সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ২১ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

দুখু বাহিনী প্রধানের ফাঁসির আদেশ; দুই জনের যাবজ্জীবন

4161নিউজ ডেস্ক::
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধলা গ্রামের কাথুলী ইউনিয়ন পদিষদের স্থানীয় ইউপি সদস্য ইমদাদুল হক, তার বড় ভাই জাহিদুল ইসলাম এবং ছোট ভাই রুহুল আমিনকে গুলি ও জবাই করে হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি ও দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার সময় মেহেরপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক টিএম মুসা এক জনাকীর্ণ আদালতে এ আদেশ দেন।
দন্ডাদেশ প্রাপ্তদের মধ্যে গাংনী উপজেলার রাধাগোবিন্দপুর ধলা গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে মিনহাজ ওরফে দুখু মিয়ার ফাঁসি এবং একই গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে আসিম উদ্দিন ও মোবারক হোসেনের ছেলে তোজাম্মেলের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে যাবজ্জীবন প্রাপ্ত আসিম উদ্দিন ও তোজাম্মেলের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কারাদন্ডাদেশ দেয়া হয়েছে। একই মামলায় ৩২ জনের মধ্যে বাকী ২৯ আসামীকে বেকসুল বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে মিনহাজ উদ্দিন ওরফে দুখ ুমিয়া ও আসিম উদ্দিন পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, কাথুলী ইউনিয়নের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় আধিপাত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২০০৮ সালের ৩১ আগষ্ট রাত ৩টার দিকে ওই এলাকার ত্রাস দুখুর নেতৃত্বে প্রায় ৪০ জন সন্ত্রাসী ধলা গ্রামের মোসলেম আলীর ছেলে ইউপি সদস্য ইমদাদুল হক ওরফে ইন্দা , তার বড় ভাই জাহিদুল ইসলাম এবং ছোট ভাই রুহুল আমিন ঘুমন্ত অবস্থায় ঘর থেকে টেনে হেঁচড়ে বাহিরে এনে প্রথমে গুলি এবং পরে জবাই করে নির্মমভাবে হত্যা নিশ্চিত করে লাশ রেখে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পরদিন সকালে পুলিশ তিন ভাইয়ের লাশ উদ্ধার করে ।

এঘটনার পরদিন জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী রেনুকা খাতুন বাদি হয়ে মিনহাজ উদ্দিন দুখু, তোজাম্মেল, আসিম উদ্দিন, আব্দুল মালেক নাহারুল ইসলাম, আজিজুল হক, সাবদার আলী, কাবুল ইসলামসহ মোট ৩২ জনকে আসামী করে গাংনী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

গাংনী থানার এস আই মোরাদ আলী ও শফিকুল ইসলাম মামলার প্রাথমিক তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় ৪০ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করলে বৃহস্পতিবার বিচারক মিনহাজ উদ্দিন ওরফে দুখুকে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে জুলিয়ে রাখার আদেশ দেন। একই সাথে পলাতক আসামি আসিম উদ্দিনকে আটকের দিন থেকে তার শাস্তি শুরু হওয়ার কথা উল্লেখ করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর কাজী শহিদুল হক এবং আসামী পক্ষে খন্দকার আব্দুল মতিন ও ইব্রাহিম শাহিন আইনজীবীর দায়িত্ব পালন করেন।

এদিকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী তোজাম্মেলের স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, তার নির্দোষ স্বামীকে ষড়যন্ত্র করে যাবজ্জীবন জেল দেয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কাজী শহিদুল হক বলেন, আদালকের বিজ্ঞ বিচারক মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে উপযুক্ত আদেশ দিয়েছেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: