সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ৫ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কুলাউড়ায় ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ চালাবিহীন বিদ্যালয়ে চলছে পাঠদান

5322ca13-1750-4216-b518-83a1b4379b8fবিশেষ প্রতিনিধি::কুলাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী শরীফপুর ইউনিয়নে মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ২২ এপ্রিল শুক্রবার রাতের ঘুর্ণিঝড়ে একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি করে উপরের চালাসহ বারান্দার চালা উড়িয়ে নেয়। ঘটনার ২০ দিন পরও বিদ্যালয় করে মেরামত না করায় খোলা আকাশের নিচে চলছে পাঠদান।

সরেজমিন দেখা যায়, একেবারে সীমান্তবর্তী এলাকায় মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে চালাবিহীন কে পাঠদান করছেন একজন শিক্ষক। প্রখর রোদেও বেঞ্চে বসে শিকার্থীরা ক্লাস করছেন। বিদ্যালয়টি না হওয়ায় বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত থাকলেও পরিচালনা কমিটি ও শিক্ষকরা খুবই আন্তরিকতার সাথে পাঠদান করে চলেছেন বলে এলাকাবাসী জানান।

২২ এপ্রিলের ঘুর্ণিঝড়ে বিদ্যালয় ভবনের ৬ষ্ঠ শ্রেণির উপরের ও বারান্দার চালা লন্ডভন্ড করে ঝড়ো বাতাসে উড়িয়ে নিয়ে গেছে। বিষয়টি প্রধান শিক্ষক তাৎক্ষনিক কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অবহিত করলেও ২০ অতিবাহিত হলেও এখন নতুন চালা স্থাপনে কোন প্রকার সরকারী অনুদান পায়নি বিদ্যালয়টি। ফলে চালা বিহীন খোলা আকাশের নিচেই কে পাঠদান চলছে।

মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন বলেন, ২০০৩ সালে বিদ্যালয়টি স্থাপিত হওয়ার পর থেকেই তিনি অনেক সমস্যা মোকাবেলা করে বিদ্যালয়ের হাল ধরে রেখেছেন। এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে আড়াইশত শিক্ষার্থীর জন্য সাত জন শিক্ষক নামে মাত্র সম্মানীতে পাঠদান করছেন।

পূর্বে জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় থাকলেও বিগত বছর থেকে এটি উচ্চ বিদ্যালয়ে উন্নিত হয়েছে। বিদ্যালয়টি এমপিভূক্ত না হওয়ায় শিক্ষকরাও পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছেন। এমপিওভূক্তির জন্য আবেদন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহাগ মিয়া বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি অবহেলিত রয়েছে। অথচ তিলকপুর, নিশ্চিন্তপুর, সোনাপুর, ইটারঘাট, কালারায়েরচর, দত্তগ্রাম, মনোহরপুর, পলকীছড়া, মানগাঁওসহ দশ বারোটি গ্রামের শিার্থীরা এখানে এসে লেখাপড়া করছে। তিনি আরও বলেন, বৃস্টি না থাকলে চালা বিহিন কে কষ্ট ক্লাস পরিচালনা করা যায়।

আর বৃষ্টি হলে বাধ্য হয়ে এ ক্লাসের সকল শিক্ষার্থীদের অন্য শ্রেণি কে নিয়ে গাদাগাদি করে রাখা যায়। ফলে দুইটি শ্রেণি তে পাঠদান বন্ধ থাকে তখন।

মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে চালাবিহীন একটি কে পাঠদান ও বারান্দার চাল উড়ে যাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে কুলাউড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, এ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিখিত আবেদন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে। অচিরেই সরকারি অনুদান আসবে এবং বিদ্যালয়ের মেরামত কাজ শুরু হবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: