সর্বশেষ আপডেট : ৪৫ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

গোলাপগঞ্জে গ্রেফতার আতঙ্কে পুরুষ শূন্য ২ গ্রাম

daily sylhet 0-111 wgewgগোলপগঞ্জ প্রতিনিধি:
সদ্য সমাপ্ত ৭ মে ৪র্থ দফা ইউপি নির্বাচনের দিন ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের পূর্ব বাঘা প্রাইমারী স্কুলের কেন্দ্রে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে রাখা ও আইনশৃখলা বাহিনীর উপর হামলার অভিযোগে এলাকার ১২শ লোককে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।এই মামলায় ঘটনার দিন আহত অবস্থায় হাসপাতাল থেকে ৬ জনকে এবং পরের দিন পুলিশ অভিযান চালিয়ে আরো ১ জনকে গ্রেফতার করে।পুলিশের অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতার আতঙ্কে এ ইউপির আশপাশের গ্রামসহ ২টি গ্রাম পুরোপুরিভাবে পুরুষশূন্য রয়েছে।

এদিকে এ ঘটনায়, বাঘা ইউপির নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছানা মিয়া ইউনিয়নের নিরীহ জনসাধারণের হয়রানী বন্ধের দাবী জানিয়েছেন। বর্তমানে ঢাকায় একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছানা মিয়া এক বিবৃতিতে গত ৭ মে অনুষ্ঠিত বাঘা ইউনিয়ন পরিষদ ন নির্বাচনের দিন ভোট গণনা শেষে পুর্ব বাঘা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণার বিলম্ব হওয়াকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘটিত উত্তেজনার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে অপ্রীতিকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইউনিয়নের নিরীহ জনসাধারণকে হয়রানীর নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সাধারণ জনগণকে নাজেহাল না করার আহ্বান জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গোলাপগঞ্জ ইউপি নির্বাচনের দিন শেষ মুহূর্তে ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বাঘা ইউনিয়নের পূর্ববাঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান ও ছানা মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে উত্তেজনা দেখা দেয়। ব্যালট বাক্স নিয়ে প্রিজাইডিং অফিসার পলাশ দাস গোলাপগঞ্জ উপজেলার উদ্দেশ্যে রওয়া দেন। বাঘা খালপার নামক স্থানে পৌছামাত্র ফের তাদের অবরুদ্ধ করে উত্তেজিত সমর্থকরা। মিথ্যা একটি গুজব নবনির্বাচিত বাঘা ইউপি চেয়ারম্যান ছানা মিয়ার বিজয় পরিবর্তন হয়ে যাবে এমন গুজব ছড়িয়ে গেলে গ্রামবাসীরা জড় হয়ে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। মামলার এজহার থেকে জানা যায় বিক্ষুব্ধ জনতা নির্বাচনী সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়।

এসময় সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছামাত্র নিয়োজিত আইন-শৃংখলা বাহীনির উপর উত্তেজিত জনতা ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এসময় পুলিশ ৭টি টিআর গ্যাস সেল ও ৪৭ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজ নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বেলেট বাক্স ও নির্বাচনী কর্মকর্তাদের উদ্ধার করে রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে যান। এসময় ৭ জন গুলিবৃদ্ধ হয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গ্রেফতার করা হয়। ঘটনায় পুলিশ এসল্ট মামলায় ৬ জনকে ও অজ্ঞাত নামা ১২০০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। মামলা নং-০৪। তারিখ ০৮.০৫.২০১৬ইং।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: