সর্বশেষ আপডেট : ৪ মিনিট ৩ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বিপদ সংকেতেও সৈকতে মজা নেয় কিছু পর্যটক!

full_1333832359_1463825753ডেইলি সিলেট ডেস্ক:: বাংলাদেশের উপকূল এলাকায় চলছে ঘূর্ণঝড় রোয়ানু। উপকূল এলাকা লণ্ডভণ্ড। এরুপ অবস্থায়ও পর্যটন এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা এবং পর্যটকদের সহযোগিতার জন্য নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে ট্যুরিস্ট পুলিশ বাংলাদেশ।

৭ নম্বর বিপদ সংকেত চলার সময় বিচে দায়িত্ব পালনের একটি ঘটনা বর্ননা করেছেন ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের এএসআই শফিকুল।

তিনি তার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি কিছু উগ্র পর্যটক সম্পর্কে বর্ননা করে তাদের সাথে রূঢ় ব্যবহারের জন্য দু:খ প্রকাশ করেন। টুরিস্ট পুলিশ নিয়ন্ত্রীত তাদের নিজস্ব ফেসবুক পেজে ঘটনা উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি সেখানে লিখেছেন, ”আমি এএসআই শফিকুল. ট্যুরিষ্ট পুলিশ কক্সবাজার জোন। একটা বিষয় আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম সচেতন হবার লক্ষ্যে। এইত কয়েক মাস আগে যখন কক্সবাজারে ৭নং বিপদ সংকেত চলছিল সেদিনও কিছু পর্যটক এসেছিলেন লাবনি বীচে, আমি তাদেরকে জিঙ্গাসা আপনারা কেন এসেছেন, প্রতিত্তোরে তারা বলল বিপদ সংকেত কিরকম তা দেখতে এসেছি!!!!

যেখানে বাতাসের তীব্রতায় আমার পরনের রেইন কোর্ট ছিড়ে গিয়েছিল। ঐ সময়টাতে কোন লাশ ভেসে আসছে তা দেখার জন্য লাবনী হতে সুগন্ধা বীচের উদ্দেশে বীচ হাটতেছিলাম। তখন দেখলাম কিছু ট্যুরিস্ট সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ের সাথে মজা নিতেছে পরে এলার্ম বাজিয়ে তুলে দেওয়ার চেষ্টায় ব্যর্থ হলাম। একটুখানি এগিয়ে দেখি ১টি পরিবার তাদের ছোট ২সন্তান নিয়ে গোসল করতেছে!!! আমি তাদের দেখে অবাক। যেখানে আমি লাশ খোঁজার জন্য এসেছি আর সেখানেই এই ছোট্ট পরিবারের যে কেউ লাশ হতে পারে। আমি এলার্ম বাজিয়ে তাদেরকে উঠে আসার জন্য বলতেছি কিন্তু দুঃখের বিষয় কে শোনে কার কথা!!

সেখানে ভেসে, গাছের ডাল ভেঙ্গে লাঠি বানিয়ে নিয়ে আমি নিজেই কোমড় পর্যন্ত পানিতে নেমে বললাম, আপনাদের পিটিয়ে চামড়া তুলে ফেলব, পরে ২ হাতে দুজনকে ধরে উপরে তুলে জোরপূর্বক বীচ থেকে পাঠিয়ে দিয়েছি। কি আর করার যেখানে আমরা ট্যুরিস্ট পুলিশ আছি ট্যুরিস্টদের সার্বিক নিরাপত্তায় সেখানে এরকম আচরণ করা ছাড়া আর কোন উপায় ছিলনা। পরে আমরা ২জন এভাবে লাবনি হতে সুগন্ধা বীচ পর্যন্ত লাঠির ভয় দেখিয়ে ৫০/৬০ জন কে তুলে দিয়েছিলাম। সেদিনের ঐ ব্যবহারের জন্য আমি দুঃখিত।

পর্যটকরা যদি এ বিষয়ে সচেতন না হন তাহলে ট্যুরিষ্ট পুলিশ কিংবা লাইফ গার্ডদের পক্ষে সম্ভব না। কারণ আপনারা ট্যুরিস্ট আসেন হাজার হাজার আর আমরা সেখানে ডিউটি মাত্র ৫ অথবা ৬ জন। তবুও আপনাদের দোয়া ও

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: