সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বড়লেখার শাহবাজপুর স্কুল ও কলেজের গভর্ণিং বডির নির্বাচনে অনিয়ম ও ভোট জালিয়াতির অভিযোগ

01.-daily-sylhet-Barlekha-news1বড়লেখা প্রতিনিধি::
মৌলভীবাজারের বড়লেখার শাহবাজপুর স্কুল এ- কলেজের গভর্ণিং বডির নির্বাচনে ত্রুটিপূর্ণ ভোটার তালিকায় ভোট জালিয়াতির মাধ্যমে পছন্দের প্রার্থীদের বিজয়ী করার অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী অভিভাবক সদস্য পদপ্রার্থী মহাদ আহমদ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সিলেট শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সীমান্তবর্তী শাহবাজপুর স্কুল এ- কলেজের গভর্ণিং বডির নির্বাচন গত ৩ মে অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সমীর কান্তি দেব। স্কুল ও কলেজ শাখায় দুইজন করে ৪ অভিভাবক সদস্য পদে মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। কলেজের অধ্যক্ষ পছন্দের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির আশ্রয় নেন। জাল ভোটের মহোৎসব চালাতে ভোটার তালিকায় গ্রামের কলাম রাখেননি। অনেক মৃত অভিভাবককে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেন তিনি। আবার অনেক শিক্ষার্থীর পিতা জীবিত থাকাবস্থায় মাকে অভিভাবক করেন। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম না থাকা সত্ত্বেও জুবের আহমদ নামের এক অভিভাবককে অবৈধভাবে প্রার্থী করে জাল ভোটের মাধ্যমে তাকে বিজয়ী করেন। আব্দুল মজিদ ও তরজ আলী নামক ভোটার প্রবাসে থাকলেও তাদের ভোটও কাস্ট করেন।

অভিভাবক সদস্য রতন কুমার ধর, জিল্লুর রহমান, আব্দুন নূর, রইছ আলী, আব্দুস সালাম, আব্দুস সামাদ প্রমুখ জানান, ভোট দিতে গিয়ে দেখি-আমাদের ভোট কে বা কারা দিয়ে গেছে। তারা অভিযোগ করেন, ভোটার তালিকায় নাম না থাকা সত্ত্বেও ভোটের দিন আব্দুদ দাইয়ান নামের এক অভিভাবককে অধ্যক্ষ ভোট দিতে দেন অথচ তালিকায় নাম থাকা ৪০-৫০ জন প্রকৃত ভোটারকে নানা অজুহাতে ভোট দিতে দেননি।

অভিভাবক সদস্য পদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মহাদ আহমদ জানান, গভর্ণিং বডির নির্বাচনে চরম অনিয়ম ও ভোট জালিয়াতির কারণে নির্বাচন বাতিলের দাবিতে তিনি সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। পছন্দের ব্যক্তিদের বিজয়ী করতে অধ্যক্ষ নজিরবিহীন অনিয়মের আশ্রয় নেন। নির্বাচন বাতিল না করলে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হবেন।

কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল বাছিত জানান, ভোটের আগে তালিকার ভুল-ত্রুটির বিষয়ে কোনো প্রার্থীই খোঁজ- খবর নেননি। নির্বাচনে হেরে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। তালিকায় ভোটারের গ্রামের উল্লেখ থাকার নিয়ম নেই। ছাত্রছাত্রীরা ক্লাসে ঠিকমতো আসে না। তাই ভর্তি রেকর্ড অনুযায়ী ভোটার করেছেন। এ ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তি ভোটার হলে তার কিছু করার নেই।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সমীর কান্তি দেব জানান, শিক্ষার্থীর ভর্তি রেকর্ড অনুযায়ী নয় (অভিভাবক মারা গেলে) হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী ভোটার (অভিভাবক) নির্ধারণের নিয়ম রয়েছে। তালিকায় ভোটারের গ্রামের কলাম উল্লেখ থাকলে জাল ভোটের সম্ভাবনা কম থাকে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: