সর্বশেষ আপডেট : ৯ মিনিট ১৫ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

তনুর ময়নাতদন্ত করা চিকিৎসকদের উকিল নোটিস

full_302612028_1464166536নিউজ ডেস্ক: গত ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় নিজের বাসার কাছে খুন হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু। লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ ধর্ষণের সন্দেহের কথা জানালেও ১৫ দিন বাদে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক দলের দেওয়া প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তেমন কোনো প্রমাণ না পাওয়ার কথা বলা হয়।

এরপর আদালতের নির্দেশে গত ৩০ মার্চ তনুর লাশ কবর থেকে তুলে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করা হয়। এরপর প্রায় দুই মাস হতে চললেও সে প্রতিবেদন আর পাওয়া যায়নি।

এদিকে তনু হত্যার দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন দিতে ‘ইচ্ছাকৃত’ বিলম্বের অভিযোগে তিন চিকিৎসকের নামে উকিল নোটিস পাঠিয়েছেন তনুর বাবা ইয়ার হোসেন। তার পক্ষে জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সালমা আলী ডাকযোগে ওই নোটিশ পাঠান।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মোহসীনুজ্জামান চৌধুরী, ফরসেনিক বিভাগের প্রধান কে পি সাহা এবং তনুর প্রথম ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক শারমীন সুলতানা বুধবার নোটিস পাওয়ার কথা জানান।

তনুকে হত্যার আগে ধর্ষণের বিষয়টি ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়ার পরও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দিতে বিলম্বের কারণে দেশজুড়ে সমালোচনার মধ্যে এই নোটিস দেওয়া হল।

আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত সংস্থা সিআইডির বিশেষ সুপার আবদুল কাহহার আকন্দ গত ১৬ মে জানান, ডিএনএ পরীক্ষায় তারা ধর্ষণের আলামত পেয়েছেন।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মোহসীনুজ্জামান বলেন, তনুর মৃতদেহের প্রথম ময়নাতদন্তে ধর্ষণের আলমাত না পাওয়া এবং দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে ‘কালক্ষেপণ করায়’ কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে ওই নোটিসে।

“নোটিস পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। তা না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেবে বলে সেখানে লেখা আছে।” ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের কর্মচারী ইয়ার হোসেনের মেয়ে তনুর খুনি দুই মাসেও শনাক্ত হয়নি।

সেনানিবাসের ভেতরে একটি স্টাফ কোয়ার্টারে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন তনু। হত্যাকাণ্ডের দিন সন্ধ্যায় ৩০০ গজ দূরে আরেকটি স্টাফ কোয়ার্টারে ছাত্র পড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে না ফেরায় রাতে ইয়ার হোসেন মেয়েকে খুঁজতে বের হন। দুই স্টাফ কোয়ার্টারের মাঝের অনেকটা নির্জন পথের ধারে ঝোঁপের মধ্যে অচেতন অবস্থায় তনুকে পান তিনি। তনুকে পাওয়ার আগে খোঁজার সময় অপরিচিত কয়েক যুবককে দ্রুত সরে পড়তে দেখেছিলেন বলেও ইয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: