সর্বশেষ আপডেট : ৩৬ মিনিট ১৫ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সমঝোতা হয়েছে মাহি-শাওন পরিবারের

16বিনোদন ডেস্ক :: ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি এবার মুখ খুললেন। তার ও স্বামী দাবিদার শাহরিয়ার ইসলাম ওরফে শাওনের পরিবারের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে বলে জানালেন তিনি।

মাহি বলেন, আমি শিগগিরই মামলাটা প্রত্যাহার করে নিব। শাওনের পরিবার ও আমার পরিবারের সবাই এর সমঝোতা চেয়েছেন। আর দুই পরিবার মিলে এটা করেছি।

মাহি আরও বলেন, আমার বিরুদ্ধে কাজটি তৃতীয় কোনো পক্ষ সঙ্গে থেকে করিয়েছেন। শাওন একা এসব করেনি। আর আমাদের বিয়েও হয়নি। মিথ্যে এসব কথা কেউ ছড়িয়েছে। শাওন জামিন পাবার পর একটি সংবাদ সম্মেলন করবে। সেই সংবাদ সম্মেলনে সবকিছু খুলে বলার পর আমি মামলা প্রত্যাহার করব।

এদিকে সমঝোতা পত্রে যা লেখা হয়েছে তা হচ্ছে, মাহি শাওনের বিরুদ্ধে করা মামলাটি প্রত্যাহার করে নেবেন। অন্যদিকে শাওন জেল থেকে বের হয়ে মাহির বিরুদ্ধে কোনো মামলা করতে পারবেন না এবং মাহির ক্ষতি হয়, এমন কোনো আচরণ করতে পারবেন না বলে সমঝোতায় উল্লেখ করা হয়েছে।

রোববার মাহির উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরের বাসভবনে উভয় পরিবারের লোকজনের উপস্থিতিতে ৩০০ টাকার দলিলে এই সমঝোতা স্বাক্ষর হয়। সমঝোতা দলিলে স্বাক্ষর করেন মাহির বাবা আবু বকর ও শাওনের বাবা নজরুল ইসলাম। সাক্ষী ছিলেন শাওনের বড় চাচা আবুল হাশেম ও ছোট চাচা মাহমুদুল হাসান।

মাহি আরও বলেন, এর আগে আমার বিরুদ্ধে অনেকেই অনেকভাবে নেতিবাচক খবর ছড়িয়েছে। আমি চুপ করে বসে ছিলাম। কিন্তু এবার বিয়ের একদিনের মাথায় এসব খবর জানার পর বাধ্য হয়ে মামলাটা করেছি। তবে শাওনের ছবিগুলো সত্যি ছিল না। এগুলো ফেক ছিল। আমাকে জড়িয়ে এসব ছবি ছড়ানোর জন্য তৃতীয় কোনো পক্ষ ছিল। শাওনের দ্বারা আমার এত বড় ক্ষতি সম্ভব নয়। সে কারও ইন্ধনে এমন কাজ করেছে। বিষয়টি নিয়ে তৃতীয় কোনো পক্ষ গভীর যড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাই এসব জানার পর সমঝোতাই সমাধান বলে মনে হয়েছে।

শাওন আমার স্কুলবন্ধু। আমি চাই না ও আর জেলে থাকুক। উকিলের সঙ্গে আলোচনা করে আগামীকাল আদালতে সমঝোতা দলিলটি পাঠানো হবে বলে জানা যায়।

উল্লেখ্য, গত ২৫শে মে মাহির বিয়ে হয় সিলেট নিবাসী কম্পিউটার প্রকৌশলী পারভেজ মাহমুদের সঙ্গে। এর এক দিন পর ২৭শে মে বন্ধু শাওনের সঙ্গে তার কিছু ছবি কয়েকটি অনলাইন নিউজপোর্টাল এবং ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়া হয়। সেদিনই রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় মাহিয়া মাহি তথ্যপ্রযুক্তি আইনে শাওনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ শাওনকে গ্রেপ্তার করে দুই দিনের রিমান্ডে নেয়। ৩১শে মে রিমান্ড শেষে শাওনকে আদালতে আনা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: