সর্বশেষ আপডেট : ১১ মিনিট ১৪ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মৃত্যুকে বরণ করেও বাঁচিয়ে দিলেন ৩ জনকে

full_618998455_1464586599নিউজ ডেস্ক: দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় কোনো ছাত্র-ছাত্রী ৮৬ শতাংশ নম্বর পেলে বাবা-মায়ের খুশির অন্ত থাকে না। কিন্তু কেজল পাণ্ডের বাবা-মার চোখে শুধুই পানি। মেয়ে জানতেই পারল না সে সিবিএসই পরীক্ষায় এতো ভালো ফল করেছে।

কারণ ফল বেরোনোর মাস খানেক আগেই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে সে। অকালে মেয়ে হারানোটা এখনো মেনে নিতে পারছেন না বাবা-মা। ভাই এখনো বিশ্বাস করে দিদি তাকে ছেড়ে চলে যায়নি। মেয়েকে চিরকালের মতো হারিয়েও তাকে অন্যভাবে বাঁচিয়ে রাখলেন কেজলের বাবা-মা।

১৬ বছরের কেজল সড়ক দুঘর্টনায় মৃত্যুকে আলিঙ্গন করলেও তিনজনকে জীবন দান করে গেলেন। তার দু’টি কিডনি ও যকৃৎ দান করেছেন তারা। যার মধ্যে রয়েছে মুমব্রার ১৪ বছরের এক বাচ্চাও।

খুব বেশিদিন নয় গত মাসে মোটরবাইকে করে মাকে নিয়ে বেরিয়েছিল কেজল। হঠাৎ পাশের একটা গাড়ি ওভারটেক করতে গিয়ে ধাক্কা মারে তার বাইকে। সঙ্গে সঙ্গেই রাস্তায় ছিটকে পড়ে যায় কেজল। আহত অবস্থায় দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয় তাকে।

চিকিৎসকরা জানান, মাথায় গুরুতর আঘাত লাগার ফলেই মৃত্যু হয় তার। জন্মদিনের ঠিক ১০ দিন আগেই এক ঝটকায় সব শেষ হয়ে গেল৷

থানের বাসিন্দা কেজলের বাবা শ্যামাকান্ত পাণ্ডে কাঁদতে কাঁদতে বললেন, ‘ও আর নেই বিশ্বাসই হচ্ছে না। কিডনি আর যকৃৎ দানের মধ্যে দিয়েই ও বেঁচে থাকবে। ওর রেজাল্ট দেখার মতো মনের অবস্থা আর নেই৷ কমার্স নিয়ে পড়ে চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হতে চেয়েছিল। ও যেটা বলত সেটাই করত৷ আমায় বলেছিল, জীবনে সফল হবে।’

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: