সর্বশেষ আপডেট : ৪৭ মিনিট ৪০ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বেকারদের বেতনের দাবিতে সুইজারল্যান্ডে গণভোট

10_115345নিউজ ডেস্ক : সবার জন্য বেতনের দাবিতে আজ রবিবার সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট। অর্থাৎ চাকরিজীবী হোক কিংবা বেকার, মাস শেষে নিশ্চয়তা থাকবে বেতনের। মাস শেষে আড়াই হাজার সুইস ফ্রাঁ- এই পরিমাণ বেতন সকলেই পাবে, এমন দাবিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট।

এই গণভোটের পক্ষে জুরিখে চলেছে ব্যাপক প্রচারণা। জুরিখে এজন্য রোবট র‌্যালিও হয়েছে। কার্ডবোর্ড দিয়ে রোবটের আকারে পোশাক বানিয়ে গায়ে চড়িয়ে নিয়ে মিউজিকের তালে তালে রাস্তায় নেচে গেয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চলেছে। ‘বেসিক ইনকাম’ নামে একটি সুইস ক্যাম্পেইন গ্রুপ গত কিছুদিন ধরেই এরকম নানা অভিনব কায়দায় প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। কিছুদিন আগে এক বিশাল মাঠের সমান পোস্টার বানিয়ে লাগানো হয়েছিল জেনিভাতে। পোস্টারে লেখা ছিল “কেউ যদি আপনার আয়ের দায়িত্ব নিয়ে নেয় তাহলে আপনি কি করবেন?” এই ক্যাম্পেইনের দাবি সবার জন্য রাষ্ট্রের কাছে বেতনের নিশ্চয়তা।

এমন দাবি প্রসঙ্গে ক্যাম্পেইনের একজন চে ওয়াগনার বলেন, “আমরা ন্যূনতম বেতন চালু করতে চাই। কারণ সুইজারল্যান্ডে সকল কাজের ৫০ ভাগের বেশিই বেতনবিহীন কাজ। যেমন ধরুন বাড়িতে যে সব সেবামূলক কাজ হচ্ছে। এখন যদি একটি ন্যূনতম বেতন থাকে তাহলে সে ধরনের কাজের একটি মূল্য তৈরি হবে”। সেই মূল্য পাবেন যেকোন সুইস নাগরিক। চাকুরীজীবি অথবা বেকার যাই হোন না কেন, মাসে আড়াই হাজার সুইস ফ্রাঁ অর্থাৎ আড়াই হাজার ডলারের সামান্য বেশি অর্থ পাবেন। যা দেবে রাষ্ট্র।

আজকের গনভোটে যদি দাবি পাশ হয় তবে সুইজারল্যান্ড হবে বিশ্বের প্রথম দেশ যারা এমন দাবিতে গণভোট করল এবং এমন একটি আইনও পাশ করল।

কিন্তু সুইস রাজনীতিবিদদের প্রায় কেউই এমন দাবি সমর্থন করছেন না। সুইস পিপলস পার্টির নেতা লুৎসি স্টাম এই গণভোটের বিপক্ষে বলেন, “আমার মূল সমালোচনা খুব সহজ। এখন যেহেতু আমরা মুক্ত সীমান্ত নীতিমালা অনুসরণ করি। এরকম মুক্ত সীমান্ত থাকলে বিষয়টি একেবারেই অসম্ভব। বিশেষ করে সুইজারল্যান্ডের মতো দেশ যেখানে এত উঁচু জীবনযাত্রার মান। ধরুন সবাইকে যদি এরকম অর্থ আপনি দেন তাহলে আশেপাশের সব দেশের লোকজন এখানে বসবাস করতে চলে আসবে”।

ধনী দেশ সুইজারল্যান্ড চাইলেই তার নাগরিকদের এমন বেতন দিতে পারে। কিন্তু শেনগেন সীমানাভুক্ত বাকি ২৭টি ইউরোপীয় দেশের সবাই এতো ভাগ্যবান নয়। এমন একটি রাষ্ট্র প্রদত্ত বেতনের আশায় তারাও যদি সুইজারল্যান্ডে চলে আসেন তাহলে কি হবে? সেটা সুইস রাজনীতিবিদদের দুঃশ্চিন্তার বিষয়।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: