সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

হবিগঞ্জ শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে সেচ পাম্পের ব্যবহার শুরু

Untitled-1_54হবিগঞ্জ প্রতিনিধি::
অবশেষে পুরাতন খোয়াই নদীর জলাবদ্ধতার হাত থেকে রেহাই পেতে যাচ্ছে হবিগঞ্জ শহরবাসী। দীর্ঘদিনের এ সমস্যা সমাধান করতে সেচ পাম্পের মাধ্যমে খোয়াই নদীতে পুরাতন খোয়াই নদীর পানি নিস্কাশণ শুরু করেছে হবিগঞ্জ পৌরসভা।

গেল ৯ মে হবিগঞ্জ-লাখাই আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মোঃ আবু জাহির পৌর এলাকার হরিপুর খোয়াই বাঁধের পাশে স্থাপিত সেচ পাম্প উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগের ফলে বৃষ্টি মওসুমে পুরাতন খোয়াই নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকার শহরবাসী জলাবদ্ধতা হতে মুক্ত হবেন।

শুধু তাই নয় পুরাতন খোয়াই নদীতে সংযুক্ত যত ড্রেন রয়েছে সবগুলো থেকে অতিরিক্ত পানি নেমে যাবে। পুরাতন খোয়াই নদীর জলাবদ্ধতা হবিগঞ্জ শহরবাসীর জন্য দীর্ঘদিন ধরে অসহনীয় ভোগান্তির কারন হয়ে দেখা দিয়েছিল। প্রতি বছরই অস্থায়ীভাবে মাটিয়াদই বিলে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা হলেও তা ছিল ক্ষনস্থায়ী। ফলে সাময়িকভাবে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হলেও পরে আবার জলাবদ্ধতার শিকার হতেন।

পৌর এলাকার জলাবদ্ধতা দুর করতে হবিগঞ্জ পৌরসভার উপদেষ্টা এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি’র সহযোগিতায় নাতিরাবাদ-হরিপুরের পুরাতন খোয়াই নদীতে স্থাপনা উচ্ছেদ করে খোয়াই বাধ পর্যন্ত বড় ড্রেন খনন করে পৌরসভা। পরে হরিপুর বাধের পাড়ে স্থাপন করা হয় দুটি সেচ পাম্প। ৯ মে’র উদ্বোধনীর পর ১৭ মে মঙ্গলবার রাত থেকে দুটি সেচ পাম্প দিয়ে পুরাতন খোয়াই নদীর পানি বর্তমান খোয়াই নদীতে নিস্কাশন করা হচেছ।

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র দীলিপ দাস বলেন, ‘পুরাতন খোয়াই নদীর জলাবদ্ধতা ছিল পৌরসভার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। পৌরসভার উপদেষ্টা এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপির ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে আমরা সেচ পাম্প স্থাপন করে পানি নিস্কাশনের মাধ্যমে সে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারছি।

তিনি বলেন ‘এ সেচ পাম্প স্থাপন ও ড্রেন খনন কাজে কাউন্সিলর মোহাম্মদ জুনায়েদ মিয়া ও গৌতম কুমার রায় সহ পরিষদের সকল সদস্য এবং এলাকাবাসী সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করেছেন।’

হরিপুর এলাকার বাসিন্দা সেলিম আহমেদ বলেন, ‘সেচ পাম্পের মাধ্যমে পানি নিস্কাশন শুরু হওয়ার ফলে ইতিমধ্যে সুফল পাওয়া যাচেছ। নিয়মিত সেচ পাম্প চালু থাকলে বৃষ্টি মওসুমে কোন সমস্যা হবে না।’ হরিপুর পুরাতন খোয়াই নদীর পাড়ের বাসিন্দা সাবিরুন্নেছা বলেন, ‘আমাদের ঘরের ভিতর পানি থাকতো। সেচ পাম্প লাগানোর পর পানি অনেকটা সড়ে যাচ্চে।’ হবিগঞ্জ পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগ জানিয়েছে ড্রেন খনন ও দুটি পাম্প স্থাপন করতে প্রায় ৭ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এছাড়া পাম্প হাউজটি পরিচালনা করতেও ব্যয় বহন করতে হবে পৌরসভাকে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: