সর্বশেষ আপডেট : ৯ মিনিট ২৪ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ চৈত্র ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘ভাবি মাফ করে দিয়েন’

15নিউজ ডেস্ক :: পুলিশ সুপার বাবুল আকতারের মতো তার স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুও ছিলেন বেশ মিশুক একজন মানুষ। পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী হিসেবে ছিল না কোনো অহংকার। সেসব ভুলে মিতু যেনো ছিলেন পাশের বাড়ির সেই মানুষটা।

দূর্বৃত্তদের হাতে রোববার সকালে তার চলে যাওয়ার পর জিইসি মোড়ের ইকুইটি সেন্ট্রিয়াম ভবনের ‘সেভেন ডি’ অ্যাপার্টমেন্টে জড়ো হওয়া মানুষদের মুখে মুখে চলছে এই কথা।

মারা যাওয়া আত্মীয়দের মাগফেরাত কামনা ও শুভ কামনায় প্রায় সময়ই বাসায় মিলাদের আয়োজন করতেন মাহমুদা খানম মিতু। সেখানে দাওয়াত দিতেন তার পরিচিতজনদের।

এই তো শুক্রবার (৩ জুন) এক আত্মীয়ের মাগফেরাত কামনায় বাসায় মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছিলেন তিনি।

একই ভবনে দীর্ঘদিন থাকতে গিয়ে মিতুর সঙ্গে বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছিল পাশের অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দা আফরোজা ও সোমার সঙ্গে। অন্য পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীদের সঙ্গে তারাও ছিলেন সেই মাহফিলে।

আফরোজা ও সোমা বলেন, ‘মিলাদের এক পর্যায়ে মিতু ভাবি আমাদের বলতে থাকেন, ‘‘এখন তো অল্প বয়সে সবাই মারা যাচ্ছে। আমিও হয়তো চলে যাবো। কোনো ভুল করলে ভাবি আমাকে ক্ষমা করে দিয়েন, মাফ করে দিয়েন।এরপর সবার সঙ্গে কোলাকুলি করলেন তিনি।’

তারা আরও বলেন ‘মিতু ভাবির মুখে এই কথা শোনার পর আমরা ওনার সঙ্গে দুষ্টুমি করলাম। হাসাহাসি করলাম। বললাম মিতু ভাবিকে এত তাড়াতাড়ি যেতে দেব না আমরা। কিন্তু আজ সত্যি সত্যিই চলে গেল মানুষটা। এভাবে মানুষ বিদায় নেবে।’

বলতে বলতে দুজনের চোখ বুজে আসে কান্নায়।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: