সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ৭ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বিরল ঘটনার জন্ম দিলেন কেকেআরের চিয়ারলিডাররা

15574_Cheerডেইলি সিলেট ডেস্ক::
১৯৯০ সালে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল। ইতালিতে শিরোপার লড়াইয়ে পশ্চিম জার্মানির কাছে ১-০ গোলে হেরে যায় আর্জেন্টিনা। দেশটির ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা মাঠে চোখের পনি ধরে রাখতে পারেননি। মাঠের মধ্যেই অঝোরে কাঁদেন। ম্যারাডোনার কান্নার সে ছবি এখনও হৃদয় ছুঁয়ে যায়। ২০১৪ সালে ব্রাজিল-বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার হারের পর প্রায় একই রকম চেহারা হয়ে গিয়েছিল লিওনেল মেসির।

১৯৯৬ সালের আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের হেরে যাওয়ার পর কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে টলমল চোখে বসে ছিলেন শচীন টেন্ডুলকার। আর ২০১২ সালে এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে বাংলাদেশ হেরে যাওয়ার পর মুশফিক-সাকিবদের চোখের পানি তো এখনও স্পষ্ট। দলের হারে খেলোয়াড়দের চোখে পানি দেখা গেছে অনেকবার। কিন্তু এবার ভারতীয় প্রিমিয়ার লীগে (আইপিএল) দেখা গেলো বিরল দৃশ্য।

নবম আসরের এলিমিনেটরে মুস্তাফিজুর রহমানের সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ২২ রানে হারে কলকাতা নাইট রাইডার্স। আইপিএল থেকে বিদায় নিয়ে নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর কেঁদেছেন কি-না বোঝা যায়নি। গম্ভীরের চিরগম্ভীর মুখখানা তখনও ছিল গম্ভীর। খেলোয়াড়দের চোখেমুখেও ছিল হতাশার ছাপ। কিন্তু দর্শকদের অবাক করে দিয়ে অঝোরে কাঁদলেন নাইট রাইডার্সের চিয়ারলিডাররা। কলকাতার হার যখন প্রায় নিশ্চিত তখন অপলক নেত্রে মাঠের দিকে তাকিয়ে থাকেন তাদের দুই চিয়ারলিডার। দু’জনের চোখ বেয়ে পড়তে থাকে পানি। হৃদয়চেরা সে কান্না দেখে অনেক কেকেআর সমর্থকও চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।

এ সময় এক চিয়ারলিডার অন্যজনকে সান্ত¡না চেয়ার চেষ্টা করেন। এই দুই চিয়ারলিডার নিশ্চিত- ভারতীয় নন। কিন্তু ভিনদেশিনী এ নারীগণ দলটিকে যেন ভালোবেসে ফেলেছেন অন্তর থেকে। কলকাতাই যেন তাদের প্রাণ। টিভির পর্দায় তাদের কান্নার এ দৃশ্য দর্শকদের হৃদয় ছুয়ে গেছে। এই ছবিটি নিশ্চিত- আইপিএলের ইতিহাসে অন্যতম সেরা একটি।

ভবিষ্যতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের আনন্দ-বেদনার সময় এই ছবি নিশ্চয় বারবার সামনে আসবে। নাইট রাইডার্সের মালিক বলিউডের বাদশাহ শাহরুখ খানের দৃষ্টি এড়ায়নি চিয়ারলিডারদের এ কান্না। দলের প্রতি তাদের ভালোবাসার মুগ্ধ শাহরুখ খান। তিনি এই টুইটে তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, ‘সব সময় চেয়েছি- কেকেআরের ছেলেরাই সেরা হোক। কিন্তু প্রচুর আনন্দ নিয়ে আসা এই মেয়েগুলোকে নিয়ে কখনও কিছু বলা হয়নি। মেয়েরা- তোমাদেরকে অনেক ভালোবসি। তোমাদের অনেক ধন্যবাদ।’

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: