সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ২০ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

দাঁত লাল হয়ে থাকতো,মেয়েদের সামনে হাসতে লজ্জা পেতাম

27বিনোদন ডেস্ক :: আম্মা ছিলেন নিউ এ্যালিফ্যন্ট রোডের দুহিতা, এখানেই বড় হয়েছেন, ঢাকায়ই পড়াশোনা করেছেন। আমার নানার পরিবার শিক্ষাদীক্ষায় সবসময়ই স্মার্ট।১৯৬০ সালে আম্মা বিয়ের পর চলে গেলেন শ্বশুরবাড়ী কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামের পোটকরায় । দাদা ছিলেন গৃহস্থ্য,কৃষিই ছিলো মূল পেশা। শিক্ষার আলো এই গ্রামে এসেছে আব্বার হাত ধরেই।

আম্মা গ্রামে গিয়ে মূহুর্তেই সবার সাথে অ্যাডজাস্ট করে ফেললেন। আম্মাকে দেখার জন্য বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষ আসতো। পরে অবশ্য কুমিল্লা শহরেই সেটল করেছেন। গ্রামে আম্মার পান খাওয়ার অভ্যাস তৈরী হয়ে গেলো। দাঁতগুলো নিয়ে আম্মা খুব পেরেশানীতে ছিলেন, পান আম্মাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে। আম্মার সাথে আমারও পান খাওয়ার অভ্যাস হয়ে গেলো। দাঁত লাল হয়ে থাকতো,মেয়েদের সামনে হাসতে লজ্জা পেতাম। ২০১৬ সালে শপথ করে পান খাওয়া ছেড়েছি।

ডঃ আরিফ ৯১’কুমিল্লা জিলা স্কুল ব্যাচ,ডেন্টিষ্ট। আমার ছোট ভাই আতিকের বন্ধু । কুমিল্লা মুন হসপিটালে কর্মরত। চোখের সামনেই বড় হয়েছে। ঝকঝকে হাসি ফিরে পাওয়ার প্রত্যাশায় তার কাছে গেলাম। আরিফকে কখনোই টাকা দিতে পারিনি, কিন্তু পান ছেড়ে দেয়ার খবরে সে খুব খুশী। আর মুন হসপিটালের মালিকেরা আমার বন্ধু বড় ভাই, তাই ফ্রি চিকিৎসা বাধ্যতামূলক। হাসির জন্য দাঁত প্রস্তুত, ডঃ আরিফের জন্য শুভকামনা।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: