সর্বশেষ আপডেট : ৩ মিনিট ২২ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

দোয়ারাবাজারে ঋণ উত্তোলনে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ

1. daily sylhet 0-42তাজুল ইসলাম, দোয়ারাবাজার::
দোয়ারাবাজারে ঋণ দেয়ার নামে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। রোববার ঋণের আবেদন করতে গেলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে ২লাখ টাকার লোন উত্তোলনে ১০ হাজার টাকা এবং ১ লাখ টাকার ঋণ উত্তোলনে ৫ হাজার টাকা করে তাদের কাছে উৎকোচ দাবি করেন। ভুক্তভোগী অনেক মুক্তিযোদ্ধা এমন অভিযোগ করেছেন। এসব হয়রানিতে অনেক মুক্তিযোদ্ধা তাদের ফাইলপত্র ফেরত নিতে বাধ্য হয়েছেন ।
ঘটনা সুত্রে জানা যায়, অনেকেই উৎকোচের শর্তে আবেদনের পর চাহিদা মতো ঋণ বরাদ্দ হলেও ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাহিদা মতো উৎকোচ না দেয়ায় বঞ্চিত হয়েছেন অনেক মুক্তিযোদ্ধা। বঞ্চিত ও হয়রানির শিকার মুক্তিযোদ্ধারা এ নিয়ে মুখ খুললেও সেলামির বিনিময়ে ঋণপ্রাপ্তরা মুখ খুলতে রাজি নন।
উল্লেখ্য, মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এ উপজেলায় তিন কোটি টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। সোনালী ব্যাংকের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টালবাহানার মারপ্যাঁচে উৎকোচ আদায়ের কারণে এখন ফুঁসে উঠেছেন অনেক মুক্তিযোদ্ধা।

বাংলাবাজার ইউনিয়নের পালইছড়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম জানান, তিনি ২লাখ টাকার ঋণের আবেদন করেছেন। কিন্ত ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নানা অজুহাত ও টালবাহান করে ঋণ দেয়া যাবেনা বললে তিনি তার ফাইলপত্র ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন। অথচ উৎকোচের বিনিময়ে যারা ১লাখ টাকার ঋণের আবেদনকারীদের অনেকে ২লাখ টাকা করে পেয়েছেন।

উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের লাস্তবেরগাঁও নিবাসী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুছ সাত্তার জানান, ২ লাখ টাকায় ১০ হাজার টাকা ও ১লাখ টাকায় ৫ হাজার টাকা উৎকোচ দাবি করেন ব্যাংক কর্মকর্তা- কর্মচারীরা। অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে এভাবেই আদায় করে ঋণ দেয়া হচ্ছে। চাহিদা মতো উৎকোচ না দেয়ায় নানা টালবাহানা করছেন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমি তাদের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে নালিশ করবো।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সফর আলী জানান, একাধিক ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধারা আমার কাছে অভিযোগ করেছেন। অনেকের কাছ থেকে উৎকোচ আদায় করে লোন দিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। রাষ্ট্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে এমন আচরণ করা উচিত হয়নি। এ সংক্রান্ত অভিযোগের রেকর্ড আমার কাছে রক্ষিত আছে। আমি বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনওকে অবহিত করেছি।

তবে স্থানীয় সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার দেবল চন্দ্র তালুকদার বলেছেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে উৎকোচ আদায়ের অভিযোগটি সত্য নয়। এমন অভিযোগকারী থাকলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন’।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: