সর্বশেষ আপডেট : ৪ মিনিট ৪২ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

গ্রামের বাড়িতে খালি পায়ে হাঁটলেও এখানে জুতা পরতে হয়

55নিউজ ডেস্ক ::
লাইজু আক্তার। বেড়ে উঠেছেন বরিশালের গৌরনদীর পাশে একটি গ্রামে। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে লাইজু মেজ। বাবা অন্যের জমিতে কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। আর সেই দিয়েই চলত সাতজনের সংসার। ছোটবেলা থেকেই অভাব অনটনের মধ্যে বেড়ে উঠেছেন লাইজু।

কখনো স্কুলে গিয়েছেন কিনা মনে করতে পারেন না। তবে ছোটবেলায় স্কুলে যাওয়ার জন্য এক দুবার মায়ের হাতে মার খাওয়ার কথা মনে আছে তার। বড় ভাইয়ের অভাব বোধ করতো লাইজুর পরিবার। অভাবের তাড়নায় ১৩ বছর বয়সে বড় বোনের হাত ধরে বরিশাল থেকে ঢাকায় আসেন লাইজু।

ছোট বেলায় শুনেছেন মামাতো বোন গার্মেন্টে কাজ করতেন। তখন লাইজু জানতেন না গার্মেন্টে কী কাজ হয়। তবে বুঝতে পারতেন গার্মেন্টে কাজ করলে তাদের পরিবারে সচ্ছলতা আসবে। ছোট ভাইবোনেরা পড়ালেখা করে খেয়ে পরে বাঁচতে পারবে।
বাবার ওপর থেকে সংসারের চাপ কমবে। আর তাই অল্প বয়সেই কাজ শুরু করেন তেজগাঁওয়ের একটি গার্মেন্টে। প্রথমদিকে কোনো কাজ পারতেন না বলে হেল্পার হিসেবে শুরু করেন। বেতন ধার্য হয় দুই হাজার পাঁচশ টাকা। তবে এই টাকা আয় করা খুব সহজ ছিল না। সকাল আটটা থেকে কাজ শুরু করে রাত আটটায় শেষ হয়। এর মধ্যে দুপুরে খাওয়ার জন্য বিরতি ৪৫ মিনিট।
গ্রামের বাড়িতে খালি পায়ে হাঁটলেও এখানে জুতা পরে কাজে যেতে হতো। সেই সঙ্গে কাঁধে ঝোলানো একটা ব্যাগ। তবে শুরুর দিকে সাইডব্যাগ নিয়ে চলতে খুবই অস্বস্তিবোধ করতেন লাইজু। বড় বোনের কাছে বায়নাও ধরেছিলেন ব্যাগ না নেয়ার জন্য। কিন্তু ব্যাগ না নিলে কিছু ব্যক্তিগত জিনিস নিজের কাছে রাখা ছাড়াও না খেয়ে থাকতে হবে বলে ব্যাগ নেয়ার অভ্যাসটা হয়ে যায়।

লাইজু জানান, ১৩ বছর বয়সে লম্বা সময়ের পরিশ্রম করতে অনেক কষ্ট হতো তার। দুই চারদিন পরপরই অসুস্থ হয়ে পড়তেন তিনি। ঠিকমত কাজে যেতে পারতেন না বলে প্রথমদিকে অনেক বেতন কাটা হত। তবে নিজের কষ্টের কথা কখনো বাবা মায়ের কাছে বলতেন না লাইজু।

নতুন পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। কঠিন পরিশ্রম, শারীরিক অসুস্থতার পরও বাড়ি ফিরে যেতে চাননি তিনি। প্রায় এক বছর সময় লেগেছে শরীরকে মানিয়ে নিয়ে নিয়মিত কাজ করতে। এই সময়ের মধ্যে বেশ ভালোই কাজ শিখেছেন লাইজু। ঢাকায় আসার এক বছরের মধ্যে বড় বোনের বিয়ে হয়। এরপর নতুন দায়িত্ব চলে আসে লাইজুর কাঁধে। এই সময়ের মধ্যেই অনেক কিছু বুঝতে শুরু করেন তিনি। চিন্তাভাবনারও পরিবর্তন এসেছে অনেক। কাঁঠালবাগানে নতুন বাসায় ওঠেন। একরুমে পাঁচজন থাকেন।

প্রতিমাসে থাকা খাওয়া মিলিয়ে গুনতে হয় দুই হাজার পাঁচশ টাকা। নিজের আনুষঙ্গিক খরচ বাদ দিয়ে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মতো প্রতিমাসে বাড়ি পাঠান। প্রতিনিয়ত জিনিসপত্রের দাম বাড়ার কারণে একটু হিমশিম খেতে হয় তাকে। বেতন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লাইজুর জীবনে নানারকম পরিবর্তনও এসেছে। এবসেন্ট আর বকাঝকা নিয়মিত সঙ্গী লাইজুদের। তবে অফিসে যেতে আসতে বখাটে ছেলেদের কাছ থেকে অনেক কটু কথা শুনতে হয় তাদের।

ভয়ের কারণে কখনো একা অফিসে আসা যাওয়া করেন না লাইজু। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে বাবা মায়ের বড় ছেলে ভাবতে শুরু করেন। বাবা-মা ও পরিবারের ছোট বড় সব সিদ্ধান্তে পরামর্শ নেন লাইজুর কাছে। লাইজু আত্মনির্ভরশীল হয়েছেন এটা খুব ভালোভাবেই টের পাচ্ছেন তিনি। কেনাকাটা করেন নিজের পছন্দ মতো। নিজের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কাওরানবাজার থেকেই নেন।

এখন তিনি গার্মেন্টে যাই এটা বলেন না। অফিস বলেই সম্বোধন করেন। মাঝে মধ্যেই ছুটির দিনে রুমের অন্য মেয়েদের সঙ্গে ঘুরতে যান। বেশিরভাগ সময় যাওয়া হয় হাতিরঝিল, ধানমন্ডি লেক ও জিয়া উদ্যানে। ছবি তোলার খুব সখ তার। টাকা জমিয়ে খুব শিগগিরই একটা টাচ মোবাইল ফোন কিনবেন লাইজু।

বছরে দুবার ঈদের ছুটিতে বাড়ি যান তিনি। বাড়িতে লাইজুর যত্ন হয় অন্যরকম। সকালে কেউ ঘুম ভাঙায় না। এমনকি ঘরের কোনো কাজও করতে দেয় না। প্রতিদিনই খাবার তালিকা ভালো থাকে। গ্রামে লাইজুর সমবয়সী অবিবাহিত কোনো মেয়ে নেই। এমনকি তার ছোটরাও সংসার করছে। তবে লাইজুর সঙ্গে দেখা হলেই তারা সতর্ক করে দেয় এত তাড়াতাড়ি যেন বিয়ে না করে। এভাবেই ভালো আছে।

পরিবারের পাশাপাশি নিজের জন্যও কিছু করতে হবে এটাও মাথায় আছে লাইজুর। তার ভাষায়, নিজের রোজগারের টাকায় কেনা সবকিছুই পরে শান্তি পাই। কারো কাছে জবাবদিহি করতে হয় না। ছোট ভাইবোনের পড়ালেখা কিংবা ছোট ছোট আবদার সবই আসে লাইজুর কাছে। নিজে লেখাপড়া করেননি। তাই সাধ্যমতো চেষ্টা করছেন ছোট ভাইবোনদের লেখাপড়া শিখাতে। লাইজুর ছোটবেলায় যে অভাব অনটনের মধ্যে বড় হয়েছেন সেটা যেন অন্যরা না দেখেন সেই চেষ্টা চলে অবিরাম। স্বাবলম্বী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে লাইজুর। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নিজের পছন্দ করা ছেলেকেই বিয়ে করবেন। তাই বলে বাবা মায়ের ইচ্ছেটাকে প্রধান্য দেবেন না সেটা নয়।

তবে যে মানুষটাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেবেন সে যেন অনেক টাকার মালিক না হলেও ভালো মনের মানুষ হন সেদিকটাই প্রাধান্য দেবেন তিনি। এরই মধ্যে নোয়াখালীর এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন তিনি। আর একথা মাকে জানিয়েছেন লাইজু। তবে মেয়ের সম্পর্কের কথা শুনে সাবধান করে দিলেন তিনি। ঢাকার ছেলেরা ভালো না- সেই চিন্তা থেকেই কারো সঙ্গে যেন কোনো সম্পর্কে না জড়াই সেই সতর্কতা দিতে ভোলেননি মা। যদিও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেননি লাইজু। কারণ, এখনো অনেক দায়িত্ব আছে তার। লাইজুর বয়স এখন ১৭। বিয়ের চিন্তাটা আরো দুই বছর পরই করবেন।

শুধু লাইজু নয়। বাংলাদেশে পোশাক কারখানায় কর্মরত প্রায় ৩০ লক্ষ নারীর জীবনের গল্পই এমন। নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থা এবং জীবনমান উন্নয়নের জন্যই রাতদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করেন তারা। সেই সঙ্গে দেশের অর্থনীতির একটি বড় অংশই আসে তাদের হাড়ভাঙা পরিশ্রম থেকে।

কালিয়া থেকে রেনুকা বেগম ঢাকায় এসেছেন গার্মেন্টে কাজ করার উদ্দেশ্যে। তবে শখের বশে নয়। পরিস্থিতির শিকার হয়েই এসেছেন। আট বছর স্বামীর সংসারে সন্তান নিয়ে বেশ সুখেই ছিলেন তিনি। রেনুকার স্বামী কৃষিকাজ করার পাশাপাশি বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পাইকারি ব্যবসাও করতেন। প্রতিবছর এক থেকে দেড়শ’ মণ ধান ঘরে উঠতো। নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো থাকায় আত্মীয়স্বজনরাও খুব কদর করতেন।

এক বছর হলো বিভিন্নভাবে ব্যবসায় লস হয়ে ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা দেনা হয়ে পড়েন রেনুকার স্বামী। ঋণের টাকা পরিশোধ করার জন্য নিজেদের কিছু ফসলি জমি বিক্রি করে দেন। কিন্তু কোনোভাবেই ঘুরে দাঁড়াতে পারছিলেন না। এরই মধ্যে আত্মীয়স্বজনরাও দূরে চলে যান। দুই সন্তানসহ পরিবারের খরচ মেটাতে রীতিমতো হিমশিমে পড়েন রেনুকার স্বামী। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেন ঢাকায় আসার। প্রথমে রেনুকার স্বামী এসে ফার্মগেটে একটি পোশাক কারখানায় সিকিউরিটি গার্ডের কাজ শুরু করেন। কিন্তু প্রতিমাসে মানুষের পাওনা টাকা পরিশোধ করতে হয় বলে স্বামীর বেতনের টাকায় কুলিয়ে উঠতে পারছিলেন না রেনুকা।

সিদ্ধান্ত নেন রেনুকাও কাজ করবেন। যেমন চিন্তা তেমন কাজ। পাঁচ মাসের সন্তানকে নিয়ে ঢাকার গাবতলীতে এক রুমের টিনশেডের ঘরে উঠেন তারা। চাকরি ঠিক হয় স্বামী যে বিল্ডিংয়ে সিকিউরিটির কাজ করেন সেখানের একটি গার্মেন্টে। কোনো অভিজ্ঞতা না থাকায় হেল্পার হিসেবে চার হাজার দুইশ টাকা বেতনে কাজ শুরু করেন। তবে রেনুকার জন্য এই কাজ একেবারেই সহজ ছিল না। সকাল আটটায় কাজ শুরু হওয়ায় ভোর ছয়টার পরই গাবতলী থেকে রওনা হতেন স্বামী স্ত্রী দুইজন। কাজ শেষ করে বাসায় ফিরতে রাত দশটা বাজে। তবে রেনুকার দিন শুরু হয় ভোর চারটা থেকেই। একটু দেরি হলেই রান্নাঘরে সিরিয়াল পাওয়া যাবে না।

১২ থেকে ১৩ পরিবারের জন্য মাত্র একটা চুলা। এছাড়াও ছোট্ট শিশুকে নিয়েও দুশ্চিন্তায় থাকতে হতো সারা দিন। অবশেষে বাধ্য হয়ে ছোট্ট শিশুটিকে রেখে এসেছেন শাশুড়ির কাছে। রেনুকা জানান, প্রতিমাসে স্বামী-স্ত্রী দুজন মিলে প্রায় দশ হাজার টাকা আয় করেন। কিন্তু কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। বাস ভাড়াই গুনতে হয় ১৫শ টাকা। বাসা ভাড়া ও খাওয়ার টাকা বাদ দিয়ে অল্প কিছু টাকা দুই সন্তানের খরচের জন্য পাঠাতে পারেন। রেনুকা জানান, গ্রামে কখনো মাছ তরকারি কিনতে হয়নি। কিন্তু ঢাকায় এসে প্রতিদিনের বাজারের জন্য ব্যয় হয় অনেক টাকা। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের কোনোটাই কম দামে পাওয়া যায় না। রেনুকা বেগমের চেহারায় চিন্তার ছাপ। নিজেদের কষ্টের কথা বলার সময় চোখে জল টলমল করছিল। আগের দিনগুলো ফিরে পাওয়ার চেষ্টায় রাতদিন পরিশ্রম করছেন স্বামী-স্ত্রী দুজন। আর প্রহর গুনছেন চিন্তার এই অথৈ সাগর থেকে মুক্তির।

খালেদা আক্তার তেজতুরী বাজারের পাশে একটি বাসায় মায়ের সঙ্গে থাকেন। মা মেয়ে দুজনই আলাদা গার্মেন্টে কাজ করেন। খালেদা এসেছেন লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থেকে। ছোট বয়সেই বাবা মারা যাওয়ায় দাদুর বাড়িতে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে ঝামেলা শুরু হয়। শুধু তাই নয়, চার সন্তানের ভরণপোষণ নিয়ে অনেক বিপদে পড়েন খালেদার মা রাবেয়া বেগম। অভাব অনটনের কারণে শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে মায়ের সঙ্গে চলে আসেন নানুর বাড়িতে। তবে খালেদার মা বসে ছিলেন না। চার সন্তানকে রেখে চলে আসেন ঢাকায়। কাজ শুরু করেন গার্মেন্টে।

খালেদা জানান, বাবা মারা যাওয়ার পর সংসারে অভাব শুরু হয়। আমাদের সবাইকে খাওয়ানোর মতো এতো টাকা নানুদের নেই। পড়ালেখায় ভালোই ছিলেন খালেদা। কিন্তু শুধু মায়ের আয় দিয়ে এতো খরচ সম্ভব ছিল না। শেষ পর্যন্ত এক বছর আগে মায়ের সঙ্গে ঢাকায় চলে আসেন। কাজ শুরু করেন তেজগাঁওয়ে একটি গার্মেন্টে। প্রতিমাসে প্রায় ১৫ হাজার টাকা আয় করেন তারা। মা মেয়ের আয় দিয়ে চলছে সংসার। নিজের পড়ালেখা শেষ করতে পারেননি। খালেদার স্বপ্ন ছোট দুই ভাইবোনকে লেখাপড়া শেখাবে। সেই সঙ্গে গ্রামে কিছু জায়গা কিনে নিজেদের একটি স্থায়ী ঠিকানা তৈরি করবে। সেজন্য অনেক পরিশ্রম করতে হবে বলে তিনি জানেন। তারপরও স্বপ্ন পূরণের জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ খালেদা।

বিজিএমইএ’র তথ্যমতে, বাংলাদেশে প্রায় ৪০ লক্ষ পোশাক শ্রমিক কাজ করছেন। এদের মধ্যে ৩০ লক্ষই নারী। স্বল্প বেতন, নানা বঞ্চনা আর দুঃখী জীবন তাদের। তবুও মুখে তাদের হাসি।

গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সভাপতি মোশরেফা মিশু বলেন, দেশের অর্থনীতির একটি বড় অংশ আসে পোশাক খাত থেকে। কিন্তু পোশাক শ্রমিকরা সব ধরনের সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। সরকার কর্তৃক বেতন ধার্য করে দিলেও কারখানাগুলো সেটা মানছে না। তিনি বলেন, পোশাক শ্রমিকরা প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা কাজ করেন। দীর্ঘদিন থেকেই কর্মঘণ্টা আট ঘণ্টায় আনার জন্য আন্দোলন করেও পরিবর্তন করা সম্ভব হয়নি। মিশু বলেন, বাংলাদেশ পোশাক কারখানা আইন অনুযায়ী অতিরিক্ত কর্মঘণ্টার জন্য বেসিক বেতনের দ্বিগুণ পারিশ্রমিক দেয়ার নিয়ম থাকলেও শ্রমিকরা সমপরিমাণও পায় না। শুধু তাই নয়, মাসে ৯০ ঘণ্টা অতিরিক্ত কাজ করলেও বিভিন্ন অজুহাতে ৩০ ঘণ্টা বাদ দেয়া হয়। মিশু বলেন, নির্বাচনের সময় সরকার বলেছে পোশাক শ্রমিকদের জন্য কারখানার পাশেই আবাসন ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু এখন দেখছি সব শুধু নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হয়ে গেছে। বাস্তবায়নের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। সরকার নারীর জীবনের নিরাপত্তার কথা ভাবছে না।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: