সর্বশেষ আপডেট : ৪১ মিনিট ১৩ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আমার চেয়ে বড় আ’লীগার হতে যাবেন না, বললেন ওবায়দুল কাদের

full_925062817_1465047584নিউজ ডেস্ক::
সাহারা বাস ডিপো চত্বরে শনিবার সকাল সাড়ে এগারটায় উপস্থিত হবেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সভায় আসা মাত্রই স্লোগান দিয়ে আ’লীগের এ মন্ত্রীকে খুশি করাই ছিল বিআরটিসি’র নেতা-কর্মচারীদের লক্ষ্য।

শুধু তাই নয় মন্ত্রী আসার আগে কয়েক দফা স্লোগান চর্চা করতে থাকেন বিআরটিসি’র কয়েকশ’ শ্রমিক-কর্মকর্তা-কর্মচারী।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মন্ত্রী এসে পৌঁছামাত্রই উচ্চস্বরের স্লোগানে ‘প্রকম্পিত’ হতে থাকে সাহারা চত্বর। মন্ত্রী হাত বাড়িয়ে স্লোগান থামিয়ে দিলেন। কিন্তু আপাতত কিছু বললেন না।

কারণ ঘটনাতো হিতে বিপরীত। মন্ত্রীকে কি খুশি করবে উল্টো মন্ত্রীর মুখে গালমন্দ শুনতে হল রাষ্ট্রায়ত্ত্ব প্রতিষ্ঠান বিআরটিসি’র স্লোগানধারী নেতা-কর্মচারীদের।

এরপর সভায় হঠাৎই বলে উঠলেন, ‘এটা কি আমার দলীয় সভা না বিআরটিসি’র’? উত্তরে কেউ কিছু না বলায় মন্ত্রী পেছনে টানানো ব্যানারের দিকে তাকালেন। দেখলেন, সভার আয়োজক সরকারি পরিবহন সেবা প্রতিষ্ঠান ‘বিআরটিসি’।

মন্ত্রী তখন বলেন, ‘আমি তো এসে মনে করলাম, এটা দলীয় সভা’।

এরপর ক্ষুব্ধ মন্ত্রী সবার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সরকারের আড়াই বছর পার হয়ে গেছে’। এখন জনগণ স্লোগান আর প্রতিশ্রুতি নয়, কাজ দেখতে চায়। এখন ‘ডেলিভারির’ সময়। ‘আমি আওয়ামী লীগ করি’। কিন্তু আপনারা আমার চেয়ে বড় আওয়ামী লীগার হতে যাবেন না। দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য হতে পারি। কিন্তু এখানে এসেছি মন্ত্রী হয়ে, প্রেসিডিয়াম সদস্য হয়ে নয়।

এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘ভাষণ আর স্লোগানে প্রকম্পিত করে সমস্যার সমাধান হয় না’। দল আর সরকার আলাদা রাখতে হবে।

মঞ্চে তার পাশেই বসা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিআরটিসি’র চেয়ারম্যানকে দেখিয়ে মন্ত্রী বলেন, স্লোগান দিয়ে বাতাস গরম করার কি দরকার? ‘আমি ছাড়া মঞ্চে বসা এই দু’জনকে দেখলেই তো বুঝতে পারতেন। কারণ তারা তো কোনো দল করেন না’।

বিআরটিসি’র যারা শ্রমিকলীগ করেন তারা দলীয় মিটিং ডাকলেই পারেন। সেখানে মনের মাধুরি মিশিয়ে স্লোগান-বক্তৃতা দেন, কোন অসুবিধা নেই। আমাকে বললে আমিও যাবো প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে।

কথায় কথা এসে গেছে জানিয়ে মন্ত্রী নিজ দলের এমপি ও নেতাকর্মীদের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘নির্বাচনটা শেষ হোক’। কিছু নেতা-কর্মীকে খারাপ পরিণতির জন্য অপেক্ষা করতে হবে। অনেক এমপিও পরবর্তী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন না। ‘সরকারের শেষ দিকে দলের কিছু কিছু নেতা বেপরোয়া হয়ে পড়েছেন দাবি করে তিনি এসব কথা বলেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: