সর্বশেষ আপডেট : ৬ মিনিট ১৯ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

একজন মহসিন আলীকে হারিয়ে দিশেহারা মৌলভীবাজারবাসী

mohosin-ali20160526113759ডেইলি সিলেট ডেস্ক::বীর মুক্তিযোদ্ধা, নিরহঙ্কারী, সর্বোপরি এক উদার হৃদয়ের মানুষ ছিলেন প্রয়াত সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী। ১৯৭১ সালে জীবন বাজী রেখে লড়েছেন দেশ স্বাধীন করতে। যুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করার প্রয়াসে কাজ করেছেন আমৃত্যু।

তৃণমূল থেকে উঠে আসা কর্মপ্রিয়, সদাহাস্যোজ্জ্বল ও বন্ধুবৎসল সৈয়দ মহসিন আলী সাধারণ মানুষের হৃদয়ে তাই দ্রুত স্থান করে নিতে পেরেছিলেন।

গণমুখী রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র সৈয়দ মহসিন আলী নিজের নেতা কিংবা মন্ত্রী পরিচয়কে ভুলে কাছে টেনে নিতেন তৃণমূলের নেতাকর্মীদের।

মহসিন আলীর জন্য কেউ ভাইকে বাঁচাতে পেরেছে। কেউ মায়ের চিকিৎসা করাতে পেরেছে। আবার কেউ খাবার খেয়েছে মহসিন আলীর বাড়িতে। সৈয়দ মহসিন আলী নেই একথা মনে হলে অনেকে আবার কাঁদছেন অঝড়ে। অসহায় ও নিঃস্বদের চোখে মুখে স্পষ্ট হয়ে উঠছে মহসিন আলীর জন্য হাহাকার।

সৈয়দ মহসিন আলী ১৯৪৮ সালের ১২ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল সড়কের দর্জিমহলে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সৈয়দ আশরাফ আলী ছিলেন মৌলভীবাজারের একজন ব্যবসায়ী। মৌলভীবাজার থেকে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে কলকাতা যান আশরাফ আলী। কলকাতার আলীপুরের বাড়িতেই জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দ মহসিন আলী। তার মায়ের নাম আছকিরুনন্নেছা খানম।
কলকাতাতেই শুরু হয় মহসিন আলীর শিক্ষাজীবন। সেখানবার সেন্টজেভিয়ার্স স্কুল থেকে জুনিয়র কেম্রিজ ও সিনিয়র কেম্রিজ পাস করেন তিনি। পরে বাংলাদেশে এসে বাংলা মাধ্যমে কিছুদিন অধ্যায়নের পর আবারও কলকাতা ফিরে যান ও ম্যানেজমেন্টে ডিপ্লোমা ডিগ্রি নেন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ছাত্র জীবনেই রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তিনি। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ২৩ বছর বয়সে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। দেশমাতৃকার প্রতি তার মমত্ববোধের কারণে স্বতস্ফূর্তভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েন মুক্তিযুদ্ধে। সম্মুখসমরে যুদ্ধচলাকালে গুলিবিদ্ধও হয়েছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সিলেট বিভাগে সিএনসি স্পেশাল ব্যাচের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীন বাংলার বঞ্চিত সব মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কাজ করেছেন।

রাজনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার সজল চক্রবর্তী বলেন, সৈয়দ মহসিন আলী ছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের এক প্রতিনিধি। তাকে হারিয়ে আমরা অভিবাবক শূন্য।

মৌলভীবাজার পৌরসভা মেয়র হিসেবে তিনবার নির্বাচিত হয়ে অনেক জনকল্যাণমূলক কাজ করেন। ৭১-এর বীর মুক্তিযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধুর স্নেহ ছায়ায় রাজনীতির দীর্ঘ পথ হাঁটা সৈয়দ মহসিন আলী ১৯৯৮ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে মৌলভীবাজার সদর আসনে সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমানকে হারিয়ে তিনি বিজয়ী হন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় পুনঃনির্বাচিত হওয়ার পর ওই বছরের ১২ জানুয়ারি মন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেন তিনি। পরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

মৌলভীবাজারের সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান মহসিন আলী রাজনীতিতে এসে কখনও দুর্নীতির কলঙ্ক গায়ে মাখেননি। দিনে দিনে হয়েছেন রিক্ত-নিঃস্ব। রাজনীতিতে এসে মানুষের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা কুড়ালেও বিত্ত-বৈভব হারিয়েছেন। নিজের পৈতৃক ভিটেমাটি পর্যন্ত বিক্রি করেছেন। মৌলভীবাজারের বাড়িতে সব সময় আনাগোনা ছিল দরিদ্র, অসহায় ও বিপদগ্রস্থ মানুষের।
শুধু মৌলভীবাজারের বাড়িই নয়, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর মন্ত্রী হিসেবে রাজধানীর মিন্টো রোডের ৩৪ নম্বর লাল বাড়িটিতে উঠেও মানুষের জন্য দুয়ার খুলে রাখতেন দিবারাত্রি। মানুষকে আতিথেয়তা করে কতটা আনন্দ পাওয়া যায় সৈয়দ মহসিন আলীর সান্নিধ্যে না গেলে তা জানা যায় না।

মিন্টো রোডের বাড়ি থেকে মৌলভীবাজারের বাংলো প্যাটার্নের বাড়িখানি যেন ছিল অসহায়ের আশ্রয়কেন্দ্র। মিন্টো রোডের বাড়িতে ঋণ করে ৬০ লাখ টাকা খরচ করেছিলেন। দু’খানি ঘর বানিয়েছিলেন। প্রত্যন্ত এলাকা থেকে আসা অসুস্থ মানুষের থাকার জন্য ব্যবস্থা করেছিলেন। থাকা-খাওয়ার এলাহী আয়োজন ছিল মিন্টো রোডের বাড়িটিতে।

শহরতলির মোস্তফাপুরের নূরজাহান বেগম শোনালেন মহসিন আলীর এক উদারতার কথা। তার মা মরিয়ম বেগম ক্যান্সার আক্রান্ত ছিলেন। ১০ লাখ টাকা খরচ করে মন্ত্রী তাকে চিকিৎসা করিয়েছেন। যখনই অসুবিধায় পড়েছেন মহসিন আলীর কাছে এসেছেন। কোনো দিন খালি হাতে ফিরিয়ে দেননি তিনি। এখন মন্ত্রীর স্ত্রী সৈয়দা সায়রা মহসিনও খোঁজখবর নেন। তারা আসলে নরম মনের মানুষ।

সৈয়দ মহসিন আলী ঢাকা থেকে মৌলভীবাজারে এলে শহরের বেড়ির পাড়ের বাড়িতে থাকতেন। বিশাল আয়তনের মন্ত্রীর বাড়ি পুকুর, ফল বাগানসহ নানান প্রজাতির গাছ-পালায় ঘেরা। মন্ত্রীর এ বাড়িটি সবার জন্য দিন-রাত উন্মুক্ত ছিল। বাড়িতে ঢোকার জন্য কারও অনুমতি নিতে হতো না। ছিন্নমূল মানুষরা যেকোনো সময় বাসায় ঢুকে নিজের হাতে ফলমূল খেতে পারতো। পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে যেত কিন্তু কেউ তাতে বাধা দিত না। পথশিশুরা বিকেলে ভিড় করতো মন্ত্রীর বাড়িতে। তারা ছোটাছুটি করতো মন্ত্রীর ফল বাগানে। সামজকল্যাণ মন্ত্রীর বাড়িতে ভিক্ষুকরা ভিক্ষার জন্য গেলে খালিহাতে ফিরিয়ে দিতো না কোনদিন। মাঝে মাঝে বড় বড় গরু জবাই করে শিরনি খাওয়াতেন মানুষকে।

পৌর শহরের বেড়ির পাড়ের বাড়ির বারান্দায় বসে থাকতে দেখা যায় ছিন্নমূল নারী রুপই বেগমকে (৬৫)। তিনি বলেন, কত দিন মন্ত্রীর বাড়িত আইয়া খাইছি। কোনো দিন না খাইয়া যাইতে দিছইন না। যেসময় যেতা লাগে হাত লাগাইয়া নিছি। অখনো (এখনো) তারা আমারে মায়া করইন। আমার চিকিৎসার লাগি মন্ত্রী সাবর (সাহেবের) কাছ তাকি (থেকে) বহুত ট্যাকা নিছি। অখন (এখন) আর কার কাছে হাত পাতাইমু (পাতবো) বলেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

মন্ত্রী হওয়ার পরও ফোন নাম্বারটি সবার জন্য উন্মুক্ত ছিলো। নিজেই ফোন ধরতেন। মানুষের সঙ্গে কথা বলতেন। সাধারণ মানুষকে নিয়ে থাকতেই পছন্দ করতেন। তার সংসদীয় আসনের রাজনগর উপজেলার আকুয়া গ্রামের ১০/১২ বছরের এক শিশুর হার্টের ছিদ্র ছিল। তার চিকিৎসার জন্য মাদ্রাজ পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন মন্ত্রী। এমন আরও সংবাদ পাওয়া যায় সৈয়দ মহসিন আলীর সমাজসেবার নমুনা হিসেবে।

জনদরদী নেতা হিসেবে তার পরিচিতি ছিল মৌলভীবাজারে। সদর উপজেলার কাগাবলা ইউনিয়নের বিধবা সুরমা বেগমের সঙ্গে কথা হয় ইউনিয়ন পরিষদের সামনে। তিনি বলেন, স্বামীর মৃত্যুর পর সৈয়দ মহসিন আলী নিয়মিত তাকে আর্থিক সহায়তা করতেন। প্রতি মাসে মাসে সন্তানদের ভরণপোষণ ও লেখাপড়ার খরচ দিতেন। এখন মন্ত্রী নেই। আমাকে আর কেউ দেখে না।
বঙ্গবন্ধুকে ভালোবেসে নবীগঞ্জের বিখ্যাত বড় বড় কই মাছ খাইয়ে আনন্দ পেতেন তৃণমূল থেকে উঠে আসা মহসিন আলী। আর জাতীর জনকের কন্যা শেখ হাসিনাকে হাকালুকি থেকে সুনামগঞ্জের বরদই বিলের সবচেয়ে বড় রুই মাছটি খাইয়ে আনন্দ পেতেন। সংস্কৃতিমনা ও প্রগতিশীল সৈয়দ মহসিন আলী এক সময় বেতারের শিল্পী ছিলেন। শেষ জীবনে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে গলার সুর, তাল, লয় হারিয়ে গিয়েছিল। তবুও মজলিশি আড্ডায়, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এমন কি সংসদেও শিশুর সারল্যতা নিয়ে গান গাইতেন। শীতকাল এলে প্রায়ই তার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে সুনামগঞ্জের হাওরে বেড়াতে যেতেন। যৌবনেই আয়ত্ত করেছিলেন হিন্দি, উর্দু ও ইংরেজি ভাষা।

১৯৯২ সালে পৌরসভার মেয়র থাকাকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে শ্রেষ্ঠ পৌরসভা মেয়র নির্বাচিত হন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত জেলা রেডক্রিসেন্টের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান, মৌলভীবাজার চেম্বারের সভাপতি এবং মৌলভীবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

‘আচার্য দীনেশ চন্দ্র সেন স্মৃতি স্বর্ণপদক-২০১৪’ পদক এবং ‘হ্যালো কলকাতা’ নামে কলকাতাভিত্তিক একটি সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠান তাকে ‘নেহেরু সাম্য সম্মাননা-২০১৪’ পুরস্কারে ভূষিত করে।

সৈয়দ মহসিন আলীর কাছের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুর রহমান বাবুল। তিনি বলেন, মহসিন আলী অসহায় মানুষের প্রিয় নেতা ছিলেন। সবাইকে সহজে আপন করে নিতেন। কিন্তু অসুস্থতার কারণে শেষ সময়ে মাঝে মধ্যে রেগে যেতেন। যার সঙ্গে রাগারাগি করতেন পরে আবার তাকে ডেকে আপন করে নিতেন। তাকে এখনো অনুভব করি। মাঝে মাঝে মনে হয় তিনি এখনো বেঁচে আছেন।

খ্যাতিমান ও অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ মহসিন আলী শুধু নিজ দলের নেতাকর্মীর কাছে প্রিয় ছিলেন না, স্থানীয় বিরোধী দলের নেতারাও তাকে শ্রদ্ধা করতেন। মহসিন আলী তাদেরকে কাছে টেনে নিতেন। গভীর স্নেহের পরশে আলিঙ্গন করতেন। রাজনৈতিক আদর্শের বিভিন্নতা থাকলেও সবার সঙ্গেই ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক ছিল তার।

মৌলভীবাজার পৌরসভার দুই বারের মেয়র ও বিএনপি নেতা ফয়জুল করিম ময়ূন বলেন, আওয়ামী লীগ করলেও সকল দল ও মতের মানুষের সঙ্গে তার ছিলো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। তিনি ছিলেন এ অঞ্চলের মানুষের অভিভাবক। সব সময় চাইতেন মানুষের পাশে থাকতে। তাই অসুবিধায় পড়লে মানুষও তার কাছে যেতো।
মহসিন আলী স্বপ্ন দেখতেন আধুনিক মৌলভীবাজার গড়ার। মৌলভীবাজারে সমাজকল্যাণ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ও জেলা সদরের ২৫০ শয্যার হাসপাতালকে মেডিকেল কলেজে উন্নীত করার কথা বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সুধী সমাজের সঙ্গে আলোচনায় প্রায়ই বলতেন। অথচ শত শত মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নে যিনি কাজ করে গেছেন আমৃত্যু তার স্বপ্নই রয়ে গেছে অপূর্ণ।

মন্ত্রীর মৃত্যুতে শূন্য হওয়া মৌলভীবাজার-৩ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য সৈয়দ মহসিন আলীর সহধর্মিণী সৈয়দা সায়রা মহসিন বলেন, সৈয়দ মহসিন আলী মৌলভীবাজারের মানুষকে ভালোবাসতেন। স্বপ্ন দেখতেন মানুষকে নিয়ে। তার অপূর্ণ স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করবো।

জেলা পরিষদ প্রশাসক, গণপরিষদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান তার এ অনুজ সম্পর্কে বলেন, মহসিন আলী মানুষের সঙ্গে মিশে মানুষকে ভালোবাসতে পেরেছিলেন। অসহায় আর বঞ্চিতরা মহসিন আলীর খুব কাছের মানুষ ছিল। ছিন্নমূল মানুষের আশ্রয়স্থল মহসিন আলীর শূন্যতা অনুভব করে মৌলভীবাজারের মানুষ।

সৈয়দ মহসিন আলীর বিদায়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন মৌলভীবাজারবাসী। কে আর ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়াবে? অসুস্থ হলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে কে? আবার কি কোনোদিন মন্ত্রীর বাসগৃহে অসুস্থ মানুষের ঠাঁই হবে? এমন মানুষ কি আবার জন্ম নিবে এমন প্রশ্ন মানুষের মুখে মুখে।

জাগো নিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: