সর্বশেষ আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চাইলে মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে

18নিউজ ডেস্ক : আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি সুপারিশ করে তা হলে তনু হত্যায় দায়েরকৃত মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হবে।

মঙ্গলবার (১৭ মে) সকাল ১১টায় রাজধানীর বিচার প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে বিশেষ জজদের নিয়ে আয়োজিত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

গত ২০ মার্চ কুমিল্লার সেনানিবাসের মতো সুরক্ষিত এলাকায় কালভার্টের পাশে ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ পাওয়া যায়। হত্যার পর দুই মাস হতে চললেও এ পর্যন্ত জড়িতদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

এদিকে, তনুকে ধর্ষণ শেষে খুন করার প্রমাণ মিলেছে। খুনের আগে তাকে তিন পুরুষ ধর্ষণ করেছে, ডিএনএ পরীক্ষায় এমনটাই আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

সিআইডি কুমিল্লা অঞ্চলের বিশেষ পুলিশ সুপার ড. নাজমুল করিম খান জানান, তনুর পোশাকে তিন পুরুষের শুক্রাণুর আলামত মিলেছে। সোমবার রাতে মুঠোফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি।

ড. নাজমুল করিম খান বলেন, ‘তনু ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন, আমরা ডিএনএ প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়টি প্রায় শতভাগ নিশ্চিত হয়েছি।’

সিআইডি সূত্র জানায়, তনুর মৃতদেহে মোট চার জনের ডিএনএ পাওয়া যায়। এর মধ্যে একটি তনুর নিজের রক্তের, অন্য তিনটি তিন পুরুষের। সংস্থাটির ঢাকার পরীক্ষাগারের প্রতিবেদনে এই আলামত পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সোমবার তনু হত্যা মামলার বিষয়ে সিআইডি কুমিল্লা বিশেষ পুলিশ সুপার ড. নাজমুল করিম খান বলেন, ‘আসামি শনাক্ত করতে আমরা মোটামুটি কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছি।’

তিনি বলেন, ‘মোবাইল ফোনের এসএমএস, বেশ কিছু তথ্য-উপাত্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের মধ্য দিয়ে আমরা ওই কেন্দ্রবিন্দুতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি।’

তিনি বলেন, ধর্ষণের আলামত নিশ্চিত হতে আমরা ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছিলাম। ফ্লুইড-এর নমুনা হিসেবে আমাদের পরীক্ষাগারে পাঠানোর জন্য তাদের কাছে লিখিত চেয়েছিলাম। তারা আমাদের জানান, পরীক্ষায় তারা আলামত পাননি। তাই নমুনা সংরক্ষণ করা হয়নি। এতে আমরা তনুর মরদেহে থাকা পোশাক ডিএনএ পরীক্ষার জন্য সিআইডির পরীক্ষাগারে পাঠাই।

গত ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাসের বাসার কাছে তনুর লাশ পাওয়া যায়। প্রথম ময়নাতদন্তে তনুকে ধর্ষণের আলামত মেলেনি এবং হত্যার কারণ খুঁজে পাওয়া পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়। দেশব্যাপী তীব্র প্রতিবাদের পর ৩০ মার্চ দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উত্তোলন করা হয়।

থানা পুলিশ ও ডিবির হাত ঘুরে তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া সিআইডি কয়েক দফায় ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠায়।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: