ গ্রহন করা হয়।

তবে বিভিন্ন চিন্তাশীল ব্যাক্তিবর্গের অভিমত অনুযায়ী জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও সুশাসনের জন্য স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালী করণের কোনো বিকল্প নেই। একটি গণতান্ত্রিক দেশের জনগনের সব চেয়ে কাছের ও কার্যকরী প্রতিষ্ঠানটি হলো স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা। এর প্রধান কাজ হল স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং আর্থ-সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা। স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে জনগণের ক্ষমতাও সুপ্রতিষ্ঠিত হয়। গণতন্ত্র ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা দুটিই পরস্পর পরস্পরের সম্পূরক। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার ইতিকথা: অতি প্রাচীন কাল থেকেই বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা একটি ঐতিহ্য বহন করে আসছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার ইতিকথা প্রাচীন ভারতের গ্রামীণ শাসনব্যবস্থার মূল ভিত্তি ছিল পাঁচজন নির্বাচিত বা মনোনীত ব্যক্তিকে নিয়ে গঠিত গ্রামীণ স্বায়ত্বত্তশাসন প্রতিষ্ঠান পঞ্চায়েত। এই প্রতিষ্ঠানের হাতে ন্যাস্থ ছিল গ্রামগুলির প্রশাসন, আইন প্রনয়ন ক্ষমতা ও বিচারব্যবস্থা পরিচালনের দায়িত্ব। মুঘল আমল পর্যন্ত ভারতের গ্রামগুলি এই পঞ্চায়েত ব্যবস্থা দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হত। কিন্তু মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের পর পঞ্চায়েত প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাটি বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ব্রিটিশ শাসনকালে ভারতের এই সুমহান ঐতিহ্যশালী শাসনব্যবস্থার সম্পূর্ণ অবসান ঘটে।

ব্রিটিশ আমল: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৭৬৫ সালে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দখল লাভ করে। এর ১০৫ বছর পর ১৮৭০ সালে বঙ্গীয় গ্রাম চৌকিদারি আইন বা বেঙ্গল ভিলেজ চৌকিদারি অ্যাক্ট পাস হয়। এই আইন অনুসারে গ্রামাঞ্চলের অপরাধ দমনের লক্ষ্যে বাংলার গ্রামাঞ্চলে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হিসাবে চৌকিদারি পঞ্চায়েত নামে একটি কৃত্রিম সংস্থা চালু হয়। জেলাশাসক এই সংস্থার সদস্যদের নিয়োগ করতেন আর গ্রামবাসীদের কাছ থেকে আদায় করা করে এর কাজ কর্ম সম্পাদিত হত। বৃহত্তর গ্রামোন্নয়নের সঙ্গে এর প্রত্যক্ষ কোনও যোগাযোগ ছিল না। লর্ড রিপন (দপ্তরকাল ১৮৮০-৮৪) প্রথম ভাইসরয় যিনি ভারতে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আগ্রহী হন। এই ব্যবস্থাকে ‘রাজনৈতিক ও জনশিক্ষার হাতিয়ার’ আখ্যা দিয়ে তিনি এর একটি বিস্তারিত রূপরেখা রচনা করেন। ১৮৮২ সালে এই ব্যাপারে লর্ড রিপনের প্রস্তাব গৃহীতও হয়। ১৮৮৫ সালে ব্রিটিশ সরকার দেশে স্বায়ত্তশাসন প্রবর্তনের লক্ষ্যে প্রথম প্রদক্ষেপটি গ্রহণ করেন। পাস হয় বঙ্গীয় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন আইন বা বেঙ্গল সেল্ফ-গর্ভমেন্ট অ্যাক্ট। এই আইনবলে গ্রামীণ স্বায়ত্তশাসনের তিনটি সংস্থা কার্যকর হয় গ্রাম স্থরে ইউনিয়ন কমিটি, মহকুমা স্থওে স্থানীয় পরিষদ এবং জেলা স্থরে জেলা বোর্ড। এক বা একাধিক গ্রামের জন্য ইউনিয়ন কমিটি গঠিত হয়।

এই কমিটির হাতে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বিদ্যালয়, পুকুর ও রাস্তা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব অর্পিত হয়। অর্থের জন্য এই কমিটি গুলি জেলা বোর্ডের উপর নির্ভরশীল থাকত ও বোর্ডের অধীনেই নিজের কাজ সম্পাদনা করত। এই ব্যবস্থার ফলে গ্রাম স্থরে দু’টি প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে ওঠে চৌকিদারি পঞ্চায়েত ও ইউনিয়ন কমিটি। মহকুমা স্থরে গঠিত স্থানীয় পরিষদেরর কোনও স্বতন্ত্র ক্ষমতা বা আয় ছিল না এবং এই সংস্থাও সর্ব ব্যাপারে জেলা বোর্ডের উপরেই নির্ভরশীল থাকত। জেলা বোর্ড এদের হাতে কোনও ক্ষমতা বা কর্তৃত্ব অর্পণ করলে, তবেই তারা তা প্রয়োগ করতে সমর্থ হত। তাই বলা যেতে পাওে, এই পরিষদগুলি জেলা বোর্ডের কমিটি হিসাবেও কাজ করত। ১৯৩৬ সালে একটি আইন সংশোধনী বলে স্থানীয় পরিষদ বিলুপ্ত করা হয়। সে সময় প্রতিটি জেলায় একটি করে জেলা বোর্ড গঠিত হয়। বোর্ডের কার্যক্ষেত্র হয় জেলার সমগ্র গ্রামাঞ্চল। চার বছরের মেয়াদকালযুক্ত এই বোর্ডগুলি ৯ থেকে ৩৬ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হত এবং এর সদস্যরা সকলেই নির্বাচিত হতেন। সদস্যদের মধ্য থেকে একজন সভাপতি ও একজন সহ-সভাপতি নির্বাচিত হতেন। এই জেলা বোর্ডগুলির হাতে বহু দায়িত্ব ন্যাস্থ থাকত। এদের প্রধান কাজ ছিল শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যাতায়াত ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ। জেলা বোর্ডগুলির আয়ের উৎসও ছিল বিভিন্ন। আয়ের প্রধান উৎস ছিল পথ, সেতু, খেয়াঘাট, ডাকবাংলো, খোঁয়াড় প্রভৃতি থেকে প্রাপ্ত কর। সরকারি অনুদানও বোর্ডগুলি পেত। এছাড়া সাধারণের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণের ক্ষমতাও তাদের দেওয়া হয়েছিল।

১৮৯৯ সালে লর্ড কার্জন ভারতের ভাইসরয় পদে অভিষিক্ত হলে তিনি শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রীকরন ঘটান। কার্জন ভারতবাসীর স্বাধিকারের তীব্র্র বিরোধী ছিলেন এবং ভারতবাসীকে তিনি আদৌ গণতন্ত্রের উপযুক্ত বলে মনে করতেন না তা স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের মতো যত সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রেই হোক না কেন। তাঁর প্রবর্তিত শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রীকরণ রোধ করার জন্য লর্ড মর্লি ১৯০৭ সালে রাজকীয় বিকেন্দ্রীকরণ কমিশন বা রয়্যাল কমিশন অন ডিসেন্ট্রালাইজেশন গঠন করেন। ১৯০৯ সালে এই কমিশন তার প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদনে চৌকিদারি ও অন্যান্য স্থানীয় কাজের দায়িত্ব একটি একক গ্রামীণ সংস্থার হাতে অর্পণ করার প্রস্তাব রাখা হয় এবং বলা হয় এক-একটি গ্রামকে গ্রামীণ স্বায়ত্তশাসনের ভিত্তি করতে না পারলে এই শাসনব্যবস্থায় গ্রামবাসীদের আগ্রহ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে না। এরপর ১৯১৪ সালে তদনীন্তন বাংলা সরকার একটি জেলা প্রশাসন কমিটি বা ডিস্ট্রিক্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কমিটি গঠন করেন। এই কমিটি সুপারিশ করেন গ্রামাঞ্চলে এমন এক শাসন কর্তৃপক্ষ গড়ে তুলতে যার মধ্যে একাধারে ইউনিয়ন কমিটি ও চৌকিদারি পঞ্চায়েতের কাজ করবে এবং একটি গ্রামীণ বিচারব্যবস্থাও তার অন্তর্ভুক্ত হবে। মূলত এই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই গ্রামীণ স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্যে ১৯১৯ সালে পাস হয় বঙ্গীয় গ্রামীণ স্বায়ত্তশাসন আইন বা বেঙ্গল ভিলেজ সেল্ফ-গভর্নমেন্ট অ্যাক্ট।

এই আইনবলে চৌকিদারি পঞ্চায়েত ও ইউনিয়ন কমিটি অবলুপ্ত করা হয় এবং উভয়ের ক্ষমতা একাধিক গ্রাম নিয়ে গঠিত ইউনিয়ন বোর্ডেও হাতে ন্যাস্থ করা হয়। এই বোর্ডগুলি গ্রামবাসীদের প্রয়োজনে নিজ-নিজ এলাকায় কর ধার্য করার ক্ষমতা রাখত। এছাড়া এই আইনের ছোটোখাটো দেওয়ানি মামলা বিচারের জন্য ইউনিয়ন কোর্ট ও ছোটোখাটো ফৌজদারি মামলা বিচারের জন্য ইউনিয়ন বেঞ্চও গঠন করা হয়। এই বিচারব্যবস্থার বিচারকগণও ইউনিয়ন বোর্ডের সদস্যদের মধ্য থেকেই নিযুক্ত হতেন। তবে এইসব ইউনিয়ন ও জেলা বোর্ডেও কাজ-কর্ম প্রাথমিক শিক্ষা, জল সরবরাহ, সড়ক ও সেতু নির্মান এবং জনস্বাস্থ্যরক্ষা মতো কাজেই সীমাবদ্ধ ছিল। অর্থ ও কর্মীর অভাবে এগুলির দ্বারা গ্রামীণ জীবনের ন্যুন্যতম চাহিদাগুলি পূরণ করা সম্ভব হত না। যদিও গ্রামবাংলার জনসাধারণকে ভাবী গণতন্ত্রের পথে অনেকটাই শিক্ষিত করে তুলতে সক্ষম হয়েছিল। বাংলাদেশের বর্তমান স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা: স্থানীয় সরকার ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ সংক্রান্ত বিষয়াবলি যেমন স্থানীয় সরকার এবং স্থানীয় প্রশাসন পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের অর্থায়ন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিদর্শন, পানীয় জল সংক্রান্ত বিষয়াবলী, পল্লীও শহরাঞ্চলে পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন, জলাবদ্ধতা এবং পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, নগর ও পৌর এলাকায় রাস্তা এবং ব্রীজ-কালভার্টসহ উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রাম সড়ক নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনা।

গ্রাম পুলিশ সংক্রান্ত বিষয়াবলি, উপজেলা, ইউনিয়ন, গ্রাম সড়কের সাথে সংযুক্ত গ্রোথ সেন্টার ও হাট-বাজার উন্নয়ন রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনা, সরকার কতৃক নির্ধারিত সীমার মধ্যে ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ অবগঠামো উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনা। এই কার্যাবলীর মূল উদ্দেশ্য হলো জনগনকে তার প্রয়োজনীয় সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করা। স্থানীয় সকার প্রতিষ্ঠানের প্রথম ও গুরুত্ত্বপুর্ণ কাজ হলো তৃণমূল পর্যায়ে সুশাসন জোরদার করা। এ লক্ষে প্রধান কার্যক্রমসমূহ হলো নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ, স্থানীয় সরকার বিষয়ে গবেষণা, স্থানীয় প্রতিষ্ঠানসমূহকে উন্নয়ন সহায়তা প্রদান। গ্রামীণ সড়ক ও অবগকাঠামো উন্নয়ন যেমন উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রাম সড়ক নির্মাণ, পুননির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ। উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রাম সড়কে ব্রীজ কালভার্ট নির্মাণ-পুনর্নিমাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, গ্রামীন হাট-ঝজার ও গ্রোথ সেন্টার নির্মাণ, মহিলাদের জন্য বাজার সেকশন নির্মাণ, ঘুর্ণিঝড়-বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, উন্নয়ন কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণকে অগ্রাধিকার গ্রদান। এল-সিএস মহিলা সদস্যদের প্রশিক্ষণ প্রদান, নির্মাণ ও রক্ষলাবেক্ষণ কাজে মহিলা শ্রমিক নিয়োগ, সকলের জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন সুবিধা প্রদান, টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন, গবেষণা, উন্নয়ন ও প্রয়োগ পানি উৎসের গুণগত মান পরীক্ষাকরণ, নিয়মিতভাবে পরিবীক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ, নিরাপদ পানি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংরক্ষণ ও হালনাগাদকরণ, পরিবেশ বান্ধব ইকো টয়লেট নির্মাণ, নিরাপদ পানির উৎস ও পানি সরবরাহের অবকাঠামো নির্মান, স্যানিটারী ল্যাট্রিন স্থাপন ও ব্যবহারে উদ্বুদ্ধকরণ।

নিরাপদ পানি সরবরাহ ও ব্যবহার, আর্সেনিক বিষয়ে সচেতনকরণ, দরিদ্র ও বস্তিবাসীদের জীবন যাত্রার মান ও পরিবেশ উন্নয়ন, শহরের দরিদ্র মা ও শিশুদের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ও মাতৃসদন নির্মাণ, শহরের দরিদ্র মা ও শিশুদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, প্রসূতি মা’দের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান, শহরের বস্তিবাসী ও ছিন্নমুল মানুষের জন্য মৌলিক অবকাঠামো সহায়তা প্রদান, বস্তি এলাকায় নিরাপদ পানির উৎস ও স্যানিটারী ল্যাট্রিন স্থাপন, বস্তি এলাকায় পরিবেশবান্ধব স্যানিটেশন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন, বস্তিবাসীর জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনে বস্তিবাসিদের সচেতন ও উদ্বুদ্ধকরণ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা-প্রতিষেধক প্রদান, বাধ্যতামূলকভাবে জন্ম নিবন্ধিকরণ নিশ্চিতকরণ, জন্ম নিবন্ধন কাজে নিয়োজিতদের প্রশিক্ষণ প্রদান, জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা জন্ম তথ্য সংগ্রহ ও নিবন্ধীকরণ, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গৃহস্থালীর জৈব ও অজৈব বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ, গৃহস্থালীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে উদ্বুদ্ধকরণ ও সম্পৃক্তকরণ, স্যানিটারী ল্যান্ডফিল নির্মাণ, হাসপাতাল বর্জ্য সংগহ ও ব্যবস্থাপনা, ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদের ব্যবহার, সম্প্রসারণ ও সুষম বণ্টনের মাধ্যমে দরিদ্র জনগণের উপকৃত হওয়ার সুযোগ বৃদ্ধিকরণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচের জন্য খাল খনন-পূণঃখনন, পানি সংরক্ষণের জন্য রাবার ড্যাম নির্মাণ, বন্যা ব্যবস্থাপনার জন্য রেগুলেটর, ক্রসড্যাম, বাঁধ নির্মাণ-রক্ষণাবেক্ষণ, পরিকল্পিত নগরায়ন নিশ্চিতকরণ, শহর এলাকায় রাস্তা, ফূটপাত, ড্রেন, বাতি, বাস-ট্র্রাক টার্মিনাল, যানবাহন পার্কিং জায়গা নির্ধারণ, অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ-পুনঃনির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেন নির্মাণ-পুনঃনির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, কমিউনিটি স্যানিটারী ল্যাট্রিন নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, শহর এলাকায় কমিউনিটি সেন্টার স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ, শহর এলাকায় পাইকারী ও খুচরা বাজার নির্মাণ।

লেখক: সাংবাদিক। তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ গ্যাজেট, বাংলাদেশ সংবিধানও উইকিপিডিয়া।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: