সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৬ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

৩ কেজি কমেছে মুস্তাফিজের ওজন, বাবার আক্ষেপ

full_487306182_1464786123খেলাধুলা ডেস্ক: প্রায় দুই মাস পর গতকাল রাত ১১টার দিকে মুস্তাফিজ সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়ায় নিজের গ্রামের বাড়ি ফিরেছেন। বাবা আবুল কাসেম বললেন, ও অনেকটা রোগা হয়ে গেছে। ওজনও ৩ কেজি কমে গেছে। বিদেশে গিয়ে দেশের খাবার খেতে না পেরে স্বাস্থ্যের এ দশা হয়েছে।

সামনে রোজা তাই ব্যস্ত সময় পার করছেন মুস্তাফিজের বাবা। প্রথম রোজার দিন এলাকার আট মসজিদে ইফতারি দিতে হবে। বাবার চাওয়া, প্রথম রোজায় মুস্তাফিজ বাড়িতে থাকুক। গত বছর ঈদে মুস্তাফিজ বাড়িতে থাকতে পারেননি। এবার সবাই মিলে বাড়িতে ঈদের আনন্দ করতে চান তিনি।

আজ বেলা পৌনে ১১টার দিকে ঘর থেকে বের হলেন মুস্তাফিজ। এরপর সংবাদমাধ্যমকে মুস্তাফিজ বললেন, দেশে থাকলে মায়ের কাছে বারবার ফিরতে ইচ্ছা করে। আর বিদেশে থাকলে দেশে ফিরতে ইচ্ছা করে। প্রথম রোজা পর্যন্ত বাড়িতে থাকতে চান উল্লেখ করে বললেন, ‘বিসিবির ওপর সব নির্ভর করছে’। কখন, কোথায় থাকব সেটি এখনো জানা নেই।

মুস্তাফিজ জানান, সকালে মুস্তাফিজের পছন্দ ভাত আর আলু ভর্তা। অন্য তরকারিও থাকতে পারে। তবে তার সবচেয়ে প্রিয় খাবার, মায়ের হাতের খিচুড়ি ও দেশি মুরগির মাংস।

ভারতে আইপিএল ভালো কেটেছে জানিয়ে মুস্তাফিজ জানালেন, তার জন্য বিদেশিরা বাংলা ভাষা শিখেছে। এটি খুব ভালো লেগেছে। ভাষা তার খুব সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়নি। আকার-ইঙ্গিতে কথা বলেছেন।

মুস্তাফিজের মা মাহমুদা খাতুন বললেন, পিঠা ওর খুব প্রিয়। ট্যাংরা মাছ আর বেগুনও খুব প্রিয়। খিচুড়ি আর দেশি মুরগির মাংস তো আছেই। তবে এবার ছেলেটা খুব কাহিল হয়ে গেছে। এর আগে দীর্ঘদিন বাড়ির বাইরে থাকেনি তো! বাড়ি এলে তো ভালো লাগে, ছোট ছেলে—বলেই জড়িয়ে ধরলেন মুস্তাফিজকে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: