সর্বশেষ আপডেট : ১৩ মিনিট ২০ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

টেস্ট নিয়ে আইসিসির পরিকল্পনায় বিপাকে বাংলাদেশ?

32নিউজ ডেস্ক :: তিন মোড়লের ক্ষমতা অনেকটা শেষ। কিন্তু এখন আইসিসিই যেন সৈরশাসকের ভূমিকা পালন করতেছে। এবার নিজেদের অায় বাড়ানোর জন্য টেস্ট ক্রিকেটকে দুই স্তরে ভাগ করে ফেলতে চায় ক্রিকেটের এ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।

আর সেটি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশের মতো র‍্যাঙ্কিংয়ের নিচু সারির দলগুলোকে খেলতে হবে নিচু সারির দলগুলোর সঙ্গে। এদিকে আইসিসির কথায় ২০১৯ সাল থেকেই এই দ্বিস্তরের টেস্ট চালু হতে পারে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

টেস্ট ক্রিকেট থেকে আইসিসির আয় কমে যাচ্ছে। টেস্ট ক্রিকেট দর্শকও হারাচ্ছে, সেটা মাঠে তো বটেই, টিভিতেও। ক্রিকেটের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাদী ও অভিজাত এই লড়াইয়ের আকর্ষণ ধরে রাখতে অনেক দিন ধরেই ভাবছে আইসিসি। এই পরিকল্পনাতেই এসেছে দুই স্তরের ভাবনা। এতে করে ‘রেলিগেশন’ ও ‘প্রমোশন’ ব্যবস্থা থাকবে।

বর্তমানে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শেষ তিনটি দল হলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। তাহলে আইসিসি যদি দ্বিস্তরের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে সেক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলগুলোর বিপক্ষে টেস্ট খেলার সুযোগ থাকবে না বাংলাদেশের।

আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন বলেছেন, ‘আশা করি, আমরা এ বছরের শেষের দিকে সিদ্ধান্ত নিতে পারব কাঠামো কী হবে’। আপনি যদি সত্যিকারের একটা টেস্ট চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ করতে চান, তাহলে আপনাকে এমন একটা প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করতে হবে, যেখানে প্রতিটি দল সমান সুযোগ পায়। এর মানে হলো সমানসংখ্যক ম্যাচ, হোম আর অ্যাওয়েতেও, যাতে করে লিগ শেষে আপনি ঠিক করতে পারেন, কার মাথায় উঠবে চ্যাম্পিয়নের মুকুট।

এখন যেসব সফর ও সম্প্রচার চুক্তি আছে, তাতে করে আমরা ২০১৯ সালের দিকে এটি শুরুর চিন্তা করতে পারি।
ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমান ১০টি টেস্ট দলকে সাত-তিন—এই দুই ভাগে ভাগ করা হবে। র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ সাতটি দল প্রথম স্তরে পরস্পরের সঙ্গে খেলবে। র‍্যাঙ্কিংয়ের শেষ তিনটি দল খেলবে দ্বিতীয় স্তরে, যেখানে তাদের সঙ্গে যুক্ত হবে হবে ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপের দুই ফাইনালিস্ট। ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে আয়ারল্যান্ড-আফগানিস্তানের মতো আইসিসির সহযোগী দেশগুলো প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলে।

বর্তমানে একটা নির্দিষ্ট সময়ে আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা দলকেই টেস্ট চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়। দেওয়া হয় সেই গদার মতো দেখতে ট্রফিটা, সঙ্গে বিপুল অঙ্কের প্রাইজমানি। কিন্তু এখনকার পদ্ধতির সমস্যা হলো, এখানে প্রতিটি দল সমান সুযোগ পায় না। সমতাপূর্ণ হোম-অ্যাওয়ে সিরিজও আয়োজন হয় না। যেমন বাংলাদেশের সঙ্গে নিজেদের মাটিতে টেস্ট সিরিজে খেলতে ভারত একদমই আগ্রহী নয় এখন পর্যন্ত। যদি না ব্যবসায়িক বা আর্থিক দিক দিয়ে এই দুই দলের দ্বিপাক্ষিক সিরিজের চিত্রটা বদলায়।

নির্দিষ্ট সময় পর প্রথম স্তরে থাকা শীর্ষ দল হবে চ্যাম্পিয়ন আর সাত নম্বর দল নেমে যাবে দ্বিতীয় স্তরে। আর দ্বিতীয় স্তরের শীর্ষ দল উঠে আসবে প্রথম স্তরে। দুই বছর ধরে পুরো একটি লিগ চলবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: