সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নির্বাসিত খালামনির চোখে কিমের ছেলেবেলা

143490_1আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দেশ ছেড়েছেন প্রায় দু’দশক। তার পর থেকে মার্কিন মুলুকই ঠিকানা কো-ইয়ং-সাকের। যদিও এই দীর্ঘ সময় নিজের আসল নাম বা পরিচয় গোপন রাখতে হয়েছে এই প্রৌঢ়াকে। আমেরিকার মাটিতে বসে তাই বেনামেই ড্রাই ক্লিনিংয়ের ব্যবসা চালান উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উনের খালা কো-ইয়ং-সাক।

সুইজারল্যান্ডে পড়তে যাওয়া বাড়ির ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার দেখভাল করার জন্য পাঠানো হয় কো ইয়ং সাক এবং তার স্বামীকে।

এরপর তিনি স্বপক্ষ ত্যাগ করলে নিউইয়র্কে একটি বাড়ি কেনার ব্যবস্থা করে দেয় সিআইএ।

সম্প্রতি ওয়াশিংটন পোস্টকেব দেওয়া সাক্ষাৎকারে কো জানিয়েছেন ছোটবেলা থেকে খালার তত্ত্বাবধানে ছিলেন কিম। স্কুলে পড়াকালীনও খালার নজরদারিতেই থাকতেন উত্তর কোরিয়ার বর্তমান শাসক। খালাত ভাইয়েরাও ছিল পিঠাপিঠি।

নিজের ছেলের পাশাপাশি কিমেরও ডায়পার বদলে দিতেন খালা। নিউ ইয়র্ক সিটি থেকে কয়েক ঘণ্টার দূরত্বে নিজের বাড়িতে বসে কিমের ছেলেবেলার গল্প শোনাচ্ছিলেন কো।

‘ও যে খুব দুষ্টু ছিল তা নয়। তবে ছোটখাটো ব্যাপারেই খুব তাড়াতাড়ি রেগে যেত। একদমই ধৈর্য ছিল না।’

শত্রুপক্ষকে চোখ রাঙিয়ে এখন কথায় কথায় যুদ্ধের হুঙ্কার দিলেও ছোটবেলায় মায়ের সঙ্গে মোটে বিবাদে যেতেন না খুদে কিম। তার বদলে অন্য ফন্দি এঁটে নিজের জেদ মতো কাজ করতেন তিনি।

ব্যাপারটা কী রকম? স্মৃতি হাতড়ে খালা বলেন, ‘হয়তো পড়াশোনা না করে সারাদিন খেলার জন্য বকাবকি করলেন ওর মা। এর জবাবে মাকে পাল্টা একটি কথাও বলত না কিম। তার বদলে খাওয়াদাওয়া বন্ধ করে দিত।’

বোনপো’র সম্বন্ধে আরও একটি তথ্য দিয়েছেন খালা। কিমের জন্ম ১৯৮২ বা ৮৩-তে নয়। ১৯৮৪-তে জন্ম উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানের। একই বছরে জন্ম কো-এর ছেলেরও। বোন কো ইয়ং-হুই ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার নিজের ছেলের মতো করেই কিমের দেখভাল করেছেন কো।

‘জন্ম থেকে একসঙ্গে খেলাধুলো করেছে ওরা দু’জন’, বললেন কো। কিমের আগ্রহ ছিল বাস্কেটবলে। বাস্কেটবল প্রীতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে এক সময় পাশে বল নিয়ে ঘুমোতে যেত কিম।

উত্তর কোরিয়ার ভাগ্য যে তার হাতেই, তা কৈশোর না পেরোতে জেনে যান কিম। ১৯৯২ সালে তার অষ্টম জন্মদিনের দিনই এই বার্তা পৌঁছে যায় তার কাছে। সেই জন্মদিনে তিনি উপহার হিসাবে পান জেনারেলের পোশাক এবং সেনা নায়কের ব্রাস। ২০ বছর হল সেই বোনপোকে সামনাসামনি দেখেননি তিনি।

আমেরিকার বিরুদ্ধে তার শক্তির আস্ফালন কি সে দেশেই বসে টের পান কো? সদুত্তর মেলেনি এই প্রশ্নের। তবে উত্তর কোরিয়ার চির-শত্রু আমেরিকায় বসেই ১৯৯৮ সাল থেকে স্বামী-সন্তান নিয়ে দিব্যি সংসার করছেন কিমের খালার।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: