সর্বশেষ আপডেট : ৫৭ মিনিট ১২ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

জকিগঞ্জে যে কারনে বিএনপির ভরাডুবি…

BNP sylhet daily sylhetজকিগঞ্জ প্রতিনিধি::
জকিগঞ্জ উপজেলার ৯ ইউনিয়নে ৪ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বিএনপি খলাছড়া ও কসকনকপুর ইউনিয়নে কোনো প্রার্থীই দিতে পারেনি। ৭টি ইউনিয়নে প্রার্থী দিলেও কোনো প্রার্থীই জয় পাননি।

জকিগঞ্জ, বারঠাকুরি ও মানিকপুর ইউনিয়ন ছাড়া বাকী ৪টি ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থীরা উল্লেখ করার মতো কোনো ভোট পাননি। বারহাল ও বীরশ্রী ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থীরা জামানত হারিয়েছেন। বারহাল, বীরশ্রী, সুলতানপুর ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থীরা ভোট প্রাপ্তির দিকে থেকে তিন সংখ্যার ঘরই অতিক্রম করতে পারেননি। ২০১১ সালের নির্বাচনে বারহালে বিএনপি ঘরানার প্রার্থী এসএম আলম চৌধুরী শিমু যেখানে ২৩৭৩ ভোট পেয়েছিলেন সেখানে এবার দলীয় ধানের শিষ নিয়ে বুরহান উদ্দিন রনি পেয়েছেন মাত্র ৯৭০ ভোট। বীরশ্রী ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আহমদ চৌধুরী মাত্র পেয়েছেন ৫২০ ভোট। কাজলসার ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী মোস্তাক আহমদ ১৬২০ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন এখানে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মো. চেরাগ আলী মোস্তাকের চেয়ে ১০৬২ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী প্রার্থীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি হয়েছেন।

জকিগঞ্জ ইউনিয়নে বিএনপির হাসান আহমদ নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও বিজয়ী প্রার্থীর চেয়ে ৫৮৮ ভোট কম পেয়েছেন। সুলতানপুরে বিএনপির প্রার্থী মুজিবুর রহমান পেয়েছেন ৯৩১ ভোট আর বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান আহমদ পেয়েছেন ৫৫৩ ভোট। বারঠাকুরি ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী নাসির উদ্দিন হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেছেন। মানিকপুর ইউনিয়নে উপজেলা বিএনপির সভাপতি হেলাল আহমদ চৌধুরী ২৮৯৬ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। ২০১১ সালের নির্বাচনে হেলাল চৌধুরী ২১৭৭ ভোট এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর শাহ চৌধুরী হেলাল পেয়েছিলেন ১০৩৭ ভোট। এবার দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করেও হেলাল চৌধুরী গত নির্বাচনের দুইজনের চেয়ে কম ভোট পেয়েছেন।

প্রার্থী নির্বাচনে ভুল সিদ্ধান্ত, দুর্বল প্রার্থী নির্বাচন, দলীয় নেতাকর্মীদের নিষ্ক্রিয়তা, দলীয় সমন্বয়হীনতা, সিনিয়নর নেতৃবৃন্দের দ্বিধাবিভক্তি, দলীয় কোন্দল, আঞ্চলিকতার প্রভাব, সর্বোপরি জাতীয় রাজনীতির প্রভাব ইত্যাদি কারণে নির্বাচনে জকিগঞ্জে বিএনপির পরাজয় ঘটেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচনে আমরা তুলনামুলক খারাপ ফলাফল করেছি সত্য, কিন্তু আমরা একটি নির্বাচনেও জিতিনি তা সত্য নয়।

বারঠাকুরি ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থীর নিশ্চিত বিজয়কে নীলনকশার মাধ্যমে ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। একটি কেন্দ্রের ফলাফল দেরীতে দেয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি স্বীকার করেন দলীয় প্রার্থী রেখে কোনো কোনো ইউনিয়নে বিএনপির কিছু নেতাকর্মী অন্য প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন। সে জন্য সুলতানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস শাকুর বলেন, দলের উপজেলা কমিটির সভাপতি ও সাংগঠনিক সম্পাদক নিজে প্রার্থী হওয়ায় সমন্বয়হীনতা ও যোগাযোগ সমস্যা হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: