সর্বশেষ আপডেট : ২১ মিনিট ৮ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১০ শ্রাবণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

৪৮ বছর পর দুই ভাইকে মেলালো ফেসবুক

143360_1নিউজ ডেস্ক: পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন ১১ বছর বয়সে। মাঝে সামান্য সময়ের জন্য পরিবারের সঙ্গে দেখা হলেও পরের মিলনের জন্য অপেক্ষা করতে হলো দীর্ঘ ৪৮ বছর! এখন তার বয়স ৭৬। সৌজন্যে ফেসবুক।

ফেরা যাক সেই ১৯৫১ সালে। যখন বর্তমানে পাকিস্তানের নাগরিক হামজার বয়স ছিল মাত্র ১১ বছর। কেরলে পরিবারের সঙ্গেই থাকতেন হামজা। এক দিন গবাদি পশুদের মাঠে চড়াতে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। আর বাড়ি ফেরেননি।

ঘুরে বেড়ানোর নেশা তাকে নিয়ে গিয়ে ফেলে পাকিস্তানের করাচিতে। সেখানেই টুকটাক কাজ করে পেট চালাতেন। কয়েকটা বছর এ ভাবেই কাটিয়ে দেন। কিন্তু কোনোভাবেই পরিবারের প্রতি পিছুটান থেকে মুক্তি মিলছিল না। সীমানা অতিক্রম করে ভারতে ফেরাটাও যে নেহাত সোজা নয়, বার বার তা টেরও পাচ্ছিলেন তিনি।

যখন তার ২৮ বছর বয়স, সে সময় এক দিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজস্থানের সীমান্ত পেরিয়ে চলে আসেন কেরলে, পরিবারের কাছে। কয়েক দিন সেখানে থেকেও ছিলেন। কিন্তু ফিরে আসতে হয় পাকিস্তানে। সেই শেষ দেখা পরিবারের সঙ্গে। আর যোগাযোগ করা যায়নি কাছের মানুষগুলোর সঙ্গে।

তার পরে কেটে গিয়েছে আরও ৪৮টা বছর। আশা যখন প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন, তখনই ফেসবুকের মাধ্যমে ফের যোগাযোগ। এ বারে অবশ্য চেষ্টা তার নয়। ফেসবুকে তার মেয়ের সঙ্গে দাদা মম্মিকুট্টিসের নাতির বন্ধুত্ব অনেক দিন ধরেই। সেখানে কথা প্রসঙ্গেই খোলসা হয় বিষয়টা। জানা যায়, তাদের বাবা এবং দাদু আদপে দুই ভাই।

ঠিক হয় দুই ভাইকে দেখা করানোর। আর হয়ও তাই। ৪৮ বছর স্মৃতি আঁকড়ে বেঁচে থাকার পর অবশেষে আবু ধাবিতে দেখা হল পরিবারের সঙ্গে। বর্তমানে আবু ধাবিতেই রয়েছে তার পরিবার।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা, দা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: